ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

গরমে বিদ্যুৎ সংকট বাড়তে পারে, রোজার মাসে বাড়বে লোডশেডিং

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 300

ছবি: সংগৃহীত

 

শীতের শেষে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে, আর তার সঙ্গে বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদাও। বিশেষ করে মার্চে এই চাহিদা আরও বাড়তে পারে, তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা বেশি হলেও তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না, ফলে কিছু এলাকায় ইতিমধ্যেই অল্প সময়ের জন্য লোডশেডিং শুরু হয়েছে। রোজার মাসে এই লোডশেডিং আরও নিয়মিত হতে পারে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মার্চে বিদ্যুৎ চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে, যা এপ্রিল মাসে ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত যেতে পারে। গত বছর এই সময় ১২ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল, এবার তা ১৩ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে। তবে ঘাটতি মেটাতে এবারের গ্রীষ্মে নিয়মিত লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন  গরমে বিদ্যুৎ সংকট: লোডশেডিং নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ৫ ফেব্রুয়ারি এক সভায় বলেন, “লোডশেডিং ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে, বিশেষ করে গরমে এসি ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। এসি ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখলে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হবে।”

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানান, গ্যাস ও কয়লা থেকে ১৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তবে সরবরাহে অনিশ্চয়তা রয়েছে। যদি তেলচালিত কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে না পারে, তবে গরমের সময়ে দৈনিক ২-৩ ঘণ্টা লোডশেডিং হতে পারে।

গত নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত লোডশেডিং ছিল, কিন্তু শীতের কারণে চাহিদা কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো সমস্যা হয়নি। বর্তমানে বিদ্যুৎ চাহিদা ১১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে, যা আগামী মাসে আরও বাড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গরমে বিদ্যুৎ সংকট বাড়তে পারে, রোজার মাসে বাড়বে লোডশেডিং

আপডেট সময় ০৩:১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

শীতের শেষে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে, আর তার সঙ্গে বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদাও। বিশেষ করে মার্চে এই চাহিদা আরও বাড়তে পারে, তবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা বেশি হলেও তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না, ফলে কিছু এলাকায় ইতিমধ্যেই অল্প সময়ের জন্য লোডশেডিং শুরু হয়েছে। রোজার মাসে এই লোডশেডিং আরও নিয়মিত হতে পারে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মার্চে বিদ্যুৎ চাহিদা ১৬ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে, যা এপ্রিল মাসে ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত যেতে পারে। গত বছর এই সময় ১২ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল, এবার তা ১৩ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে। তবে ঘাটতি মেটাতে এবারের গ্রীষ্মে নিয়মিত লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন  জাতীয় গ্রিডে আদানির ৯২৫ মেগাওয়াট: কমতে পারে দেশব্যাপী লোডশেডিং

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ৫ ফেব্রুয়ারি এক সভায় বলেন, “লোডশেডিং ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে, বিশেষ করে গরমে এসি ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। এসি ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখলে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হবে।”

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তারা জানান, গ্যাস ও কয়লা থেকে ১৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তবে সরবরাহে অনিশ্চয়তা রয়েছে। যদি তেলচালিত কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে না পারে, তবে গরমের সময়ে দৈনিক ২-৩ ঘণ্টা লোডশেডিং হতে পারে।

গত নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত লোডশেডিং ছিল, কিন্তু শীতের কারণে চাহিদা কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো সমস্যা হয়নি। বর্তমানে বিদ্যুৎ চাহিদা ১১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে, যা আগামী মাসে আরও বাড়বে।