ঢাকা ০৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

‘হ্যাঁ’–‘না’ পোস্টে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৮:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 1682

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করা উচিত কি না—এ প্রশ্ন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ লেখা পোস্টে সরগরম হয়ে উঠেছে অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া অঙ্গন।

গত মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কমিশনের কাছে ১৮ দফা সুপারিশ জমা দেয়। সেই সুপারিশে দলটি আগামী নভেম্বর মাসে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব দেয়, যাতে ভোটারদের মতামত স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-ভ্যাটিকানের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

তবে এ প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো। জানা গেছে, তারা ফেসবুকে ‘না’ প্রচারণা শুরু করেছে। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘না’ লিখে একটি পোস্ট দেন।

অন্যদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গঠিত সংগঠন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সংগঠনটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘হ্যাঁ’ লিখে একটি পোস্ট দেওয়া হয়।

এরপরই সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ লেখা স্টাট্যাস দিয়ে নিজের মতামত জানান দলগুলোর অনুসারীরা।

এদিকে গণভোট প্রসঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনও নিজস্ব অবস্থান জানিয়েছে। কমিশন নির্বাচনের আগে বা নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের সুপারিশ করেছে এবং বিষয়টি দ্রুত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার তাগিদ দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় সংক্রান্ত সুপারিশমালা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ সেদিন বলেন, ‘আজই সব রাজনৈতিক দলের কাছে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সুপারিশমালা হস্তান্তর করা হবে। সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়—এমন বিষয়গুলো দ্রুত অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, সংবিধানসংক্রান্ত ৪৮টি বিষয়ে জনগণের মতামত জানার জন্য গণভোট আয়োজনের সুপারিশ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘হ্যাঁ’–‘না’ পোস্টে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া

আপডেট সময় ০৩:৩৮:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

 

জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন করা উচিত কি না—এ প্রশ্ন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ লেখা পোস্টে সরগরম হয়ে উঠেছে অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া অঙ্গন।

গত মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন কমিশনের কাছে ১৮ দফা সুপারিশ জমা দেয়। সেই সুপারিশে দলটি আগামী নভেম্বর মাসে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব দেয়, যাতে ভোটারদের মতামত স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

আরও পড়ুন  প্রক্তনের কোলে শুভশ্রী, আলোচনায় দেব-শুভশ্রী

তবে এ প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো। জানা গেছে, তারা ফেসবুকে ‘না’ প্রচারণা শুরু করেছে। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘না’ লিখে একটি পোস্ট দেন।

অন্যদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গঠিত সংগঠন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সংগঠনটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘হ্যাঁ’ লিখে একটি পোস্ট দেওয়া হয়।

এরপরই সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ লেখা স্টাট্যাস দিয়ে নিজের মতামত জানান দলগুলোর অনুসারীরা।

এদিকে গণভোট প্রসঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনও নিজস্ব অবস্থান জানিয়েছে। কমিশন নির্বাচনের আগে বা নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের সুপারিশ করেছে এবং বিষয়টি দ্রুত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার তাগিদ দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উপায় সংক্রান্ত সুপারিশমালা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেয় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ সেদিন বলেন, ‘আজই সব রাজনৈতিক দলের কাছে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সুপারিশমালা হস্তান্তর করা হবে। সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়—এমন বিষয়গুলো দ্রুত অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, সংবিধানসংক্রান্ত ৪৮টি বিষয়ে জনগণের মতামত জানার জন্য গণভোট আয়োজনের সুপারিশ করা হয়েছে।