০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি নিউক্যাসলকে বিদায় করে লিগ কাপ ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটি কুমিল্লায় হাঁস চুরির সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা ‘আহার গ্রহণও করা যাবে না’: নির্বাচনে কর্মকর্তাদের কঠোর নিরপেক্ষতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কুষ্টিয়ায় জামায়াত-বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে: তারেক রহমান বিশ্বের প্রথম ‘৮০০ বিলিয়ন’ ডলারের মালিক ইলন মাস্ক সোমবার বিটিভিতে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির ১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ ড্রাফটের আগে রিশাদকে ছেড়ে দিল লাহোর

গাজায় বিস্ফোরণে ইসরাইলের ৭ সেনা নিহত, আহত আরও ৮

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / 92

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘর্ষে ইসরাইলের সাত সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

নিহত সাত সেনার মধ্যে ছয়জনের নাম প্রকাশ করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। তারা হলেন— লেফটেন্যান্ট মাতান শাই ইয়াশিনোভস্কি, স্টাফ সার্জেন্ট রনেল বেন-মোশে, স্টাফ সার্জেন্ট নিভ রাদিয়া, সার্জেন্ট রনেন শাপিরো, সার্জেন্ট শাহার মানোয়াভ এবং সার্জেন্ট মায়ান বারুচ পার্লস্টেইন। তবে সপ্তম সেনার পরিবারের অনুমতি না মেলায় তার পরিচয় আপাতত প্রকাশ করা হয়নি।

ইসরাইলের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরাইল জানায়, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকায় লড়াই চলাকালে তাদের বহনকারী একটি সাঁজোয়া যান বিস্ফোরণের শিকার হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাত সেনা নিহত হন।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিহত সেনারা সবাই ৬০৫তম কমব্যাট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের সদস্য ছিলেন। তারা ‘পুমা’ নামক একটি সাঁজোয়া যুদ্ধ প্রকৌশল যান চালাচ্ছিলেন। সে সময় যানটিতে আগে থেকেই পুঁতে রাখা একটি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরিত হয়। আইডিএফ-এর (ইসরাইলি ডিফেন্স ফোর্স) প্রাথমিক তদন্তেও এ তথ্য উঠে এসেছে।

সেনাবাহিনী আরও জানায়, নিহতদের বয়স ১৯ থেকে ২১ বছরের মধ্যে। এদের সবাই তরুণ সেনা সদস্য। একই সঙ্গে ওই হামলায় আরও আটজন সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের চিকিৎসার জন্য দ্রুত ইসরাইলের একটি সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এই হামলা ইসরাইলি সেনাবাহিনীর জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে চলমান গাজা অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে। গাজায় হামাসবিরোধী অভিযানে অংশ নিতে গিয়ে ইসরাইলি বাহিনী নিয়মিত বিস্ফোরক ও গেরিলা হামলার মুখোমুখি হচ্ছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।

বর্তমানে গাজায় ইসরাইলের অভিযানের গতি বাড়ানো হয়েছে। তবে প্রতি মুহূর্তে বেড়ে চলেছে সহিংসতার মাত্রা ও প্রাণহানির সংখ্যা।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় বিস্ফোরণে ইসরাইলের ৭ সেনা নিহত, আহত আরও ৮

আপডেট সময় ১১:১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘর্ষে ইসরাইলের সাত সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

নিহত সাত সেনার মধ্যে ছয়জনের নাম প্রকাশ করেছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। তারা হলেন— লেফটেন্যান্ট মাতান শাই ইয়াশিনোভস্কি, স্টাফ সার্জেন্ট রনেল বেন-মোশে, স্টাফ সার্জেন্ট নিভ রাদিয়া, সার্জেন্ট রনেন শাপিরো, সার্জেন্ট শাহার মানোয়াভ এবং সার্জেন্ট মায়ান বারুচ পার্লস্টেইন। তবে সপ্তম সেনার পরিবারের অনুমতি না মেলায় তার পরিচয় আপাতত প্রকাশ করা হয়নি।

ইসরাইলের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরাইল জানায়, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকায় লড়াই চলাকালে তাদের বহনকারী একটি সাঁজোয়া যান বিস্ফোরণের শিকার হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাত সেনা নিহত হন।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিহত সেনারা সবাই ৬০৫তম কমব্যাট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের সদস্য ছিলেন। তারা ‘পুমা’ নামক একটি সাঁজোয়া যুদ্ধ প্রকৌশল যান চালাচ্ছিলেন। সে সময় যানটিতে আগে থেকেই পুঁতে রাখা একটি শক্তিশালী বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরিত হয়। আইডিএফ-এর (ইসরাইলি ডিফেন্স ফোর্স) প্রাথমিক তদন্তেও এ তথ্য উঠে এসেছে।

সেনাবাহিনী আরও জানায়, নিহতদের বয়স ১৯ থেকে ২১ বছরের মধ্যে। এদের সবাই তরুণ সেনা সদস্য। একই সঙ্গে ওই হামলায় আরও আটজন সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের চিকিৎসার জন্য দ্রুত ইসরাইলের একটি সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এই হামলা ইসরাইলি সেনাবাহিনীর জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে চলমান গাজা অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে। গাজায় হামাসবিরোধী অভিযানে অংশ নিতে গিয়ে ইসরাইলি বাহিনী নিয়মিত বিস্ফোরক ও গেরিলা হামলার মুখোমুখি হচ্ছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।

বর্তমানে গাজায় ইসরাইলের অভিযানের গতি বাড়ানো হয়েছে। তবে প্রতি মুহূর্তে বেড়ে চলেছে সহিংসতার মাত্রা ও প্রাণহানির সংখ্যা।