১০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
প্রকৃতির হাতে আঁকা ভূমি: নর্থ ডাকোটা ব্যাডল্যান্ড সাংবাদিকতার স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে আর্থিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক স্বনির্ভরতা জরুরি: শফিক রেহমান হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চরমোনাইয়ের জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে জামায়াত জোট আইসিসি ভারতীয় কর্মকর্তাকে ভিসা দেয়নি বাংলাদেশ, ভারতীয় মিডিয়ার দাবি একটি দল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ খুঁজছে: সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান আচরণবিধি লঙ্ঘন: অপসাংবাদিকতার শিকার বললেন মামুনুল হক পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তন আনছে ইসি গুম ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের পাশে তারেক রহমান

গরমে বিদ্যুৎ সংকট বাড়তে পারে, রোজার মাসে বাড়বে লোডশেডিং

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 115

ছবি: সংগৃহীত

 

শীতের শেষে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে, আর তার সঙ্গে বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদাও। বিশেষ করে মার্চে এই চাহিদা আরও বাড়তে পারে, তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা বেশি হলেও তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না, ফলে কিছু এলাকায় ইতিমধ্যেই অল্প সময়ের জন্য লোডশেডিং শুরু হয়েছে। রোজার মাসে এই লোডশেডিং আরও নিয়মিত হতে পারে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মার্চে বিদ্যুৎ চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে, যা এপ্রিল মাসে ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত যেতে পারে। গত বছর এই সময় ১২ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল, এবার তা ১৩ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে। তবে ঘাটতি মেটাতে এবারের গ্রীষ্মে নিয়মিত লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ৫ ফেব্রুয়ারি এক সভায় বলেন, “লোডশেডিং ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে, বিশেষ করে গরমে এসি ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। এসি ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখলে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হবে।”

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানান, গ্যাস ও কয়লা থেকে ১৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তবে সরবরাহে অনিশ্চয়তা রয়েছে। যদি তেলচালিত কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে না পারে, তবে গরমের সময়ে দৈনিক ২-৩ ঘণ্টা লোডশেডিং হতে পারে।

গত নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত লোডশেডিং ছিল, কিন্তু শীতের কারণে চাহিদা কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো সমস্যা হয়নি। বর্তমানে বিদ্যুৎ চাহিদা ১১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে, যা আগামী মাসে আরও বাড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গরমে বিদ্যুৎ সংকট বাড়তে পারে, রোজার মাসে বাড়বে লোডশেডিং

আপডেট সময় ০৩:১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

শীতের শেষে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে, আর তার সঙ্গে বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদাও। বিশেষ করে মার্চে এই চাহিদা আরও বাড়তে পারে, তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা বেশি হলেও তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না, ফলে কিছু এলাকায় ইতিমধ্যেই অল্প সময়ের জন্য লোডশেডিং শুরু হয়েছে। রোজার মাসে এই লোডশেডিং আরও নিয়মিত হতে পারে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মার্চে বিদ্যুৎ চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে, যা এপ্রিল মাসে ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত যেতে পারে। গত বছর এই সময় ১২ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল, এবার তা ১৩ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে। তবে ঘাটতি মেটাতে এবারের গ্রীষ্মে নিয়মিত লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ৫ ফেব্রুয়ারি এক সভায় বলেন, “লোডশেডিং ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে, বিশেষ করে গরমে এসি ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। এসি ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখলে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হবে।”

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানান, গ্যাস ও কয়লা থেকে ১৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তবে সরবরাহে অনিশ্চয়তা রয়েছে। যদি তেলচালিত কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে না পারে, তবে গরমের সময়ে দৈনিক ২-৩ ঘণ্টা লোডশেডিং হতে পারে।

গত নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত লোডশেডিং ছিল, কিন্তু শীতের কারণে চাহিদা কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো সমস্যা হয়নি। বর্তমানে বিদ্যুৎ চাহিদা ১১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে, যা আগামী মাসে আরও বাড়বে।