০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

দুর্দান্ত ব্যাটিং বোলিং নৈপুণ্যে রেকর্ড জয়ে সিরিজের সমতা ফেরালো ভারত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • / 268

ছবি সংগৃহীত

 

লিডসে দুর্দান্ত খেলেও হারতে হয়েছিল ভারতকে। তবে এজবাস্টনে আর সেই সুযোগ দেননি শুবমান গিল ও লোকেশ রাহুলরা। ৩৩৬ রানের বিশাল জয় নিয়ে হাসিমুখে মাঠ ছেড়েছে ভারত, যা এশিয়ার কোনো দলের প্রথম জয় এজবাস্টনে। একইসঙ্গে এটি ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতের সর্বোচ্চ রানের জয়ও বটে। এর আগে ১৯৮৬ সালে লিডসে ২৭৯ রানের ব্যবধানে জয় ছিল ভারতের সেরা। সব মিলিয়ে ভারতের যেকোনো দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ জয়ও এটি, ৪৩৪ রানের জয়টি ছিল গত বছর আহমেদাবাদে।

এজবাস্টনের এই জয় ভারতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে তারা সমতায় ফিরেছে ১-১ ব্যবধানে। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ আগামী ১০ জুলাই, ঐতিহাসিক লর্ডসে অনুষ্ঠিত হবে।

ইংল্যান্ডকে জিততে হলে রানের পাহাড় ডিঙোতে হতো, লক্ষ্য ছিল ৬০৮। সেই লক্ষ্য যে প্রায় অসম্ভব, তা প্রমাণ করেছেন ভারতীয় বোলাররা দিনের মধ্যেই। বিশেষ করে ২৮ বছর বয়সী পেসার আকাশ দীপ, যিনি ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছেন। ইংল্যান্ডের প্রথম পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে চার জনকেই ফিরিয়েছেন তিনি, শেষ পর্যন্ত ৯৯ রানে ৬ উইকেট নিয়ে গড়েছেন ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। দুই ইনিংস মিলিয়ে প্রথমবারের মতো ১০ উইকেট শিকারও করেছেন এই পেসার।

ইংল্যান্ডের হয়ে প্রথম ইনিংসে জেমি স্মিথ (১৮৪*) ও হ্যারি ব্রুক (১৫৮) দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। দ্বিতীয় ইনিংসে স্মিথ কিছুটা লড়াই করে ৮৮ রান করেন, তাতেও ২৭১ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

অন্যদিকে ভারতের ব্যাটিং দুর্দান্ত ছিল শুবমান গিলের নেতৃত্বে। প্রথম ইনিংসে তিনি খেলেছেন অনবদ্য ২৬৯ রানের ইনিংস, দ্বিতীয় ইনিংসেও করেছেন সেঞ্চুরি (১৬১)। তার এই ব্যাটিং নৈপুণ্যের ওপর ভর করে ভারত ৬ উইকেটে ৪২৭ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে। অধিনায়ক হিসেবে এটিই গিলের প্রথম জয়, আর তাই স্বাভাবিকভাবেই জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও।

সবমিলিয়ে এজবাস্টনে ভারতের এই জয়ে শুধু সিরিজে সমতা ফিরেছে তাই নয়, এশিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসেও লেখা হলো নতুন সাফল্যের অধ্যায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দুর্দান্ত ব্যাটিং বোলিং নৈপুণ্যে রেকর্ড জয়ে সিরিজের সমতা ফেরালো ভারত

আপডেট সময় ১২:১১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

 

লিডসে দুর্দান্ত খেলেও হারতে হয়েছিল ভারতকে। তবে এজবাস্টনে আর সেই সুযোগ দেননি শুবমান গিল ও লোকেশ রাহুলরা। ৩৩৬ রানের বিশাল জয় নিয়ে হাসিমুখে মাঠ ছেড়েছে ভারত, যা এশিয়ার কোনো দলের প্রথম জয় এজবাস্টনে। একইসঙ্গে এটি ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতের সর্বোচ্চ রানের জয়ও বটে। এর আগে ১৯৮৬ সালে লিডসে ২৭৯ রানের ব্যবধানে জয় ছিল ভারতের সেরা। সব মিলিয়ে ভারতের যেকোনো দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ জয়ও এটি, ৪৩৪ রানের জয়টি ছিল গত বছর আহমেদাবাদে।

এজবাস্টনের এই জয় ভারতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে তারা সমতায় ফিরেছে ১-১ ব্যবধানে। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ আগামী ১০ জুলাই, ঐতিহাসিক লর্ডসে অনুষ্ঠিত হবে।

ইংল্যান্ডকে জিততে হলে রানের পাহাড় ডিঙোতে হতো, লক্ষ্য ছিল ৬০৮। সেই লক্ষ্য যে প্রায় অসম্ভব, তা প্রমাণ করেছেন ভারতীয় বোলাররা দিনের মধ্যেই। বিশেষ করে ২৮ বছর বয়সী পেসার আকাশ দীপ, যিনি ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছেন। ইংল্যান্ডের প্রথম পাঁচ ব্যাটারের মধ্যে চার জনকেই ফিরিয়েছেন তিনি, শেষ পর্যন্ত ৯৯ রানে ৬ উইকেট নিয়ে গড়েছেন ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। দুই ইনিংস মিলিয়ে প্রথমবারের মতো ১০ উইকেট শিকারও করেছেন এই পেসার।

ইংল্যান্ডের হয়ে প্রথম ইনিংসে জেমি স্মিথ (১৮৪*) ও হ্যারি ব্রুক (১৫৮) দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। দ্বিতীয় ইনিংসে স্মিথ কিছুটা লড়াই করে ৮৮ রান করেন, তাতেও ২৭১ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

অন্যদিকে ভারতের ব্যাটিং দুর্দান্ত ছিল শুবমান গিলের নেতৃত্বে। প্রথম ইনিংসে তিনি খেলেছেন অনবদ্য ২৬৯ রানের ইনিংস, দ্বিতীয় ইনিংসেও করেছেন সেঞ্চুরি (১৬১)। তার এই ব্যাটিং নৈপুণ্যের ওপর ভর করে ভারত ৬ উইকেটে ৪২৭ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে। অধিনায়ক হিসেবে এটিই গিলের প্রথম জয়, আর তাই স্বাভাবিকভাবেই জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও।

সবমিলিয়ে এজবাস্টনে ভারতের এই জয়ে শুধু সিরিজে সমতা ফিরেছে তাই নয়, এশিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসেও লেখা হলো নতুন সাফল্যের অধ্যায়।