০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

বাংলার মাটিতে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসন চলবে না: জাগপা সহ-সভাপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • / 267

ছবি সংগৃহীত

 

 

বাংলার মাটিতে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।

শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় মহাসমাবেশে বক্তৃতাকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাশেদ প্রধান বলেন, “গত বছর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা রাজাকার শব্দটি সামনে এনে একটি বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেছিলেন। অথচ ইতিহাস সাক্ষী—এক সময় সেই রাজাকারের নামেই দিল্লির আশীর্বাদপুষ্ট এই ফ্যাসিস্ট নেত্রীকে বাংলার মাটি ছেড়ে পালাতে হয়েছিল। আজ আবার সেই শব্দকে ব্যবহার করে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দিতে চাচ্ছেন। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন, বারবার একই ভুল করলে জনগণ তা মেনে নেবে না।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ কোনো উপনিবেশ নয় যে, দিল্লি থেকে আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। ভারতীয় আধিপত্য, হস্তক্ষেপ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আজ পুরো জাতি জেগে উঠেছে। এই জাগরণকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না।”

সমাবেশে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও শীর্ষস্থানীয় আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

সকালে সাড়ে ৯টার দিকে সমাবেশের প্রথম পর্ব শুরু হয় সাত দফা দাবির প্রেক্ষিতে। এরপর দুপুর ২টায় মূল পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

সারা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লাখো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ঢাকায় ছুটে এসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়িয়ে আশপাশের এলাকাগুলোতেও ভিড় করেন। জনস্রোতের কারণে রাজধানীর এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকা একপর্যায়ে কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

জামায়াতের এই জাতীয় সমাবেশে দেশব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরকারের দমন-পীড়ন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং নির্বাচনে জনগণের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ উচ্চারিত হয়। বক্তারা সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন, এবং ভারতের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবিতে আন্দোলন আরও বেগবান করার আহ্বান জানান।

সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলেও রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল জোরদার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নজরদারি চালায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলার মাটিতে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসন চলবে না: জাগপা সহ-সভাপতি

আপডেট সময় ০৫:১৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

 

 

বাংলার মাটিতে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।

শনিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় মহাসমাবেশে বক্তৃতাকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাশেদ প্রধান বলেন, “গত বছর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা রাজাকার শব্দটি সামনে এনে একটি বিভাজনের রাজনীতি শুরু করেছিলেন। অথচ ইতিহাস সাক্ষী—এক সময় সেই রাজাকারের নামেই দিল্লির আশীর্বাদপুষ্ট এই ফ্যাসিস্ট নেত্রীকে বাংলার মাটি ছেড়ে পালাতে হয়েছিল। আজ আবার সেই শব্দকে ব্যবহার করে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দিতে চাচ্ছেন। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন, বারবার একই ভুল করলে জনগণ তা মেনে নেবে না।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ কোনো উপনিবেশ নয় যে, দিল্লি থেকে আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। ভারতীয় আধিপত্য, হস্তক্ষেপ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আজ পুরো জাতি জেগে উঠেছে। এই জাগরণকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না।”

সমাবেশে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা ও শীর্ষস্থানীয় আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

সকালে সাড়ে ৯টার দিকে সমাবেশের প্রথম পর্ব শুরু হয় সাত দফা দাবির প্রেক্ষিতে। এরপর দুপুর ২টায় মূল পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

সারা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লাখো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ঢাকায় ছুটে এসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়িয়ে আশপাশের এলাকাগুলোতেও ভিড় করেন। জনস্রোতের কারণে রাজধানীর এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকা একপর্যায়ে কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

জামায়াতের এই জাতীয় সমাবেশে দেশব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরকারের দমন-পীড়ন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং নির্বাচনে জনগণের অধিকার হরণের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ উচ্চারিত হয়। বক্তারা সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন, এবং ভারতের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবিতে আন্দোলন আরও বেগবান করার আহ্বান জানান।

সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলেও রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল জোরদার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নজরদারি চালায়।