ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা

নাটোরের লালপুরে ইমো হ্যাকিং চক্র ও কিশোর গ্যাংয়ের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • / 683

ছবি সংগৃহীত

 

নাটোরের লালপুরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ইমো হ্যাকিং চক্র ও কিশোর গ্যাংয়ের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৯ জুলাই) ভোরে উপজেলার বিড়বাড়িয়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ১৬টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, ১২টি বাটন ফোন, ৩০টি সিমকার্ড, পাঁচটি ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিন মারিয়া এলাকার বিড়বাড়িয়া গ্রামে অভিযান চালায় সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। এ সময় সংঘবদ্ধ প্রতারক ও কিশোর গ্যাংয়ের ১২ সদস্যকে আটক করা হয়। এরা দীর্ঘদিন ধরে ইমো অ্যাপ ব্যবহার করে দেশি ও প্রবাসী নাগরিকদের সঙ্গে কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলত। পরে ভিডিও কলের মাধ্যমে অশ্লীল দৃশ্য ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিত।

আরও পড়ুন  গাজীপুরে নাসির হত্যার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য গ্রেপ্তার

জানা যায়, এসব কিশোর গ্যাং সদস্যরা শুধু সাইবার প্রতারণাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, তারা নিয়মিত মাদকসেবনেও লিপ্ত ছিল এবং নিজেদের ‘গ্যাং’ পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করত। এছাড়া, তারা মাদকের মাধ্যমে যুবসমাজকে বিপথগামী করার অপচেষ্টাও চালাচ্ছিল।

সেনাবাহিনী জানায়, আটককৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা প্রযুক্তি ও মাদকদ্রব্য প্রমাণ করে যে তারা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সদস্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার নানা কৌশল স্বীকার করেছে।

পরে গ্রেপ্তারকৃতদের আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

স্থানীয় এলাকাবাসীর মতে, এসব কিশোর গ্যাং সদস্যদের কারণে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অশান্তি বিরাজ করছিল। সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নাটোরের লালপুরে ইমো হ্যাকিং চক্র ও কিশোর গ্যাংয়ের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০২:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

 

নাটোরের লালপুরে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ইমো হ্যাকিং চক্র ও কিশোর গ্যাংয়ের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৯ জুলাই) ভোরে উপজেলার বিড়বাড়িয়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ১৬টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, ১২টি বাটন ফোন, ৩০টি সিমকার্ড, পাঁচটি ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিন মারিয়া এলাকার বিড়বাড়িয়া গ্রামে অভিযান চালায় সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। এ সময় সংঘবদ্ধ প্রতারক ও কিশোর গ্যাংয়ের ১২ সদস্যকে আটক করা হয়। এরা দীর্ঘদিন ধরে ইমো অ্যাপ ব্যবহার করে দেশি ও প্রবাসী নাগরিকদের সঙ্গে কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলত। পরে ভিডিও কলের মাধ্যমে অশ্লীল দৃশ্য ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিত।

আরও পড়ুন  অস্ত্র নিয়ে খেলার সময় শিশু সন্তানের মিসফায়ারে এসআই গুলিবিদ্ধ

জানা যায়, এসব কিশোর গ্যাং সদস্যরা শুধু সাইবার প্রতারণাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, তারা নিয়মিত মাদকসেবনেও লিপ্ত ছিল এবং নিজেদের ‘গ্যাং’ পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করত। এছাড়া, তারা মাদকের মাধ্যমে যুবসমাজকে বিপথগামী করার অপচেষ্টাও চালাচ্ছিল।

সেনাবাহিনী জানায়, আটককৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা প্রযুক্তি ও মাদকদ্রব্য প্রমাণ করে যে তারা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সদস্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার নানা কৌশল স্বীকার করেছে।

পরে গ্রেপ্তারকৃতদের আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

স্থানীয় এলাকাবাসীর মতে, এসব কিশোর গ্যাং সদস্যদের কারণে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অশান্তি বিরাজ করছিল। সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছে।