ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

কুড়িগ্রাম সীমান্তে বজ্রপাতে ১ বিজিবি সদস্য নিহত, আহত আরো ৪

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 371

ছবি সংগৃহীত

 

 

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) গভীর রাতে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের খেতারচর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাঁতভাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আব্দুল হালিম।

আরও পড়ুন  ভারতের ছত্তিশগড়ে ট্রাক ও কার্গো ট্রাকের সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ নিহত ১৩

নিহত বিজিবি সদস্যের নাম রিয়াদ হোসেন (৩২)। তিনি জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনে দাঁতভাঙ্গা বিওপির সিপাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আহতরা হলেন হাবিলদার মো. জসিম (৫২), সিপাহী নাদিম (২৮), সিপাহী শাহীন (২৮) এবং আনসার সদস্য ফেরদৌস হোসেন (৩৬)।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে খেতারচর সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ১০৫৪ এলাকায় নিয়মিত টহলে ছিলেন বিজিবি সদস্যরা। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে বজ্রাঘাতে পাঁচ সদস্য গুরুতর আহত হন।

তৎক্ষণাৎ আহতদের রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিয়াদ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নবিউল ইসলাম জানান, বজ্রপাতের শিকার হয়ে রিয়াদ হোসেনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। বাকি দুইজন রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্ব পালনকালে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়েন সদস্যরা। এতে একজনের প্রাণহানি ও অন্যদের আহত হওয়ায় বিজিবির মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি কর্তৃপক্ষ নিহত ও আহত সদস্যদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, চলতি বর্ষা মৌসুমে দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতের ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গায় না থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কুড়িগ্রাম সীমান্তে বজ্রপাতে ১ বিজিবি সদস্য নিহত, আহত আরো ৪

আপডেট সময় ১২:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

 

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) গভীর রাতে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের খেতারচর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাঁতভাঙ্গা বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আব্দুল হালিম।

আরও পড়ুন  রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রায় ১৭ লাখ সেনা নিহত: ট্রাম্প

নিহত বিজিবি সদস্যের নাম রিয়াদ হোসেন (৩২)। তিনি জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনে দাঁতভাঙ্গা বিওপির সিপাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আহতরা হলেন হাবিলদার মো. জসিম (৫২), সিপাহী নাদিম (২৮), সিপাহী শাহীন (২৮) এবং আনসার সদস্য ফেরদৌস হোসেন (৩৬)।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে খেতারচর সীমান্তের আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ১০৫৪ এলাকায় নিয়মিত টহলে ছিলেন বিজিবি সদস্যরা। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে বজ্রাঘাতে পাঁচ সদস্য গুরুতর আহত হন।

তৎক্ষণাৎ আহতদের রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিয়াদ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নবিউল ইসলাম জানান, বজ্রপাতের শিকার হয়ে রিয়াদ হোসেনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। বাকি দুইজন রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্ব পালনকালে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়েন সদস্যরা। এতে একজনের প্রাণহানি ও অন্যদের আহত হওয়ায় বিজিবির মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবি কর্তৃপক্ষ নিহত ও আহত সদস্যদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, চলতি বর্ষা মৌসুমে দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতের ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গায় না থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।