ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ট্রাম্পের পরিকল্পনা: তাইওয়ানের পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 297

ছবি সংগৃহীত

 

ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছেন যে, তাইওয়ান থেকে আমদানি করা চিপ এবং ওষুধ তৈরির কাঁচামালের ওপর ২৫% থেকে ১০০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।

এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো মার্কিন কোম্পানিগুলোকে, বিশেষত TSMC-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে, তাদের উৎপাদন কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। মার্কিন অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে এটি একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  কানাডার পাল্টা পদক্ষেপ: মার্কিন পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রুডোর

বিশ্বজুড়ে চিপ সংকট এবং প্রযুক্তি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বড় পদক্ষেপ হতে পারে। তবে, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে মার্কিন বাজারে প্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনা তার আগের “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির প্রতিফলন। তিনি চান, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই প্রযুক্তিগত নির্ভরতা পূরণে সক্ষম হয়ে উঠুক। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিতর্ক এখনও চলমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের পরিকল্পনা: তাইওয়ানের পণ্যে বাড়তি শুল্ক আরোপ

আপডেট সময় ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

 

ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছেন যে, তাইওয়ান থেকে আমদানি করা চিপ এবং ওষুধ তৈরির কাঁচামালের ওপর ২৫% থেকে ১০০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।

এ সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো মার্কিন কোম্পানিগুলোকে, বিশেষত TSMC-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে, তাদের উৎপাদন কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করা। মার্কিন অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করা এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে এটি একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  পরিকল্পনা ও সচেতনতােই খরচ কমানোর সেরা কৌশল

বিশ্বজুড়ে চিপ সংকট এবং প্রযুক্তি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বড় পদক্ষেপ হতে পারে। তবে, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর ফলে মার্কিন বাজারে প্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ট্রাম্পের শুল্ক পরিকল্পনা তার আগের “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির প্রতিফলন। তিনি চান, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই প্রযুক্তিগত নির্ভরতা পূরণে সক্ষম হয়ে উঠুক। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বিতর্ক এখনও চলমান।