ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী

জানুয়ারি দলবদলে ম্যানচেস্টার সিটির দাপট ও সেমেনিওর রেকর্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 1913

ছবি: খবরের কথা

সাধারণত শীতকালীন দলবদলে খুব একটা তোড়জোড় দেখা না গেলেও এবারের জানুয়ারি উইন্ডোর শেষ মুহূর্তগুলো ছিল নাটকীয়তায় ভরপুর। ট্রান্সফারমার্কেটের রিপোর্ট অনুযায়ী, এবার দলগুলোর মোট ব্যয়ের পরিমাণ ২০০ কোটি ইউরো ছাড়িয়ে গেছে, যেখানে বরাবরের মতো একক আধিপত্য বজায় রেখেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ। প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো সম্মিলিতভাবে প্রায় ৪৫ কোটি ৩০ লাখ ইউরো খরচ করেছে এবং শীর্ষ পাঁচটি দামী চুক্তির চারটিই তাদের দখলে।

এবারের দলবদলে সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করা ক্লাবের তালিকায় সবার উপরে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। তারা মোট ৯ কোটি ৫০ লাখ ইউরো ব্যয় করেছে, যার বড় একটি অংশ খরচ হয়েছে এই উইন্ডোর সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় আন্টোয়ান সেমেনিওকে কিনতে। বোর্নমাউথ থেকে এই ফুটবলারকে দলে ভেড়াতে সিটির গুনতে হয়েছে ৭ কোটি ২০ লাখ ইউরো। এছাড়া ২ কোটি ৩০ লাখ ইউরো দিয়ে মার্ক গেহিকে দলে এনে নিজেদের খরচের পাল্লা ভারী করেছে তারা।

সিটির পরেই খরচের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ক্রিস্টাল প্যালেস, যারা ব্যয় করেছে ৯ কোটি ইউরো। এই ক্লাবের সবচেয়ে বড় সংযুক্তি ছিল ৫ কোটি ৫০ লাখ ইউরোর বিনিময়ে উলভারহ্যাম্পটন থেকে আসা ইয়রগেন স্ট্র্যান্ড লারসেন। অন্যদিকে, ইউরোপের বাইরে আলোচনার জন্ম দিয়েছে আল হিলাল; তারা ২ কোটি ৫০ লাখ ইউরোতে করিম বেনজেমার সাথে চুক্তি করে তালিকার তিনে জায়গা করে নিয়েছে।

আরও পড়ুন  ১০ বছরের সম্পর্কের অবসান: এই মৌসুম শেষেই ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়ছেন পেপ গার্দিওলা

এছাড়া ৪ কোটি ২০ লাখ ইউরোতে ওয়েস্ট হাম থেকে ফ্ল্যামেঙ্গোতে ফিরে যাওয়া লুকাস পাকেতা ছিলেন তৃতীয় সর্বোচ্চ দামী ফুটবলার। ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোর জানালা বন্ধ হলেও তুরস্ক, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের এমএলএসে কেনাবেচা এখনো চলছে। খরচের দিক থেকে ইতালির সিরি ‘আ’ দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও বায়ার্ন মিউনিখ, রিয়াল মাদ্রিদ বা বার্সেলোনার মতো জায়ান্ট ক্লাবগুলোকে এবার বেশ মিতব্যয়ী দেখা গেছে। মূলত গ্রীষ্মকালীন দলবদলে বড় কোনো চমক দেখানোর লক্ষ্যেই তারা এখন অর্থ সাশ্রয় করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জানুয়ারি দলবদলে ম্যানচেস্টার সিটির দাপট ও সেমেনিওর রেকর্ড

আপডেট সময় ০৭:১৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাধারণত শীতকালীন দলবদলে খুব একটা তোড়জোড় দেখা না গেলেও এবারের জানুয়ারি উইন্ডোর শেষ মুহূর্তগুলো ছিল নাটকীয়তায় ভরপুর। ট্রান্সফারমার্কেটের রিপোর্ট অনুযায়ী, এবার দলগুলোর মোট ব্যয়ের পরিমাণ ২০০ কোটি ইউরো ছাড়িয়ে গেছে, যেখানে বরাবরের মতো একক আধিপত্য বজায় রেখেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ। প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো সম্মিলিতভাবে প্রায় ৪৫ কোটি ৩০ লাখ ইউরো খরচ করেছে এবং শীর্ষ পাঁচটি দামী চুক্তির চারটিই তাদের দখলে।

এবারের দলবদলে সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করা ক্লাবের তালিকায় সবার উপরে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। তারা মোট ৯ কোটি ৫০ লাখ ইউরো ব্যয় করেছে, যার বড় একটি অংশ খরচ হয়েছে এই উইন্ডোর সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় আন্টোয়ান সেমেনিওকে কিনতে। বোর্নমাউথ থেকে এই ফুটবলারকে দলে ভেড়াতে সিটির গুনতে হয়েছে ৭ কোটি ২০ লাখ ইউরো। এছাড়া ২ কোটি ৩০ লাখ ইউরো দিয়ে মার্ক গেহিকে দলে এনে নিজেদের খরচের পাল্লা ভারী করেছে তারা।

সিটির পরেই খরচের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ক্রিস্টাল প্যালেস, যারা ব্যয় করেছে ৯ কোটি ইউরো। এই ক্লাবের সবচেয়ে বড় সংযুক্তি ছিল ৫ কোটি ৫০ লাখ ইউরোর বিনিময়ে উলভারহ্যাম্পটন থেকে আসা ইয়রগেন স্ট্র্যান্ড লারসেন। অন্যদিকে, ইউরোপের বাইরে আলোচনার জন্ম দিয়েছে আল হিলাল; তারা ২ কোটি ৫০ লাখ ইউরোতে করিম বেনজেমার সাথে চুক্তি করে তালিকার তিনে জায়গা করে নিয়েছে।

আরও পড়ুন  শীর্ষ চারের দৌড়ে কঠিন লড়াইয়ে ম্যানচেস্টার সিটি, শঙ্কায় পেপ গার্দিওলা

এছাড়া ৪ কোটি ২০ লাখ ইউরোতে ওয়েস্ট হাম থেকে ফ্ল্যামেঙ্গোতে ফিরে যাওয়া লুকাস পাকেতা ছিলেন তৃতীয় সর্বোচ্চ দামী ফুটবলার। ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোর জানালা বন্ধ হলেও তুরস্ক, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের এমএলএসে কেনাবেচা এখনো চলছে। খরচের দিক থেকে ইতালির সিরি ‘আ’ দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও বায়ার্ন মিউনিখ, রিয়াল মাদ্রিদ বা বার্সেলোনার মতো জায়ান্ট ক্লাবগুলোকে এবার বেশ মিতব্যয়ী দেখা গেছে। মূলত গ্রীষ্মকালীন দলবদলে বড় কোনো চমক দেখানোর লক্ষ্যেই তারা এখন অর্থ সাশ্রয় করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।