ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

মোবাইল ফোনে ব্রেন ক্যানসার হয়? কি বলছে ডব্লিউএইচও’র গবেষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 20

ছবি: সংগৃহীত

মোবাইল ফোনের বিকিরণে মস্তিষ্কের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে কি না, তা জানতে ২২টি দেশে পরিচালিত ৬৩টি গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। পর্যালোচনায় মোবাইল ফোনের ব্যবহার এবং মস্তিষ্কের বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, মোবাইল ফোন ব্যবহারে ব্রেন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ মেলেনি বলে পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রেডিও তরঙ্গের সংস্পর্শের সঙ্গে গ্লিওমা, মেনিনজিওমা ও অ্যাকুস্টিক নিউরোমার ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। একইভাবে পিটুইটারি গ্রন্থি ও লালাগ্রন্থির ক্যানসার এবং লিউকেমিয়ার সঙ্গেও এ ধরনের বিকিরণের উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক মেলেনি।

এটি একটি মেটা-অ্যানালাইসিস, অর্থাৎ একাধিক গবেষণার ফলাফল একত্র করে করা বিশ্লেষণ। এতে ১৯৯৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ২২টি দেশে প্রকাশিত ৬৩টি গবেষণাপত্র পর্যালোচনা করা হয়। এসব গবেষণায় মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন যন্ত্র থেকে নির্গত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ডের (আরএফ-ইএমএফ) সংস্পর্শের সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব পরীক্ষা করা হয়েছে। টেলিভিশন, শিশুর পর্যবেক্ষণ যন্ত্রসহ আধুনিক জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্র থেকেও এ ধরনের তরঙ্গ নির্গত হয়।

আরও পড়ুন  ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্য অধিদফতরকে চিকিৎসা সরঞ্জাম দিলো ডব্লিউএইচও

মোবাইল ফোন মূলত স্বল্প ক্ষমতার রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি সংকেত প্রেরণকারী যন্ত্র। এটি সেল টাওয়ারের মতো নির্দিষ্ট অ্যান্টেনার মাধ্যমে রেডিও তরঙ্গ আদান-প্রদান করে। পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, এ ধরনের তরঙ্গ শরীরে রাসায়নিক বন্ধন ভাঙে, আয়ন সৃষ্টি করে বা ডিএনএর ক্ষতি করে—এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফোন চালু থাকলে এটি সংকেত গ্রহণ ও প্রেরণ করতে পারে। তবে পুরোপুরি বন্ধ থাকলে সাধারণত এ ধরনের সংকেত পাঠানো বা গ্রহণ করা হয় না।

শুধু মোবাইল ফোন নয়, সম্প্রচার অ্যান্টেনা ও মোবাইল টাওয়ারের মতো স্থায়ী উৎস থেকে নির্গত বিকিরণের সঙ্গেও শিশুদের লিউকেমিয়া বা মস্তিষ্কের টিউমারের কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। একইভাবে, কর্মক্ষেত্রে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি সংকেত প্রেরণকারী যন্ত্রের সংস্পর্শে থাকার সঙ্গে গ্লিওমার হার বৃদ্ধির সম্পর্কও মেলেনি।

গবেষণাটির প্রধান লেখক কেন কারিপিডিস অস্ট্রেলিয়ান রেডিয়েশন প্রোটেকশন অ্যান্ড নিউক্লিয়ার সেফটি এজেন্সির স্বাস্থ্যগত প্রভাব মূল্যায়ন বিভাগের সহকারী পরিচালক। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পর্যালোচনায় অন্তর্ভুক্ত গবেষণাগুলো মানুষের ওপর পরিচালিত পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা। এসব গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের বিকিরণের সংস্পর্শ নিয়ন্ত্রিতভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না। এ কারণে গবেষণার ফলাফলের নিশ্চয়তা মাঝারি থেকে নিম্ন পর্যায়ের মধ্যে রয়েছে।

মানুষকে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলে কোনো কিছুর ক্যানসার সৃষ্টির ক্ষমতা পরীক্ষা করা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষার পরিবর্তে পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণার ওপর নির্ভর করতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের মেমোরিয়ালকেয়ার ক্যানসার ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ওয়েল হার্ব বলেন, কিছু পুরোনো গবেষণায় ক্যানসারের সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা বলা হয়েছিল। তবে এসব গবেষণার ছোট নমুনা এবং অংশগ্রহণকারীদের অতীতের তথ্য মনে করার ক্ষেত্রে ভুলের মতো পদ্ধতিগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত উন্নত মানের গবেষণায় আগের উদ্বেগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা (আইএআরসি) আগে মোবাইল ফোনের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বিকিরণকে ‘সম্ভাব্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছিল। কোনো কিছুর সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক পুরোপুরি নাকচ করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকলে এ ধরনের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। তবে সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা মানেই ক্যানসার সৃষ্টি করে—এমন প্রমাণ পাওয়া নয়।

মোবাইল ফোন ব্যবহার ও স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে পরিচালিত কসমস প্রকল্পের প্রাথমিক ফলাফলও একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছে। এতে দেখা গেছে, যারা সবচেয়ে বেশি সময় মোবাইল ফোনে কথা বলেন, তাঁদের মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি কম ব্যবহারকারীদের তুলনায় বেশি নয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর্মক্ষেত্রে এমআরআই যন্ত্র, রাডার, মাইক্রোওয়েভ ও টেলিযোগাযোগ সরঞ্জামের সংস্পর্শের ক্ষেত্রে বিকিরণের তীব্রতা এবং কতক্ষণ সংস্পর্শে থাকা হচ্ছে, তা গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ঝুঁকি পুরোপুরি নাকচ করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান গবেষণায় মোবাইল ফোনের বিকিরণের সঙ্গে মস্তিষ্কের ক্যানসারের উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। তবে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন এবং নতুন নতুন কম্পাঙ্কের রেডিও তরঙ্গের ব্যবহার বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে নিয়মিত গবেষণা চালিয়ে যাওয়া জরুরি। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় বিকিরণের সংস্পর্শ কমানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

নিউজটি শেয়ার করুন

মোবাইল ফোনে ব্রেন ক্যানসার হয়? কি বলছে ডব্লিউএইচও’র গবেষণা

আপডেট সময় ০৬:৫৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

মোবাইল ফোনের বিকিরণে মস্তিষ্কের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে কি না, তা জানতে ২২টি দেশে পরিচালিত ৬৩টি গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। পর্যালোচনায় মোবাইল ফোনের ব্যবহার এবং মস্তিষ্কের বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, মোবাইল ফোন ব্যবহারে ব্রেন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ মেলেনি বলে পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রেডিও তরঙ্গের সংস্পর্শের সঙ্গে গ্লিওমা, মেনিনজিওমা ও অ্যাকুস্টিক নিউরোমার ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। একইভাবে পিটুইটারি গ্রন্থি ও লালাগ্রন্থির ক্যানসার এবং লিউকেমিয়ার সঙ্গেও এ ধরনের বিকিরণের উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক মেলেনি।

এটি একটি মেটা-অ্যানালাইসিস, অর্থাৎ একাধিক গবেষণার ফলাফল একত্র করে করা বিশ্লেষণ। এতে ১৯৯৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ২২টি দেশে প্রকাশিত ৬৩টি গবেষণাপত্র পর্যালোচনা করা হয়। এসব গবেষণায় মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন যন্ত্র থেকে নির্গত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ডের (আরএফ-ইএমএফ) সংস্পর্শের সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব পরীক্ষা করা হয়েছে। টেলিভিশন, শিশুর পর্যবেক্ষণ যন্ত্রসহ আধুনিক জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্র থেকেও এ ধরনের তরঙ্গ নির্গত হয়।

আরও পড়ুন  কাপড়ের আড়ালে ৫ কোটি টাকার মোবাইল

মোবাইল ফোন মূলত স্বল্প ক্ষমতার রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি সংকেত প্রেরণকারী যন্ত্র। এটি সেল টাওয়ারের মতো নির্দিষ্ট অ্যান্টেনার মাধ্যমে রেডিও তরঙ্গ আদান-প্রদান করে। পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, এ ধরনের তরঙ্গ শরীরে রাসায়নিক বন্ধন ভাঙে, আয়ন সৃষ্টি করে বা ডিএনএর ক্ষতি করে—এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফোন চালু থাকলে এটি সংকেত গ্রহণ ও প্রেরণ করতে পারে। তবে পুরোপুরি বন্ধ থাকলে সাধারণত এ ধরনের সংকেত পাঠানো বা গ্রহণ করা হয় না।

শুধু মোবাইল ফোন নয়, সম্প্রচার অ্যান্টেনা ও মোবাইল টাওয়ারের মতো স্থায়ী উৎস থেকে নির্গত বিকিরণের সঙ্গেও শিশুদের লিউকেমিয়া বা মস্তিষ্কের টিউমারের কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। একইভাবে, কর্মক্ষেত্রে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি সংকেত প্রেরণকারী যন্ত্রের সংস্পর্শে থাকার সঙ্গে গ্লিওমার হার বৃদ্ধির সম্পর্কও মেলেনি।

গবেষণাটির প্রধান লেখক কেন কারিপিডিস অস্ট্রেলিয়ান রেডিয়েশন প্রোটেকশন অ্যান্ড নিউক্লিয়ার সেফটি এজেন্সির স্বাস্থ্যগত প্রভাব মূল্যায়ন বিভাগের সহকারী পরিচালক। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পর্যালোচনায় অন্তর্ভুক্ত গবেষণাগুলো মানুষের ওপর পরিচালিত পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা। এসব গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের বিকিরণের সংস্পর্শ নিয়ন্ত্রিতভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না। এ কারণে গবেষণার ফলাফলের নিশ্চয়তা মাঝারি থেকে নিম্ন পর্যায়ের মধ্যে রয়েছে।

মানুষকে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলে কোনো কিছুর ক্যানসার সৃষ্টির ক্ষমতা পরীক্ষা করা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষার পরিবর্তে পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণার ওপর নির্ভর করতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের মেমোরিয়ালকেয়ার ক্যানসার ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ওয়েল হার্ব বলেন, কিছু পুরোনো গবেষণায় ক্যানসারের সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা বলা হয়েছিল। তবে এসব গবেষণার ছোট নমুনা এবং অংশগ্রহণকারীদের অতীতের তথ্য মনে করার ক্ষেত্রে ভুলের মতো পদ্ধতিগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত উন্নত মানের গবেষণায় আগের উদ্বেগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা (আইএআরসি) আগে মোবাইল ফোনের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বিকিরণকে ‘সম্ভাব্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছিল। কোনো কিছুর সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক পুরোপুরি নাকচ করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকলে এ ধরনের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। তবে সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা মানেই ক্যানসার সৃষ্টি করে—এমন প্রমাণ পাওয়া নয়।

মোবাইল ফোন ব্যবহার ও স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে পরিচালিত কসমস প্রকল্পের প্রাথমিক ফলাফলও একই ধরনের ইঙ্গিত দিয়েছে। এতে দেখা গেছে, যারা সবচেয়ে বেশি সময় মোবাইল ফোনে কথা বলেন, তাঁদের মস্তিষ্কের টিউমারের ঝুঁকি কম ব্যবহারকারীদের তুলনায় বেশি নয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর্মক্ষেত্রে এমআরআই যন্ত্র, রাডার, মাইক্রোওয়েভ ও টেলিযোগাযোগ সরঞ্জামের সংস্পর্শের ক্ষেত্রে বিকিরণের তীব্রতা এবং কতক্ষণ সংস্পর্শে থাকা হচ্ছে, তা গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ঝুঁকি পুরোপুরি নাকচ করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান গবেষণায় মোবাইল ফোনের বিকিরণের সঙ্গে মস্তিষ্কের ক্যানসারের উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। তবে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন এবং নতুন নতুন কম্পাঙ্কের রেডিও তরঙ্গের ব্যবহার বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে নিয়মিত গবেষণা চালিয়ে যাওয়া জরুরি। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় বিকিরণের সংস্পর্শ কমানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে