ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা
আন্তর্জাতিক

ইসরায়েল পেল ১,৮০০ বিধ্বংসী MK84 বোমা, গাজার জন্য নতুন সংকেত?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 471

ছবি সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ১,৮০০টি বিধ্বংসী MK84 বোমা গ্রহণ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এই শক্তিশালী বোমাগুলো পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্লেষকদের মতে, এগুলো গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

MK84 হলো মার্কিন Mark 80 সিরিজের সবচেয়ে ভারী এবং বিধ্বংসী বোমা। প্রায় ৯০৭ কেজি ওজনের এই বোমার বিস্ফোরক ক্ষমতা ৪২৯ কেজি TNT, যা বিশাল এলাকা এক মুহূর্তেই ধ্বংস করে দিতে পারে।

এর ধ্বংসাত্মক ব্যাসার্ধ ৩০-৫০ মিটার, তবে শকওয়েভ ও ধ্বংসাবশেষ আরও বহু দূর পর্যন্ত ক্ষতি করতে পারে। শক্ত কংক্রিটের কাঠামো ভেদ করে ভেতরের লক্ষ্যবস্তুকে চূর্ণ করতে সক্ষম এই বোমা। সাধারণত যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষিপ্ত হয়ে এটি বাঙ্কার, সামরিক ঘাঁটি, ব্রিজ, রানওয়ে ও স্থাপনা ধ্বংসে ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন  ইসরায়েল অতিরিক্ত দুটি KC-46 রিফুয়েলিং প্লেন কিনছে

MK84 বোমাকে আরও মারাত্মক করে তুলতে একে GBU-31 JDAM (Joint Direct Attack Munition) প্রযুক্তির মাধ্যমে স্যাটেলাইট-নিয়ন্ত্রিত স্মার্ট বোমায় রূপান্তর করা হয়, যা লক্ষ্যবস্তুর ওপর নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম। এটি ইতিপূর্বে ভিয়েতনাম, ইরাক ও আফগান যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দেশগুলোকে এই বোমা সরবরাহ করে, যার মধ্যে ইসরায়েলও অন্যতম।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসরায়েল এই বোমাগুলো গাজায় হামলার জন্য ব্যবহার করতে পারে, যা ফিলিস্তিনের পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলবে। ইতোমধ্যে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলমান, এবং এই নতুন বোমাগুলোর সংযোজন সেই আগ্রাসনকে আরও ধ্বংসাত্মক করে তুলতে পারে।

MK84 বোমার মতো বিধ্বংসী অস্ত্রের হাতে যাওয়া গাজার জন্য এক নতুন বিপদের সংকেত, যা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাকে আরও ঘনীভূত করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েল পেল ১,৮০০ বিধ্বংসী MK84 বোমা, গাজার জন্য নতুন সংকেত?

আপডেট সময় ০৫:৫৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ১,৮০০টি বিধ্বংসী MK84 বোমা গ্রহণ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এই শক্তিশালী বোমাগুলো পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্লেষকদের মতে, এগুলো গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

MK84 হলো মার্কিন Mark 80 সিরিজের সবচেয়ে ভারী এবং বিধ্বংসী বোমা। প্রায় ৯০৭ কেজি ওজনের এই বোমার বিস্ফোরক ক্ষমতা ৪২৯ কেজি TNT, যা বিশাল এলাকা এক মুহূর্তেই ধ্বংস করে দিতে পারে।

এর ধ্বংসাত্মক ব্যাসার্ধ ৩০-৫০ মিটার, তবে শকওয়েভ ও ধ্বংসাবশেষ আরও বহু দূর পর্যন্ত ক্ষতি করতে পারে। শক্ত কংক্রিটের কাঠামো ভেদ করে ভেতরের লক্ষ্যবস্তুকে চূর্ণ করতে সক্ষম এই বোমা। সাধারণত যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষিপ্ত হয়ে এটি বাঙ্কার, সামরিক ঘাঁটি, ব্রিজ, রানওয়ে ও স্থাপনা ধ্বংসে ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন  মিশরের সাথে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের গ্যাস চুক্তি স্থগিত করল ইসরায়েল

MK84 বোমাকে আরও মারাত্মক করে তুলতে একে GBU-31 JDAM (Joint Direct Attack Munition) প্রযুক্তির মাধ্যমে স্যাটেলাইট-নিয়ন্ত্রিত স্মার্ট বোমায় রূপান্তর করা হয়, যা লক্ষ্যবস্তুর ওপর নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম। এটি ইতিপূর্বে ভিয়েতনাম, ইরাক ও আফগান যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দেশগুলোকে এই বোমা সরবরাহ করে, যার মধ্যে ইসরায়েলও অন্যতম।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসরায়েল এই বোমাগুলো গাজায় হামলার জন্য ব্যবহার করতে পারে, যা ফিলিস্তিনের পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলবে। ইতোমধ্যে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলমান, এবং এই নতুন বোমাগুলোর সংযোজন সেই আগ্রাসনকে আরও ধ্বংসাত্মক করে তুলতে পারে।

MK84 বোমার মতো বিধ্বংসী অস্ত্রের হাতে যাওয়া গাজার জন্য এক নতুন বিপদের সংকেত, যা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাকে আরও ঘনীভূত করতে পারে।