ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের গোপন তথ্য ইরানে পাচার, দুই টেকনিশিয়ান গ্রেফতার কড়া নিরাপত্তায় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন হরমুজ প্রণালি থেকে দুটি জাহাজ জব্দ করল ইরান হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ক্রোয়েশিয়া সমুদ্র, ইতিহাস আর ইউরোপীয় সৌন্দর্যের দেশ আধুনিক কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের বিশেষ রোডম্যাপ দায়বদ্ধতাহীন ভালোবাসার নতুন নাম ‘ন্যানোশিপ’, বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন সতর্কবার্তা ঢাকার ইতিহাসে প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম নেত্রকোনায় জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত অন্তত ৩০ ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ নিয়ে গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় সরকার; সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কঙ্গোতে ১৫০ বন্দির গণধর্ষণ ও অগ্নিদাহ: মানবাধিকার সংকট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 284

ছবি: সংগৃহীত

 

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের গোমা অঞ্চলের একটি কারাগারে ১৫০ জনের বেশি নারী বন্দিকে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, পালিয়ে যাওয়া পুরুষ বন্দিরা ওই কারাগারে আগুন লাগিয়ে দেয়।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের মুখপাত্র সাইফ ম্যাঙ্গাঙ্গো সিএনএনকে জানান, ধর্ষণের শিকার ১৬৫ জন নারীর মধ্যে বেশিরভাগই আগুনে পুড়ে মারা গেছেন। তিনি আরও জানান, আগুন থেকে বেঁচে যাওয়া ৯ থেকে ১৩ জন নারীও ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

আরও পড়ুন  ডিআর কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের সঙ্গে শান্তিরক্ষীদের সংঘর্ষ,  নিহত ১৩ 

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

ম্যাঙ্গাঙ্গো বলেন, “আমরা স্বাধীনভাবে এই প্রতিবেদন যাচাই করতে পারিনি, তবে এটি নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচনা করছি।”

জাতিসংঘের সহযোগী গণমাধ্যম রেডিও ওকাপি জানিয়েছে, ২৭ জানুয়ারি এম২৩ বিদ্রোহীরা কঙ্গোর সরকারি বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করার সময় ৪,০০০-এর বেশি বন্দি মুজেঞ্জে কারাগার থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার সময় কিছু পুরুষ বন্দিকে কারারক্ষীরা হত্যা করলেও অধিকাংশ বন্দি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। বর্তমানে পুরো কারাগারটি ধ্বংস হয়ে গেছে।

কঙ্গোর যোগাযোগমন্ত্রী প্যাট্রিক মুইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সরকার এই বর্বর অপরাধের তীব্র নিন্দা জানায়। মধ্য আফ্রিকার এই দেশটিতে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই যৌন সহিংসতা একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের আরেক মুখপাত্র জেরেমি লরেন্স জানান, কঙ্গোর সেনাবাহিনী এবং তাদের মিত্র বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ৫২ জন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, যার মধ্যে গণধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে। বর্তমানে গোমা অঞ্চল দখলের দাবি করা বিদ্রোহীগোষ্ঠী এম২৩ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। সেখানে গত এক সপ্তাহের সংঘর্ষে প্রায় ৩,০০০ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কঙ্গোতে ১৫০ বন্দির গণধর্ষণ ও অগ্নিদাহ: মানবাধিকার সংকট

আপডেট সময় ১২:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের গোমা অঞ্চলের একটি কারাগারে ১৫০ জনের বেশি নারী বন্দিকে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, পালিয়ে যাওয়া পুরুষ বন্দিরা ওই কারাগারে আগুন লাগিয়ে দেয়।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের মুখপাত্র সাইফ ম্যাঙ্গাঙ্গো সিএনএনকে জানান, ধর্ষণের শিকার ১৬৫ জন নারীর মধ্যে বেশিরভাগই আগুনে পুড়ে মারা গেছেন। তিনি আরও জানান, আগুন থেকে বেঁচে যাওয়া ৯ থেকে ১৩ জন নারীও ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

আরও পড়ুন  কঙ্গোতে ভয়াবহ নৌকাডুবি, অন্তত ২৫ জন নিহত

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

ম্যাঙ্গাঙ্গো বলেন, “আমরা স্বাধীনভাবে এই প্রতিবেদন যাচাই করতে পারিনি, তবে এটি নির্ভরযোগ্য বলে বিবেচনা করছি।”

জাতিসংঘের সহযোগী গণমাধ্যম রেডিও ওকাপি জানিয়েছে, ২৭ জানুয়ারি এম২৩ বিদ্রোহীরা কঙ্গোর সরকারি বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করার সময় ৪,০০০-এর বেশি বন্দি মুজেঞ্জে কারাগার থেকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার সময় কিছু পুরুষ বন্দিকে কারারক্ষীরা হত্যা করলেও অধিকাংশ বন্দি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। বর্তমানে পুরো কারাগারটি ধ্বংস হয়ে গেছে।

কঙ্গোর যোগাযোগমন্ত্রী প্যাট্রিক মুইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সরকার এই বর্বর অপরাধের তীব্র নিন্দা জানায়। মধ্য আফ্রিকার এই দেশটিতে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই যৌন সহিংসতা একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের আরেক মুখপাত্র জেরেমি লরেন্স জানান, কঙ্গোর সেনাবাহিনী এবং তাদের মিত্র বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ৫২ জন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, যার মধ্যে গণধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে। বর্তমানে গোমা অঞ্চল দখলের দাবি করা বিদ্রোহীগোষ্ঠী এম২৩ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। সেখানে গত এক সপ্তাহের সংঘর্ষে প্রায় ৩,০০০ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।