ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার
বাণিজ্যিক

নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি নয়: ইউক্রেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 248

ছবি সংগৃহীত

 

নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজসম্পদ বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি নয় ইউক্রেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহাল সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বা ইউক্রেন সরকার কেউই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চুক্তিটি বিবেচনা করবে না, স্বাক্ষর তো দূরের কথা।”

ইউক্রেনীয় টেলিভিশনের সঙ্গে আলাপকালে শ্যামিহাল জানান, খনিজ চুক্তির প্রাথমিক পর্যায়ে ইউক্রেনের পুনর্গঠনের জন্য একটি “বিনিয়োগ তহবিল” গঠন করা হবে, যা সমান শর্তে পরিচালনা করবে কিয়েভ ও ওয়াশিংটন। টানা দুই সপ্তাহ আলোচনার পর খনিজ চুক্তির খসড়া প্রায় চূড়ান্ত হলেও নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা শুরু করার আহ্বান এরদোয়ানের

এদিকে, খনিজ চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলার মাঝেই পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা হয়েছে। কোস্তিয়ান্তিনিভকা শহরে রাশিয়ান বাহিনীর আক্রমণে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অঞ্চলটির প্রধান ভাদিম ফিলাশকিন।

টেলিগ্রামে দেয়া বিবৃতিতে তিনি জানান, রাশিয়া তিনটি গাইডেড এরিয়াল বোমা নিক্ষেপ করেছে, যা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “কোস্তিয়ান্তিনিভকায় রাশিয়ার হামলা বাড়ছে। শহরে থাকা এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।” ফিলাশকিন ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন ও বিশাল গর্তের ছবি শেয়ার করে হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনের খনিজ সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ থাকলেও দেশটি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ। অন্যদিকে, যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন নতুন করে শঙ্কা বাড়াচ্ছে। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ের পাশাপাশি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও কিয়েভের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

বাণিজ্যিক

নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি নয়: ইউক্রেন

আপডেট সময় ০৮:৩৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজসম্পদ বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি নয় ইউক্রেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শ্যামিহাল সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বা ইউক্রেন সরকার কেউই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চুক্তিটি বিবেচনা করবে না, স্বাক্ষর তো দূরের কথা।”

ইউক্রেনীয় টেলিভিশনের সঙ্গে আলাপকালে শ্যামিহাল জানান, খনিজ চুক্তির প্রাথমিক পর্যায়ে ইউক্রেনের পুনর্গঠনের জন্য একটি “বিনিয়োগ তহবিল” গঠন করা হবে, যা সমান শর্তে পরিচালনা করবে কিয়েভ ও ওয়াশিংটন। টানা দুই সপ্তাহ আলোচনার পর খনিজ চুক্তির খসড়া প্রায় চূড়ান্ত হলেও নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন  তিন দেশের যুদ্ধবিরতির আলোচনা: রাশিয়া, ইউক্রেন, এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন পদক্ষেপ

এদিকে, খনিজ চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলার মাঝেই পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা হয়েছে। কোস্তিয়ান্তিনিভকা শহরে রাশিয়ান বাহিনীর আক্রমণে অন্তত পাঁচজন নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অঞ্চলটির প্রধান ভাদিম ফিলাশকিন।

টেলিগ্রামে দেয়া বিবৃতিতে তিনি জানান, রাশিয়া তিনটি গাইডেড এরিয়াল বোমা নিক্ষেপ করেছে, যা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “কোস্তিয়ান্তিনিভকায় রাশিয়ার হামলা বাড়ছে। শহরে থাকা এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।” ফিলাশকিন ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন ও বিশাল গর্তের ছবি শেয়ার করে হামলার ভয়াবহতা তুলে ধরেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনের খনিজ সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ থাকলেও দেশটি নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ। অন্যদিকে, যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন নতুন করে শঙ্কা বাড়াচ্ছে। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ের পাশাপাশি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও কিয়েভের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”