ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

বৈরুতে হিজবুল্লাহ নেতা নাসরুল্লাহর বিদায়ে জনসমুদ্র, স্লোগানে প্রকম্পিত নগরী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 479

ছবি সংগৃহীত

 

লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর প্রয়াত নেতা হাসান নাসরুল্লাহর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গতকাল রবিবার বৈরুতের রাজপথে নেমেছিল লাখো মানুষ। শোকার্ত সমর্থকদের স্লোগানে প্রকম্পিত হয়েছিল পুরো নগরী।

নাসরুল্লাহ গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর বৈরুতের উপকণ্ঠে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন। দীর্ঘদিন গোপনে দাফন করার পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা কাটিয়ে তাকে প্রকাশ্যে বিদায় জানানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন  হিজবুল্লাহর হামলা বন্ধের শর্তে নতুন সমঝোতা

কালো পতাকায় মোড়ানো ট্রাকে করে নাসরুল্লাহ ও আরেক হিজবুল্লাহ নেতা হাসেম সাইফেদ্দিনের কফিন যখন জনতার ভিড় ঠেলে এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন চারদিকে শোনা যাচ্ছিল আহাজারি। অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে বৈরুতের একটি স্টেডিয়ামে জানাজার আয়োজন করা হয়, যেখানে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নাসরুল্লাহ হিজবুল্লাহর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। তার নেতৃত্বে হিজবুল্লাহ সংগঠনটি সামরিকভাবে শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে।

নাসরুল্লাহর মৃত্যুর পর হিজবুল্লাহ আরও প্রতিশোধমূলক হামলার হুমকি দিয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বৈরুতে হিজবুল্লাহ নেতা নাসরুল্লাহর বিদায়ে জনসমুদ্র, স্লোগানে প্রকম্পিত নগরী

আপডেট সময় ১০:৫৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর প্রয়াত নেতা হাসান নাসরুল্লাহর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গতকাল রবিবার বৈরুতের রাজপথে নেমেছিল লাখো মানুষ। শোকার্ত সমর্থকদের স্লোগানে প্রকম্পিত হয়েছিল পুরো নগরী।

নাসরুল্লাহ গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর বৈরুতের উপকণ্ঠে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন। দীর্ঘদিন গোপনে দাফন করার পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা কাটিয়ে তাকে প্রকাশ্যে বিদায় জানানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন  আত্মসমর্পণ করবে না হিজবুল্লাহ

কালো পতাকায় মোড়ানো ট্রাকে করে নাসরুল্লাহ ও আরেক হিজবুল্লাহ নেতা হাসেম সাইফেদ্দিনের কফিন যখন জনতার ভিড় ঠেলে এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন চারদিকে শোনা যাচ্ছিল আহাজারি। অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে বৈরুতের একটি স্টেডিয়ামে জানাজার আয়োজন করা হয়, যেখানে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নাসরুল্লাহ হিজবুল্লাহর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। তার নেতৃত্বে হিজবুল্লাহ সংগঠনটি সামরিকভাবে শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে।

নাসরুল্লাহর মৃত্যুর পর হিজবুল্লাহ আরও প্রতিশোধমূলক হামলার হুমকি দিয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।