ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
বেনজীরকে ফেরাতে নীতিগত সম্মতি, অতিরিক্ত তথ্য চেয়েছে দুবাই পুলিশ প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎

ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২৮ দফা ইউক্রেন শান্তি পরিকল্পনা রাশিয়াকেই লাভবান করে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / 1054

ছবি সংগৃহীত

 

২৮ দফায় মূল কয়েকটি বিষয়-

1. রাশিয়া যেসব এলাকা দখল করেছে, সেগুলো রেখে দেওয়া হবে।

2. ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে সীমার মধ্যে রাখা হবে, ফলে ভবিষ্যতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার সক্ষমতা কমে যাবে।

3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজের সাহায্যের টাকা ফেরত পাবে রাশিয়ার জব্দ থাকা সম্পদ থেকে, কিন্তু ইউরোপকে বহন করতে হবে বিশাল ১০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন খরচ।

এদিকে এই ২৮ দফার তুলনায় ২০২২ সালে তুরস্কের মধ্যস্থতায় ইস্তাম্বুল ঘোষণাপত্র ছিল অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ, কিন্তু মার্কিন–ব্রিটিশ চাপের কারণে ইউক্রেন সেটি ছেড়ে দেয়।

তাই এখন ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ায় আরও কঠোর শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে।

আর যদি ট্রাম্প সত্যিই ২৭ নভেম্বরের সময়সীমা চাপিয়ে দেন, তাহলে মার্কিন সহায়তা না পেয়ে ইউক্রেনকে শুধু ইউরোপীয় সমর্থনে যুদ্ধ চালাতে হতে পারে, যা বাস্তবে টেকসই নয়।

এ কারণে জেলেনস্কীর চলমান তুরস্ক সফরকে অনেকেই দেখছেন পরিকল্পনাটি নরম করতে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান–এর প্রভাব ব্যবহার করার শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২৮ দফা ইউক্রেন শান্তি পরিকল্পনা রাশিয়াকেই লাভবান করে

আপডেট সময় ১১:০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

 

২৮ দফায় মূল কয়েকটি বিষয়-

1. রাশিয়া যেসব এলাকা দখল করেছে, সেগুলো রেখে দেওয়া হবে।

2. ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে সীমার মধ্যে রাখা হবে, ফলে ভবিষ্যতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার সক্ষমতা কমে যাবে।

3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজের সাহায্যের টাকা ফেরত পাবে রাশিয়ার জব্দ থাকা সম্পদ থেকে, কিন্তু ইউরোপকে বহন করতে হবে বিশাল ১০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন খরচ।

এদিকে এই ২৮ দফার তুলনায় ২০২২ সালে তুরস্কের মধ্যস্থতায় ইস্তাম্বুল ঘোষণাপত্র ছিল অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ, কিন্তু মার্কিন–ব্রিটিশ চাপের কারণে ইউক্রেন সেটি ছেড়ে দেয়।

তাই এখন ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ায় আরও কঠোর শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে।

আর যদি ট্রাম্প সত্যিই ২৭ নভেম্বরের সময়সীমা চাপিয়ে দেন, তাহলে মার্কিন সহায়তা না পেয়ে ইউক্রেনকে শুধু ইউরোপীয় সমর্থনে যুদ্ধ চালাতে হতে পারে, যা বাস্তবে টেকসই নয়।

এ কারণে জেলেনস্কীর চলমান তুরস্ক সফরকে অনেকেই দেখছেন পরিকল্পনাটি নরম করতে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান–এর প্রভাব ব্যবহার করার শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে।