ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব সমুদ্র দিবস আজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • / 318

ছবি: সংগৃহীত

 

আজ ৮ জুন আন্তর্জাতিক সমুদ্র দিবস। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরোতে অনুষ্ঠিত ধরিত্রী সম্মেলনে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এবং ২০০৮ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়। ২০০৯ সাল থেকে সারাবিশ্বে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ সমুদ্র তীরবর্তী দেশ হওয়ায় দেশের বিশাল সমুদ্রসীমা ও নীল অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশের সমুদ্রবিজ্ঞানী ও গবেষকরা পৃথক সমুদ্র মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ব্রাজিল: দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ ও বৈচিত্র্যের শক্তি

গবেষকরা সমুদ্র-দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বঙ্গোপসাগরকে বাঁচাতে হলে দ্রুত একটি মেরিন কনজারভেশন অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা জরুরি। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে আলাদা মন্ত্রণালয় না থাকায় বিশাল সাগর সম্পদের জন্য নির্দিষ্ট অভিভাবক নেই, ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এলোমেলোভাবে কাজ করছে।

এ কারণে ট্যুরিস্ট পুলিশ, নেভি, সাগর গবেষণা ইনস্টিটিউট, পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও কোস্টগার্ডের সমন্বিত উদ্যোগের অভাব দেখা যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ব সমুদ্র দিবস আজ

আপডেট সময় ০৮:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

 

আজ ৮ জুন আন্তর্জাতিক সমুদ্র দিবস। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরোতে অনুষ্ঠিত ধরিত্রী সম্মেলনে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এবং ২০০৮ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়। ২০০৯ সাল থেকে সারাবিশ্বে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ সমুদ্র তীরবর্তী দেশ হওয়ায় দেশের বিশাল সমুদ্রসীমা ও নীল অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশের সমুদ্রবিজ্ঞানী ও গবেষকরা পৃথক সমুদ্র মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন  ব্রাজিলের আমদানিতে ৫০% শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প, পাল্টা হুমকি ব্রাসিলিয়ার

গবেষকরা সমুদ্র-দূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বঙ্গোপসাগরকে বাঁচাতে হলে দ্রুত একটি মেরিন কনজারভেশন অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা জরুরি। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে আলাদা মন্ত্রণালয় না থাকায় বিশাল সাগর সম্পদের জন্য নির্দিষ্ট অভিভাবক নেই, ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এলোমেলোভাবে কাজ করছে।

এ কারণে ট্যুরিস্ট পুলিশ, নেভি, সাগর গবেষণা ইনস্টিটিউট, পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও কোস্টগার্ডের সমন্বিত উদ্যোগের অভাব দেখা যাচ্ছে।