১২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
ফিজি: প্রশান্ত মহাসাগরের হারানো রত্ন ‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত

ইউক্রেনের সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হতাহতের ঘটনা, তদন্ত শুরু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • / 129

ছবি সংগৃহীত

 

রাশিয়ার মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইউক্রেনের সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইউক্রেনের স্থল বাহিনীর কমান্ডার মাইখাইলো দ্রাপাতি নিশ্চিত করেছেন যে, এই হামলায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, তবে নিহত ও আহতদের সঠিক সংখ্যা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

রবিবার (৩ মার্চ) মাইখাইলো দ্রাপাতি এক ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, ‘‘প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শত্রু অত্যন্ত ভয়াবহভাবে হামলা চালিয়েছে।’’ তাঁর এই বিবৃতি রাশিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের সত্যতা নিশ্চিত করেছে, যা ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলে হামলা চালানো হয়। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ইস্কান্দার-এম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আক্রমণের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে।

এই হামলায়, জানাগেছে, একাধিক সেনা সদস্য নিহত ও আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত আক্রান্তদের সঠিক সংখ্যা জানাননি, তবে হামলার পর অবিলম্বে তদন্ত শুরু করেছে। ইউক্রেনের স্টেট ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনস হামলার বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি ফৌজদারি মামলা রুজু করেছে।

এদিকে, মাইখাইলো দ্রাপাতি সতর্ক করে বলেছেন, ‘‘যারা সেদিনের হামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যে কেউ দায়বদ্ধতা এড়ানোর চেষ্টা করবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

গত তিন বছর ধরে রাশিয়া বিভিন্ন সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালাচ্ছে, যার ফলে বিভিন্ন সময়ে বহু সেনা সদস্য নিহত বা আহত হয়েছেন। তবে, এবার ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ তদন্তের মুখে পড়তে হচ্ছে, যেখানে অবহেলার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

ইউক্রেনের সরকার এবং সামরিক বাহিনী এখন রাশিয়ার এ হামলার পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে, যা ইউক্রেনের জন্য নতুন একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেনের সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হতাহতের ঘটনা, তদন্ত শুরু

আপডেট সময় ০২:০০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

 

রাশিয়ার মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইউক্রেনের সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইউক্রেনের স্থল বাহিনীর কমান্ডার মাইখাইলো দ্রাপাতি নিশ্চিত করেছেন যে, এই হামলায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, তবে নিহত ও আহতদের সঠিক সংখ্যা এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

রবিবার (৩ মার্চ) মাইখাইলো দ্রাপাতি এক ফেসবুক পোস্টে বলেছেন, ‘‘প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শত্রু অত্যন্ত ভয়াবহভাবে হামলা চালিয়েছে।’’ তাঁর এই বিবৃতি রাশিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের সত্যতা নিশ্চিত করেছে, যা ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলে হামলা চালানো হয়। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ইস্কান্দার-এম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আক্রমণের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে।

এই হামলায়, জানাগেছে, একাধিক সেনা সদস্য নিহত ও আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত আক্রান্তদের সঠিক সংখ্যা জানাননি, তবে হামলার পর অবিলম্বে তদন্ত শুরু করেছে। ইউক্রেনের স্টেট ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনস হামলার বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি ফৌজদারি মামলা রুজু করেছে।

এদিকে, মাইখাইলো দ্রাপাতি সতর্ক করে বলেছেন, ‘‘যারা সেদিনের হামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যে কেউ দায়বদ্ধতা এড়ানোর চেষ্টা করবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

গত তিন বছর ধরে রাশিয়া বিভিন্ন সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালাচ্ছে, যার ফলে বিভিন্ন সময়ে বহু সেনা সদস্য নিহত বা আহত হয়েছেন। তবে, এবার ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ তদন্তের মুখে পড়তে হচ্ছে, যেখানে অবহেলার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

ইউক্রেনের সরকার এবং সামরিক বাহিনী এখন রাশিয়ার এ হামলার পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে, যা ইউক্রেনের জন্য নতুন একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।