ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নবাবগঞ্জে তিন পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার লাইসেন্সিং জটিলতা কমিয়ে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ চায় সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী সাবেক ডিসি সারওয়ারকে খোলা চিঠি, মাজার পরিচালনা নিয়ে নানা অভিযোগ অপতথ্য ছড়াতে ব্যবহৃত ১৬ ভুয়া ওয়েবসাইট শনাক্ত: তথ্যমন্ত্রী ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড, ১১৬ দিনেই শেষ বিচার ছয় জেলায় সেনা মোতায়েন, বাড়তি সতর্কতা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত রাজধানীতে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইট নিক্ষেপে আহত তরুণের মৃত্যু যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ ঘোষণা গুম-খুনের বিচার দাবিতে মাঠে নামছে ১১ দল, কাল ঢাকায় বড় সমাবেশ

ভোটে টানা ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 1877

ছবি; সংগৃহীত

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশজুড়ে সব ধরনের মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মোটরসাইকেল চলাচলে বিধিনিষেধ:
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (মোট ৩ দিন বা ৭২ ঘণ্টা) সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। মূলত নির্বাচনের আগে ও পরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  তরুণ প্রজন্ম এখন আর নির্বাচনী ভাগ-বাটোয়ারায় বিশ্বাস করে না: নাহিদ ইসলাম

অন্যান্য যানবাহনের ওপর ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা:
ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপরও বিধিনিষেধ থাকছে। এই নিষেধাজ্ঞা ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর ৩২ ধারা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিধিনিষেধের আওতামুক্ত যারা:
জরুরি প্রয়োজনে এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজের স্বার্থে বেশ কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল রাখা হয়েছে:
জরুরি সেবা: আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, সংবাদপত্র, ওষুধ ও স্বাস্থ্য-চিকিৎসা কাজে নিয়োজিত যানবাহন।

নির্বাচনসংশ্লিষ্ট: দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক এবং স্টিকারযুক্ত সংবাদকর্মীদের যানবাহন।

প্রার্থী ও এজেন্ট: রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে প্রার্থী ও তাঁদের নির্বাচনি এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন।

যাত্রী সাধারণ: বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না। এছাড়া দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলেও শিথিলতা থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে যেন যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হয়। স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা এই বিধিনিষেধ শিথিল বা আরও কঠোর করার ক্ষমতা রাখবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোটে টানা ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় ০১:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশজুড়ে সব ধরনের মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মোটরসাইকেল চলাচলে বিধিনিষেধ:
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (মোট ৩ দিন বা ৭২ ঘণ্টা) সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। মূলত নির্বাচনের আগে ও পরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  সুষ্ঠু নির্বাচনই হবে দেশের জন্য সবচেয়ে বড় সংস্কার: নাগরিক ঐক্যের সভাপতি

অন্যান্য যানবাহনের ওপর ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা:
ভোটের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপরও বিধিনিষেধ থাকছে। এই নিষেধাজ্ঞা ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর ৩২ ধারা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিধিনিষেধের আওতামুক্ত যারা:
জরুরি প্রয়োজনে এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কাজের স্বার্থে বেশ কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল রাখা হয়েছে:
জরুরি সেবা: আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, সংবাদপত্র, ওষুধ ও স্বাস্থ্য-চিকিৎসা কাজে নিয়োজিত যানবাহন।

নির্বাচনসংশ্লিষ্ট: দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী, অনুমোদিত পর্যবেক্ষক এবং স্টিকারযুক্ত সংবাদকর্মীদের যানবাহন।

প্রার্থী ও এজেন্ট: রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে প্রার্থী ও তাঁদের নির্বাচনি এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন।

যাত্রী সাধারণ: বিদেশগামী বা বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না। এছাড়া দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলেও শিথিলতা থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে যেন যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হয়। স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা এই বিধিনিষেধ শিথিল বা আরও কঠোর করার ক্ষমতা রাখবেন।