ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

গৃহবধূকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 22

ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ, ঘটনার আপত্তিকর ভিডিও ধারণ এবং সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে খাইরুল ইসলাম (৩৩) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৪। সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা কলেজ মোড় থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে এসআরবি-১৪-এর মিডিয়া অফিসার নাদিয়া ফারজানার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তার খাইরুল ইসলাম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা গ্রামের ইনাম আলীর ছেলে।

এসআরবি ও এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী গৃহবধূর মেয়ে একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। সেই সূত্রে খাইরুল ওই ছাত্রীকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন। ছাত্রীর পড়াশোনার খোঁজখবর নেওয়ার অজুহাতে তিনি প্রায়ই ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন।

আরও পড়ুন  আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটু শেখের রায় আজ

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ আগস্ট বিকেলে খাইরুল ওই গৃহবধূর বাড়িতে যান। সে সময় তাঁর মেয়ে বাইরে খেলতে গেলে বাড়িতে একা পেয়ে গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি। এ সময় ঘটনার আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে আবারও ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে খাইরুলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গত ২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে সোমবার সন্ধ্যায় কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা কলেজ মোড়ে অভিযান চালিয়ে খাইরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গৃহবধূকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল, মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৭:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ, ঘটনার আপত্তিকর ভিডিও ধারণ এবং সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে খাইরুল ইসলাম (৩৩) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৪। সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা কলেজ মোড় থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে এসআরবি-১৪-এর মিডিয়া অফিসার নাদিয়া ফারজানার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তার খাইরুল ইসলাম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা গ্রামের ইনাম আলীর ছেলে।

এসআরবি ও এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী গৃহবধূর মেয়ে একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। সেই সূত্রে খাইরুল ওই ছাত্রীকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন। ছাত্রীর পড়াশোনার খোঁজখবর নেওয়ার অজুহাতে তিনি প্রায়ই ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন।

আরও পড়ুন  নারী ও শিশু ধর্ষণে ভয়াবহ উর্ধ্বগতি: মার্চেই ১৬৩টি মামলা

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ আগস্ট বিকেলে খাইরুল ওই গৃহবধূর বাড়িতে যান। সে সময় তাঁর মেয়ে বাইরে খেলতে গেলে বাড়িতে একা পেয়ে গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি। এ সময় ঘটনার আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে আবারও ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে খাইরুলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গত ২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে সোমবার সন্ধ্যায় কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা কলেজ মোড়ে অভিযান চালিয়ে খাইরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।