মুস্তাফিজের জন্য লাহোর কালান্দার্সের ভালোবাসার বার্তা
- আপডেট সময় ০৭:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 33
আসন্ন পিএসএলে লাহোর কালান্দার্সের জার্সিতে দেখা যাবে বাংলাদেশের পেস সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমানকে। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই ‘কাটার মাস্টার’কে নিয়ে নিজেদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। লাহোর কালান্দার্সের মালিক সামিন রানা সরাসরি এক ভিডিও বার্তায় মুস্তাফিজের প্রতি নিজের ভালোবাসা জানিয়ে বলেন, ‘ফিজ, আমি তোমাকে ভালোবাসি’। নিলামের আগে সরাসরি চুক্তিতে তাকে দলে নেওয়া যে কেবল কৌশলগত নয় বরং আবেগেরও অংশ, সামিন রানার এই বার্তায় তা স্পষ্ট।
মুস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা প্রতিনিধি হিসেবে দেখছেন লাহোর কালান্দার্স মালিক সামিন রানা। এক দশক আগে পিএসএলের প্রথম দিকেই লাহোর তাকে দলে নিয়েছিল, কিন্তু সেবার নিয়মের বেড়াজালে তার খেলা হয়নি। এবার সরাসরি চুক্তিতে তাকে দলে পেয়ে উচ্ছ্বসিত সামিন রানা বলেন, মুস্তাফিজকে পাওয়া তাদের জন্য গৌরবের। ১০ বছর আগের সেই অপূর্ণ স্বপ্ন এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে।
দীর্ঘ বছরের সম্পর্কের টানে মুস্তাফিজকে আবারও বরণ করে নিল লাহোর কালান্দার্স। সামিন রানার মতে, এবার তাকে পূর্ণ মেয়াদে পাওয়া মানে কালান্দার্স পরিবারে এক প্রিয় সদস্যের প্রত্যাবর্তন। পুরনো স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, মুস্তাফিজের সঙ্গে তাঁদের এই পথচলা আবেগের এবং গভীর সম্মানের।
আসন্ন পিএসএলে ক্রিকেট বিশ্ব এক ভয়ংকর বোলিং জুটির সাক্ষী হতে যাচ্ছে—যেখানে একদিকে থাকবেন বাংলাদেশের ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজ আর অন্যপ্রান্তে পাকিস্তানের ‘ইগল’ শাহিন শাহ আফ্রিদি। বিশ্বসেরা এই দুই বাঁহাতি পেসারের একসঙ্গে আক্রমণ দেখার জন্য সাধারণ দর্শকদের মতো খোদ লাহোর মালিকও এখন প্রহর গুনছেন।
পিএসএলে মুস্তাফিজকে লাহোর কালান্দার্স ফ্র্যাঞ্চাইজিটি দলে ভেড়াতে ব্যয় করছে প্রায় ২ কোটি ৮১ লাখ টাকা (৬ কোটি ৪৪ লাখ পাকিস্তানি রুপি)। মূলত ইনিংসের মাঝপথে রানের চাকা টেনে ধরা এবং ডেথ ওভারে প্রতিপক্ষকে বোকা বানাতে মুস্তাফিজের কার্যকর বোলিংয়ের ওপর ভরসা রাখছে লাহোর শিবির। সামিন রানার বিশ্বাস, শাহিন ও মুস্তাফিজের যুগলবন্দী এবারের আসরে লাহোরকে অপরাজেয় করে তুলবে।
বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সামিন রানা। ভিডিও বার্তায় তিনি সাকিব আল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং রিশাদ হোসেনদের উদাহরণ টেনে বলেন, বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা কেবল মাঠের লড়াইয়েই সেরা নন, মানুষ হিসেবেও তাঁরা অনন্য ও অসাধারণ। তাঁদের নিবেদন ও পেশাদারিত্ব লাহোর ফ্র্যাঞ্চাইজিকে মুগ্ধ করেছে।
























