ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে ট্রাকের চাপায় বাবা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
  • / 612

ছবি সংগৃহীত

 

সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে ট্রাক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের চড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার নুর জাহান হোটেলের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সলঙ্গা থানার পুরনা বেড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান খন্দকার (৭০) এবং তার ছোট ছেলে জুয়েল খন্দকার (৩৫)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন পরিবারের আরেক সদস্য রাসেল খন্দকার।

আরও পড়ুন  দুধ বিক্রি থেকে আয় কম, লোকসানে খামারিরা

স্থানীয়রা জানান, অসুস্থ বাবা আব্দুল মান্নানকে চিকিৎসার জন্য এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন জুয়েল ও রাসেল। তারা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে রওনা দেন। কিন্তু পথিমধ্যে চড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকায় মহাসড়কের খানাখন্দপূর্ণ জায়গায় অটোরিকশাটি মাঝ রাস্তায় উঠে পড়ে।

ঠিক সেই সময় বনপাড়াগামী একটি দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান আব্দুল মান্নান ও তার ছেলে জুয়েল খন্দকার। রক্তাক্ত অবস্থায় রাসেল খন্দকারকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

খবর পেয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘাতক ট্রাকটিকে জব্দ করে। তবে চালক ও হেলপার দুর্ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায়।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ জানান, “মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় বাবা ও ছেলে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে। তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের ওই অংশে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ থাকায় প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে ট্রাকের চাপায় বাবা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

আপডেট সময় ১১:২১:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

 

সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে ট্রাক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের চড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার নুর জাহান হোটেলের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সলঙ্গা থানার পুরনা বেড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান খন্দকার (৭০) এবং তার ছোট ছেলে জুয়েল খন্দকার (৩৫)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন পরিবারের আরেক সদস্য রাসেল খন্দকার।

আরও পড়ুন  নীলফামারীতে ট্রাকচাপায় দুই ভাই নিহত: আহত মা-সহ ৩ জন

স্থানীয়রা জানান, অসুস্থ বাবা আব্দুল মান্নানকে চিকিৎসার জন্য এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন জুয়েল ও রাসেল। তারা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে রওনা দেন। কিন্তু পথিমধ্যে চড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকায় মহাসড়কের খানাখন্দপূর্ণ জায়গায় অটোরিকশাটি মাঝ রাস্তায় উঠে পড়ে।

ঠিক সেই সময় বনপাড়াগামী একটি দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান আব্দুল মান্নান ও তার ছেলে জুয়েল খন্দকার। রক্তাক্ত অবস্থায় রাসেল খন্দকারকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

খবর পেয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘাতক ট্রাকটিকে জব্দ করে। তবে চালক ও হেলপার দুর্ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায়।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ জানান, “মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় বাবা ও ছেলে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে। তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের ওই অংশে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ থাকায় প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।