ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নরসিংদীতে ছুরিকাঘাতে পিতাকে হত্যা, অভিযুক্ত ছেলে পলাতক নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু

কানাডা, তিউনিসিয়া ও মরক্কো থেকে এক লাখ ৫ হাজার টন সার কিনছে সরকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 677

ছবি সংগৃহীত

 

সরকার কানাডা, তিউনিসিয়া ও মরক্কো থেকে এক লাখ ৫ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮১ কোটি ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

বুধবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুমোদিত সারগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪০ হাজার টন এমওপি, ২৫ হাজার টন টিএসপি এবং ৪০ হাজার টন ডিএপি।

আরও পড়ুন  অবৈধ ভারতীয়দের বের করে দিবে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কানাডার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন (সিসিসি) ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৮৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। প্রতি টনের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩৪২ মার্কিন ডলার।

তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রীয় কোম্পানি গ্রুপ চিমিক তিউনিসিয়েন (জিসিটি) ও বিএডিসির মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ২৫ হাজার টন টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এই আমদানির জন্য ব্যয় হবে ১৬৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রতি টনের দাম পড়বে ৫৫০ মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপসের সঙ্গে চুক্তির আওতায় ১৩তম (ঐচ্ছিক-৪র্থ) লটের ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১০ মার্কিন ডলার।

সবগুলো চুক্তিই কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “হরমুজ প্রণালীর বর্তমান পরিস্থিতির কারণে গম বা জ্বালানি আমদানিতে তেমন প্রভাব না পড়লেও সারের আমদানি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তবে সরকার আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

এই সারগুলো দেশের কৃষিখাতে উৎপাদনশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কানাডা, তিউনিসিয়া ও মরক্কো থেকে এক লাখ ৫ হাজার টন সার কিনছে সরকার

আপডেট সময় ০৬:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

 

সরকার কানাডা, তিউনিসিয়া ও মরক্কো থেকে এক লাখ ৫ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮১ কোটি ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

বুধবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুমোদিত সারগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪০ হাজার টন এমওপি, ২৫ হাজার টন টিএসপি এবং ৪০ হাজার টন ডিএপি।

আরও পড়ুন  বাণিজ্য আলোচনা ব্যর্থ, কানাডীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কানাডার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন (সিসিসি) ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৮৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। প্রতি টনের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩৪২ মার্কিন ডলার।

তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রীয় কোম্পানি গ্রুপ চিমিক তিউনিসিয়েন (জিসিটি) ও বিএডিসির মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ২৫ হাজার টন টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এই আমদানির জন্য ব্যয় হবে ১৬৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রতি টনের দাম পড়বে ৫৫০ মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপসের সঙ্গে চুক্তির আওতায় ১৩তম (ঐচ্ছিক-৪র্থ) লটের ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১০ মার্কিন ডলার।

সবগুলো চুক্তিই কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “হরমুজ প্রণালীর বর্তমান পরিস্থিতির কারণে গম বা জ্বালানি আমদানিতে তেমন প্রভাব না পড়লেও সারের আমদানি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তবে সরকার আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

এই সারগুলো দেশের কৃষিখাতে উৎপাদনশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।