ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী

সুষ্ঠু নির্বাচনই প্রকৃত সংস্কারের প্রথম শর্ত: আব্দুন নূর তুষার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 2116

ছবি সংগৃহীত

জনপ্রিয় উপস্থাপক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার বলেছেন, দেশে যেসব সংস্কারের কথা বলা হয় ছোট সংস্কার, মাঝারি সংস্কার কিংবা বড় সংস্কার সেগুলো প্রকৃতপক্ষে কোনো সংস্কার নয়। তার মতে, প্রকৃত সংস্কারের সূচনা হওয়া উচিত সুষ্ঠু ও নিয়মিত নির্বাচনের মাধ্যমে।

সম্প্রতি ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক ভাবনা ও অর্থনৈতিক মুক্তি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “সবাই বলছে আমরা বহুদিন ধরে ভোট দিতে পারছি না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, শুধু ভোট দিতে না পারাই কি সমস্যা? না, বিষয়টি এর চেয়েও গভীর। কোনো রাষ্ট্রই একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলীয় মতাদর্শ দিয়ে সংস্কার সম্পন্ন করতে পারে না। সংস্কার হওয়া উচিত জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের ভিত্তিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে।”

আরও পড়ুন  ডিসেম্বরে নির্বাচনের রূপরেখা চায় বিএনপি: নজরুল ইসলাম খান

আব্দুন নূর তুষার আরও বলেন, “যদি বাংলাদেশে নিয়মিত, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতো, তাহলে জনগণ নেতাদের নির্বাচনের মাধ্যমে নিজে থেকেই শিখে যেত যে গণতন্ত্র কীভাবে তাদের উপকারে আসে। কিন্তু ভোট না হওয়ায় আমরা আমাদের পছন্দের ব্যক্তিদের বেছে নেয়ার সুযোগ হারিয়েছি। অপছন্দের লোকদের মুখের ওপর বলার সুযোগও হারিয়েছি যে আপনি আমার কাছে ভোট চাইতে পারেন না, আমি আপনাকে ভোট দেব না।”

তিনি মনে করেন, গণতন্ত্র কেবল একটি পদ্ধতি নয়, এটি একটি শেখার প্রক্রিয়া। জনগণ যদি স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে, তাহলে তারা বুঝে উঠতে পারে কারা সত্যিকারের প্রতিনিধি, কারা তাদের কথা বলে, এবং কারা শুধু নিজেদের স্বার্থে ক্ষমতায় আসে।

তুষার বলেন, “ভোটের মাধ্যমে জনগণ যেমন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে পারে, তেমনি নেতৃত্বকে প্রত্যাখ্যান করতেও পারে। কিন্তু সেই অধিকারটাই আমরা হারিয়ে ফেলেছি।”

অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি তারুণ্যকে রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, উন্নয়নের টেকসই ভিত্তি গড়ে তুলতে হলে আগে গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্ত করতে হবে। আর তার প্রথম ধাপই হলো অবাধ, নিরপেক্ষ ও নিয়মিত নির্বাচন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সুষ্ঠু নির্বাচনই প্রকৃত সংস্কারের প্রথম শর্ত: আব্দুন নূর তুষার

আপডেট সময় ০২:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

জনপ্রিয় উপস্থাপক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আব্দুন নূর তুষার বলেছেন, দেশে যেসব সংস্কারের কথা বলা হয় ছোট সংস্কার, মাঝারি সংস্কার কিংবা বড় সংস্কার সেগুলো প্রকৃতপক্ষে কোনো সংস্কার নয়। তার মতে, প্রকৃত সংস্কারের সূচনা হওয়া উচিত সুষ্ঠু ও নিয়মিত নির্বাচনের মাধ্যমে।

সম্প্রতি ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক ভাবনা ও অর্থনৈতিক মুক্তি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “সবাই বলছে আমরা বহুদিন ধরে ভোট দিতে পারছি না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, শুধু ভোট দিতে না পারাই কি সমস্যা? না, বিষয়টি এর চেয়েও গভীর। কোনো রাষ্ট্রই একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলীয় মতাদর্শ দিয়ে সংস্কার সম্পন্ন করতে পারে না। সংস্কার হওয়া উচিত জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের ভিত্তিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে।”

আরও পড়ুন  সংস্কার প্রস্তাবনায় বিএনপির নতুন পরিকল্পনা, সংস্কারের প্রস্তাব আসবে রবিবার

আব্দুন নূর তুষার আরও বলেন, “যদি বাংলাদেশে নিয়মিত, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতো, তাহলে জনগণ নেতাদের নির্বাচনের মাধ্যমে নিজে থেকেই শিখে যেত যে গণতন্ত্র কীভাবে তাদের উপকারে আসে। কিন্তু ভোট না হওয়ায় আমরা আমাদের পছন্দের ব্যক্তিদের বেছে নেয়ার সুযোগ হারিয়েছি। অপছন্দের লোকদের মুখের ওপর বলার সুযোগও হারিয়েছি যে আপনি আমার কাছে ভোট চাইতে পারেন না, আমি আপনাকে ভোট দেব না।”

তিনি মনে করেন, গণতন্ত্র কেবল একটি পদ্ধতি নয়, এটি একটি শেখার প্রক্রিয়া। জনগণ যদি স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে, তাহলে তারা বুঝে উঠতে পারে কারা সত্যিকারের প্রতিনিধি, কারা তাদের কথা বলে, এবং কারা শুধু নিজেদের স্বার্থে ক্ষমতায় আসে।

তুষার বলেন, “ভোটের মাধ্যমে জনগণ যেমন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে পারে, তেমনি নেতৃত্বকে প্রত্যাখ্যান করতেও পারে। কিন্তু সেই অধিকারটাই আমরা হারিয়ে ফেলেছি।”

অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে তিনি তারুণ্যকে রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন, উন্নয়নের টেকসই ভিত্তি গড়ে তুলতে হলে আগে গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্ত করতে হবে। আর তার প্রথম ধাপই হলো অবাধ, নিরপেক্ষ ও নিয়মিত নির্বাচন।