ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 22

ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিটের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি, এসআরবি, পুলিশ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে শ্বাসকষ্টের কারণে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মী আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে সাংবাদিকদের জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ।

তিনি বলেন, কারখানাটির সাততলা ভবনের দ্বিতীয় ও চতুর্থ তলায় আগুন লাগে। ইনজেকশনসহ জরুরি ওষুধে আগুন লাগার কারণে শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জরুরি ভিত্তিতে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিটের চেষ্টায় দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও সময় প্রয়োজন ছিল।

আরও পড়ুন  আমাদের বাঁচান ভাই—স্পেনে আগুনে প্রাণ গেল বাংলাদেশি তরুণের

মহাপরিচালক জানান, আগুনে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মীর শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়েছে। তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

টঙ্গী শিল্প এলাকার স্কুইব রোডে অবস্থিত ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের ইউনিট-২-এর সাততলা ভবনের চতুর্থ তলায় সকাল সোয়া ১০টার দিকে আগুন লাগে। কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা ব্যর্থ হলে কর্তৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে টঙ্গী, সাভার, গাজীপুর, আশুলিয়া ও ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। তাদের সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিজিবি, এসআরবি, পুলিশ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কর্মীরাও কাজ করেন।

ঘটনাস্থল ঘিরে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় গণপরিবহন চলাচল ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। বেলা ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়।

ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বাদল বলেন, কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সহায়তা নিতে হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

আপডেট সময় ০৩:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিটের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি, এসআরবি, পুলিশ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে শ্বাসকষ্টের কারণে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মী আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে সাংবাদিকদের জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ।

তিনি বলেন, কারখানাটির সাততলা ভবনের দ্বিতীয় ও চতুর্থ তলায় আগুন লাগে। ইনজেকশনসহ জরুরি ওষুধে আগুন লাগার কারণে শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জরুরি ভিত্তিতে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের ২১টি ইউনিটের চেষ্টায় দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও সময় প্রয়োজন ছিল।

আরও পড়ুন  আদমজী ইপিজেডে গুদামে আগুন, ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

মহাপরিচালক জানান, আগুনে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মীর শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়েছে। তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

টঙ্গী শিল্প এলাকার স্কুইব রোডে অবস্থিত ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের ইউনিট-২-এর সাততলা ভবনের চতুর্থ তলায় সকাল সোয়া ১০টার দিকে আগুন লাগে। কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা ব্যর্থ হলে কর্তৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে টঙ্গী, সাভার, গাজীপুর, আশুলিয়া ও ঢাকা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। তাদের সঙ্গে সেনাবাহিনী, বিজিবি, এসআরবি, পুলিশ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কর্মীরাও কাজ করেন।

ঘটনাস্থল ঘিরে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় গণপরিবহন চলাচল ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। বেলা ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়।

ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বাদল বলেন, কারখানার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সহায়তা নিতে হয়।