ঢাকা ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নতুন ২ সামরিক ঘাঁটি চালু করছে যুক্তরাষ্ট্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৪১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 36

ছবি সংগৃহীত

 

গ্রিনল্যান্ডে দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি চালুর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে হতে যাওয়া একটি নতুন চুক্তির আওতায় দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডের সাবেক একটি মার্কিন ঘাঁটি পুনরায় চালু এবং পূর্ব উপকূলের আরেকটি এলাকায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে চুক্তিটি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  পানামা খাল চীনের নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে না : যুক্তরাষ্ট্র

চুক্তির আওতায় থাকা দুটি এলাকা হলো নার্সারসুয়াক (Narsarsuaq) ও মেস্টারসভিগ (Mestersvig)। নার্সারসুয়াকে ১৯৫০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্লু ওয়েস্ট ওয়ান’ সামরিক ঘাঁটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সেখানকার জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। অন্যদিকে, মেস্টারসভিগ বর্তমানে ডেনমার্কের বিশেষ বাহিনীর ইউনিট ‘সিরিয়াস ডগ স্লেড পেট্রোল’ ব্যবহার করে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত আড়াইটা) চুক্তি স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের আগে এর কিছু বিষয় পরিবর্তিত হতে পারে।

ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড সরকার এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। হোয়াইট হাউস থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ডেনমার্কের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নতুন চুক্তির মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা ডেনমার্কের ওপর নির্ভর না করে ন্যাটোর নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে গ্রিনল্যান্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে সামরিক বা অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও তিনি একসময় উড়িয়ে দেননি। গত জানুয়ারিতে এ নিয়ে তাঁর বক্তব্য ঘিরে ন্যাটোর মধ্যে কূটনৈতিক চাপ তৈরি হয় এবং ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসে।

স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক স্থাপনা ও ১০ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েন ছিল। বর্তমানে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র সামরিক স্থাপনা হিসেবে রয়েছে ‘পিটুফিক স্পেস বেস’। সেখানে প্রায় ১৫০ জন মার্কিন সামরিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন ২ সামরিক ঘাঁটি চালু করছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৯:৪১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

গ্রিনল্যান্ডে দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি চালুর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে হতে যাওয়া একটি নতুন চুক্তির আওতায় দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডের সাবেক একটি মার্কিন ঘাঁটি পুনরায় চালু এবং পূর্ব উপকূলের আরেকটি এলাকায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে চুক্তিটি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের জন্য ভেনেজুয়েলায় তেল উত্তোলনের নিয়ম সহজ করছে

চুক্তির আওতায় থাকা দুটি এলাকা হলো নার্সারসুয়াক (Narsarsuaq) ও মেস্টারসভিগ (Mestersvig)। নার্সারসুয়াকে ১৯৫০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্লু ওয়েস্ট ওয়ান’ সামরিক ঘাঁটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সেখানকার জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। অন্যদিকে, মেস্টারসভিগ বর্তমানে ডেনমার্কের বিশেষ বাহিনীর ইউনিট ‘সিরিয়াস ডগ স্লেড পেট্রোল’ ব্যবহার করে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত আড়াইটা) চুক্তি স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের আগে এর কিছু বিষয় পরিবর্তিত হতে পারে।

ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড সরকার এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। হোয়াইট হাউস থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ডেনমার্কের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নতুন চুক্তির মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা শুধু যুক্তরাষ্ট্র বা ডেনমার্কের ওপর নির্ভর না করে ন্যাটোর নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে গ্রিনল্যান্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আগ্রহ প্রকাশ করে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে সামরিক বা অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনাও তিনি একসময় উড়িয়ে দেননি। গত জানুয়ারিতে এ নিয়ে তাঁর বক্তব্য ঘিরে ন্যাটোর মধ্যে কূটনৈতিক চাপ তৈরি হয় এবং ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসে।

স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক স্থাপনা ও ১০ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েন ছিল। বর্তমানে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র সামরিক স্থাপনা হিসেবে রয়েছে ‘পিটুফিক স্পেস বেস’। সেখানে প্রায় ১৫০ জন মার্কিন সামরিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।