ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ মির্জা আব্বাস দেশে ফিরে; যোগ দিয়েছেন নিজ দাফতরিক কাজে উল্টোপথে গাড়ি চালানোর অভিযোগে মন্ত্রীর গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

তুলা আমদানিতে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ: মার্কিন কৃষি বিভাগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 544

ছবি: সংগৃহীত

 

২০২৪-২৫ বাণিজ্য বছরে তুলা আমদানিতে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ এমন পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। মূলত তৈরি পোশাক খাতে চাহিদা বাড়ায় তুলা আমদানি বেড়েছে।

ইউএসডিএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বাণিজ্য বছরের শেষে বাংলাদেশের তুলা আমদানি ৮০ লাখ বেলে পৌঁছাতে পারে, যা পূর্বাভাসের তুলনায় দুই লাখ বেল বেশি। অন্যদিকে, চীনের আমদানি কমে ৭৩ লাখ বেলে নামতে পারে। ফলে বাংলাদেশ তুলা আমদানিতে বিশ্বে শীর্ষ স্থানে উঠে আসবে।

আরও পড়ুন  রোজা শুরুর আগেই ছোলার সরবরাহে স্বস্তি, দাম কমার আশা

তবে দেশের বস্ত্রকল মালিকরা বলছেন, গ্যাস-সংকটের কারণে অধিকাংশ মিল পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) পরিচালক মোহা. খোরশেদ আলম বলেন, “আমাদের উৎপাদন সক্ষমতা কম থাকায় শেষ পর্যন্ত এত তুলা আমদানি হবে না। এর বড় অংশ সুতা আকারে ভারত থেকে আসবে।”

বিটিএমএর তথ্যানুযায়ী, দেশে ৫১৯টি স্পিনিং মিল থাকলেও অনেকগুলো বন্ধ বা আংশিক চালু রয়েছে। এসব মিল নিট কাপড়ের ৮৫-৯০ শতাংশ এবং ওভেন কাপড়ের প্রায় ৪০ শতাংশ সুতা সরবরাহ করে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যানুযায়ী, গত বছর ১৮.৮৯ লাখ টন তুলা আমদানি করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯% বেশি। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। পাশাপাশি ১২ লাখ টন সুতা আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৪৫ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা।

বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, “বাংলাদেশ সুতা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও গ্যাস-সংকটের কারণে মিলগুলো অর্ধেক চালু, অর্ধেক বন্ধ। ফলে স্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তৈরি পোশাক খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে পারছে না।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্যাস-সংকট নিরসন না হলে তুলা আমদানি বাড়লেও দেশীয় বস্ত্র শিল্প কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাবে না, বরং ভারতীয় সুতা ও কাপড়ের ওপর নির্ভরশীলতা আরও বাড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তুলা আমদানিতে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ: মার্কিন কৃষি বিভাগ

আপডেট সময় ১০:০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

২০২৪-২৫ বাণিজ্য বছরে তুলা আমদানিতে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ এমন পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। মূলত তৈরি পোশাক খাতে চাহিদা বাড়ায় তুলা আমদানি বেড়েছে।

ইউএসডিএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বাণিজ্য বছরের শেষে বাংলাদেশের তুলা আমদানি ৮০ লাখ বেলে পৌঁছাতে পারে, যা পূর্বাভাসের তুলনায় দুই লাখ বেল বেশি। অন্যদিকে, চীনের আমদানি কমে ৭৩ লাখ বেলে নামতে পারে। ফলে বাংলাদেশ তুলা আমদানিতে বিশ্বে শীর্ষ স্থানে উঠে আসবে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্প বললেন 'ভারত চাইলে অর্থনীতি ডুবাক'- তেল আমদানিতে ধাক্কা

তবে দেশের বস্ত্রকল মালিকরা বলছেন, গ্যাস-সংকটের কারণে অধিকাংশ মিল পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) পরিচালক মোহা. খোরশেদ আলম বলেন, “আমাদের উৎপাদন সক্ষমতা কম থাকায় শেষ পর্যন্ত এত তুলা আমদানি হবে না। এর বড় অংশ সুতা আকারে ভারত থেকে আসবে।”

বিটিএমএর তথ্যানুযায়ী, দেশে ৫১৯টি স্পিনিং মিল থাকলেও অনেকগুলো বন্ধ বা আংশিক চালু রয়েছে। এসব মিল নিট কাপড়ের ৮৫-৯০ শতাংশ এবং ওভেন কাপড়ের প্রায় ৪০ শতাংশ সুতা সরবরাহ করে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যানুযায়ী, গত বছর ১৮.৮৯ লাখ টন তুলা আমদানি করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯% বেশি। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। পাশাপাশি ১২ লাখ টন সুতা আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৪৫ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা।

বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, “বাংলাদেশ সুতা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও গ্যাস-সংকটের কারণে মিলগুলো অর্ধেক চালু, অর্ধেক বন্ধ। ফলে স্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তৈরি পোশাক খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে পারছে না।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্যাস-সংকট নিরসন না হলে তুলা আমদানি বাড়লেও দেশীয় বস্ত্র শিল্প কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাবে না, বরং ভারতীয় সুতা ও কাপড়ের ওপর নির্ভরশীলতা আরও বাড়বে।