ঢাকা ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলকে ফাঁকি! বেঁচে আছেন ইরানের আইআরজিসি প্রধান ইসমাইল কানি: রিপোর্ট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 222

ছবি সংগৃহীত

 

তেহরানে এক অনুষ্ঠানে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানিকে জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় দেখা গেছে। সম্প্রতি ইসরায়েল দাবি করেছিল, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে তাদের হামলায় কানি নিহত হয়েছেন। তবে মঙ্গলবার (২৪ জুন) তেহরানে তাকে জনসম্মুখে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

বুধবার (২৫ জুন) তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায়।

আরও পড়ুন  ইরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: দু’দিন পর আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত বেড়ে ৭০

ইরানের রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তেহরানের একটি বড় সমাবেশে জনতার মাঝে কানি উপস্থিত রয়েছেন। ভিডিওতে জনতা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে দেখা যায়।

সামাজিকমাধ্যম এক্সে তাসনিম জানায়, ‘অপারেশন ডিভাইন ভিক্টরির পর তেহরানের জনগণের বিজয় সমাবেশে অংশ নিয়েছেন কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানি।’

প্রেস টিভিও ভিডিওটি সম্প্রচার করে জানায়, ‘ইহুদি শাসনের (ইসরায়েল) বিরুদ্ধে বিজয় উদযাপনের সময় হাজারো উল্লসিত তেহরানবাসীর মাঝে ছিলেন কানি।’

এর আগে, নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানি সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে কানি ছিলেন অন্যতম।

গত ১৩ জুন থেকে ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালাতে শুরু করে। তাদের অভিযোগ—তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছে। তবে ইরান এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরানও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এ অবস্থায় সংঘাতে যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্র। রোববার তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায় তারা।

দুই আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের টানা ১২ দিনের যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে উভয়পক্ষকে সংঘাত থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

এই প্রেক্ষাপটে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানির জীবিত উপস্থিতি ইসরায়েলের দাবি ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার প্রতিবেদনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরাইলকে ফাঁকি! বেঁচে আছেন ইরানের আইআরজিসি প্রধান ইসমাইল কানি: রিপোর্ট

আপডেট সময় ১১:৩৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

 

তেহরানে এক অনুষ্ঠানে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানিকে জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় দেখা গেছে। সম্প্রতি ইসরায়েল দাবি করেছিল, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে তাদের হামলায় কানি নিহত হয়েছেন। তবে মঙ্গলবার (২৪ জুন) তেহরানে তাকে জনসম্মুখে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

বুধবার (২৫ জুন) তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায়।

আরও পড়ুন  ‘পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত এক দখলদার দানব’ — যুক্তরাষ্ট্রকে কটাক্ষ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ইরানের রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তেহরানের একটি বড় সমাবেশে জনতার মাঝে কানি উপস্থিত রয়েছেন। ভিডিওতে জনতা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে দেখা যায়।

সামাজিকমাধ্যম এক্সে তাসনিম জানায়, ‘অপারেশন ডিভাইন ভিক্টরির পর তেহরানের জনগণের বিজয় সমাবেশে অংশ নিয়েছেন কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানি।’

প্রেস টিভিও ভিডিওটি সম্প্রচার করে জানায়, ‘ইহুদি শাসনের (ইসরায়েল) বিরুদ্ধে বিজয় উদযাপনের সময় হাজারো উল্লসিত তেহরানবাসীর মাঝে ছিলেন কানি।’

এর আগে, নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানি সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে কানি ছিলেন অন্যতম।

গত ১৩ জুন থেকে ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালাতে শুরু করে। তাদের অভিযোগ—তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে এগোচ্ছে। তবে ইরান এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরানও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এ অবস্থায় সংঘাতে যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্র। রোববার তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায় তারা।

দুই আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের টানা ১২ দিনের যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে উভয়পক্ষকে সংঘাত থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

এই প্রেক্ষাপটে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানির জীবিত উপস্থিতি ইসরায়েলের দাবি ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার প্রতিবেদনের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।