১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
আমাদের সাইবার টিম তাদের গলা টিপে ধরেছে: জামায়াত আমির নবাবগঞ্জে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারে হামলা, জামায়াত কর্মী গুরুতর আহত যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের জন্য ভেনেজুয়েলায় তেল উত্তোলনের নিয়ম সহজ করছে কড়াইল বস্তিতে বিএনপির ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু ৯ দিন পর ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ডা.শফিকুর রহমান: আমির হামজা দুই বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন এনসিপি নেত্রী মিতু ‘গুপ্ত দলের’ লোকেরা নতুন জালেম হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে: তারেক রহমান প্রিসাইডিং অফিসার যাতে ভোটের রেজাল্ট ছাড়া বের হতে না পারে: মির্জা আব্বাস বিএনপি কাজে বিশ্বাসী, সমালোচনার রাজনীতিতে নয়: মির্জা ফখরুল গাজিয়াবাদে ৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু
পাকিস্তানে সোনার খনি

পাঞ্জাবে সোনার খনি আবিষ্কার, আশার আলো পাকিস্তানের অর্থনীতিতে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 131

ছবি সংগৃহীত

 

বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে সংকট এবং আর্থিক দুর্দশার মাঝেও পাকিস্তানের জন্য এক সুখবর। পাঞ্জাব প্রদেশের অ্যাটক জেলায় পাওয়া গেছে ২৮ লাখ ভরি (প্রায় ৩৩ টন) স্বর্ণের খনি। বর্তমান বাজারমূল্যে এর আর্থিক মূল্য প্রায় ৮ হাজার কোটি পাকিস্তানি রুপি।

পাঞ্জাবের সাবেক খনিমন্ত্রী ইব্রাহিম হাসান মুরাদ এই খনি আবিষ্কারের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, সিন্ধু নদের তীরবর্তী অঞ্চলে দীর্ঘদিনের গবেষণা ও নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে এই সোনার খনি চিহ্নিত হয়েছে। প্রাদেশিক খনি ও খনিজ মন্ত্রী সরদার শের আলী গোরচানি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয় থেকে সিন্ধু নদে ভেসে আসা সোনার কণাগুলো হাজার বছরের বেশি সময় ধরে নদীর তলদেশে জমা হয়ে তৈরি হয়েছে এই খনি, যা ভূতাত্ত্বিক ভাষায় ‘প্লেসার ডিপোজিশন’ নামে পরিচিত।

সরকারি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিন্ধু নদের তলদেশ থেকে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন রুপি মূল্যের সোনা উত্তোলন সম্ভব। ইতোমধ্যে খনির সুরক্ষায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এবং একটি নিলাম কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানে সোনার খনি

পাঞ্জাবে সোনার খনি আবিষ্কার, আশার আলো পাকিস্তানের অর্থনীতিতে

আপডেট সময় ০৩:১০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫

 

বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে সংকট এবং আর্থিক দুর্দশার মাঝেও পাকিস্তানের জন্য এক সুখবর। পাঞ্জাব প্রদেশের অ্যাটক জেলায় পাওয়া গেছে ২৮ লাখ ভরি (প্রায় ৩৩ টন) স্বর্ণের খনি। বর্তমান বাজারমূল্যে এর আর্থিক মূল্য প্রায় ৮ হাজার কোটি পাকিস্তানি রুপি।

পাঞ্জাবের সাবেক খনিমন্ত্রী ইব্রাহিম হাসান মুরাদ এই খনি আবিষ্কারের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, সিন্ধু নদের তীরবর্তী অঞ্চলে দীর্ঘদিনের গবেষণা ও নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে এই সোনার খনি চিহ্নিত হয়েছে। প্রাদেশিক খনি ও খনিজ মন্ত্রী সরদার শের আলী গোরচানি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয় থেকে সিন্ধু নদে ভেসে আসা সোনার কণাগুলো হাজার বছরের বেশি সময় ধরে নদীর তলদেশে জমা হয়ে তৈরি হয়েছে এই খনি, যা ভূতাত্ত্বিক ভাষায় ‘প্লেসার ডিপোজিশন’ নামে পরিচিত।

সরকারি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিন্ধু নদের তলদেশ থেকে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন রুপি মূল্যের সোনা উত্তোলন সম্ভব। ইতোমধ্যে খনির সুরক্ষায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এবং একটি নিলাম কমিটি গঠন করা হয়েছে।