ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাইওয়ান উপকূলে চীনের যুদ্ধসজ্জার মহড়া, জবাবে সেনা পাঠাল তাইওয়ান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 314

ছবি: সংগৃহীত

 

চীনের সামরিক মহড়ার নতুন কৌশলে উদ্বেগ বেড়েছে তাইওয়ানে। পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই দ্বীপটির উপকূলের কাছে বিশাল সামরিক শক্তি প্রদর্শন করেছে বেইজিং। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের ৪৬ মাইল দূরে একের পর এক চীনা যুদ্ধবিমান ও নৌযান জড়ো হতে থাকে। কিছু সময় পরই কয়েকটি যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। তাইওয়ান দাবি করেছে, মহড়ায় গুলিও ব্যবহার করা হয়েছে।

চীনের এমন তৎপরতার জবাবে দ্রুত নিজেদের সেনা ও নৌবাহিনী মোতায়েন করে তাইপে। দ্বীপটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  গোপন সফরে আফ্রিকায় তাইওয়ান প্রেসিডেন্ট, ‘ইঁদুর’ আখ্যা দিল চীন

এমন আকস্মিক সামরিক মহড়া আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ও নৌ চলাচলের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে বলে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তাইওয়ান। দেশটির পক্ষ থেকে একে ‘আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় সরাসরি উসকানি’ হিসেবেও আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি চীন।

গত কয়েক বছরে ক্রমাগত তাইওয়ানের চারপাশে সামরিক মহড়া ও যুদ্ধবিমান-রণতরীর টহল বাড়িয়েছে বেইজিং। নিজেদের সার্বভৌমত্বের দাবিতে অটল থাকতে তাইওয়ানের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল নিয়েছে তারা। কিন্তু চীনের এই দাবির কাছে কখনোই নতি স্বীকার করেনি তাইপে, বরং প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়িয়ে মোকাবিলার কৌশল নিয়েছে দ্বীপটি।

চীন-তাইওয়ান উত্তেজনার এই নতুন ধাপে আন্তর্জাতিক মহলও উদ্বিগ্ন। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি হলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও নিরাপত্তায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

তাইওয়ান উপকূলে চীনের যুদ্ধসজ্জার মহড়া, জবাবে সেনা পাঠাল তাইওয়ান

আপডেট সময় ১১:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

চীনের সামরিক মহড়ার নতুন কৌশলে উদ্বেগ বেড়েছে তাইওয়ানে। পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই দ্বীপটির উপকূলের কাছে বিশাল সামরিক শক্তি প্রদর্শন করেছে বেইজিং। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের ৪৬ মাইল দূরে একের পর এক চীনা যুদ্ধবিমান ও নৌযান জড়ো হতে থাকে। কিছু সময় পরই কয়েকটি যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। তাইওয়ান দাবি করেছে, মহড়ায় গুলিও ব্যবহার করা হয়েছে।

চীনের এমন তৎপরতার জবাবে দ্রুত নিজেদের সেনা ও নৌবাহিনী মোতায়েন করে তাইপে। দ্বীপটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  তাইওয়ানে প্রথমবারের মতো প্রো ইসরাইলি লবি AIPAC প্রতিনিধিদলের সফর

এমন আকস্মিক সামরিক মহড়া আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ও নৌ চলাচলের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে বলে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তাইওয়ান। দেশটির পক্ষ থেকে একে ‘আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় সরাসরি উসকানি’ হিসেবেও আখ্যা দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি চীন।

গত কয়েক বছরে ক্রমাগত তাইওয়ানের চারপাশে সামরিক মহড়া ও যুদ্ধবিমান-রণতরীর টহল বাড়িয়েছে বেইজিং। নিজেদের সার্বভৌমত্বের দাবিতে অটল থাকতে তাইওয়ানের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল নিয়েছে তারা। কিন্তু চীনের এই দাবির কাছে কখনোই নতি স্বীকার করেনি তাইপে, বরং প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়িয়ে মোকাবিলার কৌশল নিয়েছে দ্বীপটি।

চীন-তাইওয়ান উত্তেজনার এই নতুন ধাপে আন্তর্জাতিক মহলও উদ্বিগ্ন। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি হলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও নিরাপত্তায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।