ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় ভারত-পাকিস্তান সরাসরি আলোচনায় বসছে আজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৬:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 577

ছবি: সংগৃহীত

 

দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষ থামাতে এবার স্থায়ী শান্তির পথে একধাপ এগোতে যাচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। সোমবার (১২ মে) দুপুর ১২টায় দুই দেশের সামরিক পর্যায়ে ‘ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস’ (ডিজিএমও) পর্যায়ে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, রোববার ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ করে একটি হটলাইন বার্তা পাঠায়। বার্তাটির ভিত্তিতেই আজকের আলোচনার আয়োজন।

আরও পড়ুন  ভারতের সঙ্গে নতুন ও কার্যকর সম্পর্ক চায় সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক সঞ্জীব শ্রীবাস্তব এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক যে সমঝোতা হয়েছে, সেটিকে কীভাবে টিকিয়ে রাখা যায় এবং স্থায়ীভাবে কার্যকর করা যায় সেটাই মূল আলোচ্য বিষয় হবে। এখন দেখার বিষয়, আলোচনার ফলাফল কী দাঁড়ায়।”

এর আগে শনিবার বিকেলেও দুই দেশের ডিজিএমও পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং সীমান্তে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছায় দুই পক্ষ। সেই আলোচনা ছিল কেবল সীমান্তে গোলাগুলি ও পাল্টা হামলা বন্ধ রাখার বিষয়ে সীমাবদ্ধ। তবে আজকের বৈঠকে আরও বিস্তৃত বিষয়ে আলাপ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে রোববার রাতে জম্মু-কাশ্মীর ও আন্তর্জাতিক সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় কোনো সংঘর্ষ বা অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি। ভারতীয় সেনা সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানায়, গত কয়েক দিনের মধ্যে এটাই প্রথম রাত যেখানে নিয়ন্ত্রণরেখা ছিল সম্পূর্ণ শান্ত।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দুই দেশের মধ্যকার আলোচনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এমন এক সময় এই উদ্যোগ আসছে যখন অতীতের বহুবার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা অল্প সময়ের ব্যবধানে ভেঙে পড়েছে।

বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টিও এখন এই বৈঠকের দিকে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা হিসেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় ভারত-পাকিস্তান সরাসরি আলোচনায় বসছে আজ

আপডেট সময় ১০:৩৬:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষ থামাতে এবার স্থায়ী শান্তির পথে একধাপ এগোতে যাচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। সোমবার (১২ মে) দুপুর ১২টায় দুই দেশের সামরিক পর্যায়ে ‘ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনস’ (ডিজিএমও) পর্যায়ে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, রোববার ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ করে একটি হটলাইন বার্তা পাঠায়। বার্তাটির ভিত্তিতেই আজকের আলোচনার আয়োজন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত নিরাপত্তায় নতুন যুগের সূচনা

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক সঞ্জীব শ্রীবাস্তব এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক যে সমঝোতা হয়েছে, সেটিকে কীভাবে টিকিয়ে রাখা যায় এবং স্থায়ীভাবে কার্যকর করা যায় সেটাই মূল আলোচ্য বিষয় হবে। এখন দেখার বিষয়, আলোচনার ফলাফল কী দাঁড়ায়।”

এর আগে শনিবার বিকেলেও দুই দেশের ডিজিএমও পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং সীমান্তে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছায় দুই পক্ষ। সেই আলোচনা ছিল কেবল সীমান্তে গোলাগুলি ও পাল্টা হামলা বন্ধ রাখার বিষয়ে সীমাবদ্ধ। তবে আজকের বৈঠকে আরও বিস্তৃত বিষয়ে আলাপ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে রোববার রাতে জম্মু-কাশ্মীর ও আন্তর্জাতিক সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় কোনো সংঘর্ষ বা অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি। ভারতীয় সেনা সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানায়, গত কয়েক দিনের মধ্যে এটাই প্রথম রাত যেখানে নিয়ন্ত্রণরেখা ছিল সম্পূর্ণ শান্ত।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দুই দেশের মধ্যকার আলোচনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এমন এক সময় এই উদ্যোগ আসছে যখন অতীতের বহুবার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা অল্প সময়ের ব্যবধানে ভেঙে পড়েছে।

বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টিও এখন এই বৈঠকের দিকে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা হিসেবে।