ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নে বাড়বে করদাতা: উপদেষ্টা ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ঢাকায়

ইরানে হামলা বন্ধ রাখার ঘোষণা নেতানিয়াহুর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • / 97

ছবি সংগৃহীত

 

ইরান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সোমবার, ৮ জুন সন্ধ্যায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ইরানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ইরান তাদের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করায় ইসরায়েলও গোলাগুলি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে ইরান নতুন করে হামলা চালালে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

আরও পড়ুন  ইসরাইলের বিরুদ্ধে ১০০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবি এরদোয়ানের

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ইরান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করতে লেবাননকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইরানের পক্ষে কাজ করছে এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লেবানন ও ইরান থেকে সমন্বিত হামলার পরিকল্পনা ছিল বলে তাদের ধারণা। তবে সে ধরনের পরিস্থিতির মুখেও ইসরায়েল আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।

উল্লেখ্য, চলমান যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতির মধ্যেও শনিবার, ৬ জুন লেবাননের রাজধানী বৈরুতের শহরতলির দাহিয়ে এলাকায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই হামলায় চার শিশুসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।

এর জবাবে রোববার, ৭ জুন উত্তর ইসরায়েলের দিকে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করেছে।

পরদিন সোমবার সকালে তেহরানসহ ইরানের কয়েকটি শহরে বিমান হামলা চালানোর দাবি করে ইসরায়েল। এরপরই সংঘাত প্রশমনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার হয়।

সংঘাতের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান উভয় পক্ষকে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আসছিল। সেই প্রেক্ষাপটে সোমবার সন্ধ্যায় ইরান প্রথমে জানায়, তারা আর ইসরায়েলে হামলা চালাবে না।

ইরানের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর ইসরায়েলও হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথা জানায়। ফলে সাম্প্রতিক সংঘাতের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে উভয় পক্ষই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানে হামলা বন্ধ রাখার ঘোষণা নেতানিয়াহুর

আপডেট সময় ০৮:৫৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

 

ইরান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সোমবার, ৮ জুন সন্ধ্যায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ইরানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ইরান তাদের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করায় ইসরায়েলও গোলাগুলি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে ইরান নতুন করে হামলা চালালে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

আরও পড়ুন  পশ্চিমা স্বীকৃতিকে প্রত্যাখ্যান করল ইসরায়েল, বসতি দ্বিগুণ করার ঘোষণা নেতানিয়াহুর

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ইরান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করতে লেবাননকে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইরানের পক্ষে কাজ করছে এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লেবানন ও ইরান থেকে সমন্বিত হামলার পরিকল্পনা ছিল বলে তাদের ধারণা। তবে সে ধরনের পরিস্থিতির মুখেও ইসরায়েল আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।

উল্লেখ্য, চলমান যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতির মধ্যেও শনিবার, ৬ জুন লেবাননের রাজধানী বৈরুতের শহরতলির দাহিয়ে এলাকায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই হামলায় চার শিশুসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।

এর জবাবে রোববার, ৭ জুন উত্তর ইসরায়েলের দিকে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করেছে।

পরদিন সোমবার সকালে তেহরানসহ ইরানের কয়েকটি শহরে বিমান হামলা চালানোর দাবি করে ইসরায়েল। এরপরই সংঘাত প্রশমনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার হয়।

সংঘাতের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান উভয় পক্ষকে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আসছিল। সেই প্রেক্ষাপটে সোমবার সন্ধ্যায় ইরান প্রথমে জানায়, তারা আর ইসরায়েলে হামলা চালাবে না।

ইরানের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর ইসরায়েলও হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথা জানায়। ফলে সাম্প্রতিক সংঘাতের মধ্যে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। তবে উভয় পক্ষই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।