ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের তালিকা করবে গোয়েন্দা সংস্থা: আইজিপি পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

ভোট উপলক্ষে যান চলাচলে বিধিনিষেধ: ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 4021

ছবি; সংগৃহীত

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারি ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে:
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী, ভোটের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত নিম্নোক্ত

আরও পড়ুন  পিআর পদ্ধতি নির্বাচন দেশকে স্বৈরশাসনের দিকে ঠেলে দেবে: রিজভী আহমেদ

যানবাহনগুলো চলাচল করতে পারবে না:
>>ট্যাক্সি ক্যাব
>>পিকআপ
>>মাইক্রোবাস
>>ট্রাক

মোটরসাইকেলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা:
নির্বাচন উপলক্ষে সবচেয়ে দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা থাকছে মোটরসাইকেলের ওপর। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (টানা ৩ দিন বা ৭২ ঘণ্টা) সারা দেশে মোটরবাইক চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

যেসব ক্ষেত্রে শিথিলতা থাকবে:
জরুরি পরিষেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু যানবাহন এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের গাড়ি।

অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস এবং চিকিৎসা ও ওষুধ সংশ্লিষ্ট যানবাহন।

বিমানবন্দরগামী যাত্রী (পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।

দূরপাল্লার বাস ও বিটিআরসির লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিকম সেবার গাড়ি।

নির্বাচন কমিশনের স্টিকারযুক্ত সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের যানবাহন।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (কার, জিপ বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা এই নিয়ম শিথিল বা আরও কঠোর করার ক্ষমতা রাখবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোট উপলক্ষে যান চলাচলে বিধিনিষেধ: ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে

আপডেট সময় ১২:১৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। সম্প্রতি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারি ২৪ ঘণ্টা যা বন্ধ থাকবে:
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী, ভোটের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত নিম্নোক্ত

আরও পড়ুন  আজ শেষ হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানি, প্রকাশ হবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা

যানবাহনগুলো চলাচল করতে পারবে না:
>>ট্যাক্সি ক্যাব
>>পিকআপ
>>মাইক্রোবাস
>>ট্রাক

মোটরসাইকেলের ওপর ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা:
নির্বাচন উপলক্ষে সবচেয়ে দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা থাকছে মোটরসাইকেলের ওপর। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (টানা ৩ দিন বা ৭২ ঘণ্টা) সারা দেশে মোটরবাইক চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

যেসব ক্ষেত্রে শিথিলতা থাকবে:
জরুরি পরিষেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু যানবাহন এই বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের গাড়ি।

অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস এবং চিকিৎসা ও ওষুধ সংশ্লিষ্ট যানবাহন।

বিমানবন্দরগামী যাত্রী (পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।

দূরপাল্লার বাস ও বিটিআরসির লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিকম সেবার গাড়ি।

নির্বাচন কমিশনের স্টিকারযুক্ত সাংবাদিক ও কর্মকর্তাদের যানবাহন।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টরা একটি করে ছোট গাড়ি (কার, জিপ বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা এই নিয়ম শিথিল বা আরও কঠোর করার ক্ষমতা রাখবেন।