ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বাজারে বসা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫
  • / 641

ছবি সংগৃহীত

 

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামে বাজার বসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় মোজাফরপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ঈদের আগের দিন মাহমুদপুর বাজারে বসা নিয়ে রফিক গ্রুপ ও দিদার গ্রুপের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে সোমবার সন্ধ্যায় ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন  তুরস্কের বোলুতে হোটেল অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন নিহত, আহত ৩২

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওইদিন বিকেলে রফিক গ্রুপের এক সদস্য তার স্ত্রীকে নিয়ে বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে দিদার গ্রুপের কয়েকজন লোক তাকে মারধর করে। এতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়। সন্ধ্যার পর উভয় গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র টেঁটা, বল্লম, লাঠিসোঁটা নিয়ে মাহমুদপুর বাজারে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। এদের মধ্যে ৯ জনকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং ৭ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাকিব (২২), আজহারুল (৪৫), খোকন মিয়া (৪৫), নজরুল (৫০), সাকিল (১৮), রাজিব (২২) ও মুখলেছ (৪০)। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে হারুলিয়া গ্রামের হেলাল মিয়াসহ আরও কয়েকজনও আহত হন, তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কেন্দুয়া থানার ওসি (তদন্ত) ওমর কাইয়ুম বলেন, “মাহমুদপুর বাজারে বাজার বসা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের মতে, বাজার বসা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে দখল-দাবি চলছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে পুলিশি টহল জোরদার থাকায় নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

এ ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা হয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বাজারে বসা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫

আপডেট সময় ১১:৪৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫

 

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামে বাজার বসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় মোজাফরপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ঈদের আগের দিন মাহমুদপুর বাজারে বসা নিয়ে রফিক গ্রুপ ও দিদার গ্রুপের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে সোমবার সন্ধ্যায় ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন  তুরস্কের বোলুতে হোটেল অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন নিহত, আহত ৩২

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওইদিন বিকেলে রফিক গ্রুপের এক সদস্য তার স্ত্রীকে নিয়ে বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে দিদার গ্রুপের কয়েকজন লোক তাকে মারধর করে। এতে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়। সন্ধ্যার পর উভয় গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র টেঁটা, বল্লম, লাঠিসোঁটা নিয়ে মাহমুদপুর বাজারে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। এদের মধ্যে ৯ জনকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং ৭ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাকিব (২২), আজহারুল (৪৫), খোকন মিয়া (৪৫), নজরুল (৫০), সাকিল (১৮), রাজিব (২২) ও মুখলেছ (৪০)। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে হারুলিয়া গ্রামের হেলাল মিয়াসহ আরও কয়েকজনও আহত হন, তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কেন্দুয়া থানার ওসি (তদন্ত) ওমর কাইয়ুম বলেন, “মাহমুদপুর বাজারে বাজার বসা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের মতে, বাজার বসা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে দখল-দাবি চলছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে পুলিশি টহল জোরদার থাকায় নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

এ ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা হয়নি। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।