০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

বাঁশখালীতে তল্লাশিতে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ২ জন গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
  • / 105

ছবি সংগৃহীত

 

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার সামনে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (১১ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে বাঁশখালী থানা হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) সোহানুর রহমান সোহাগ।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার টইটং গ্রামের মো. সাখাওয়াত হোসেন (২৭) ও বাঁশখালী পৌরসভার মিয়ার বাজার এলাকার বাসিন্দা মো. ইলিয়াস (৪১)।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম ও ওসি (তদন্ত) সুধাংশু শেখর হালদার।

সহকারী পুলিশ সুপার সোহানুর রহমান সোহাগ জানান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামগামী যানবাহনের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে বাঁশখালী প্রধান সড়ক ব্যবহার হয়ে থাকে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ভোর ৬টায় বাঁশখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জামাল হোসেন নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে থানার গেটের সামনে তল্লাশি অভিযান চালান।

তল্লাশির সময় রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এতে থাকা যাত্রীদের ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে সাখাওয়াত হোসেনের কাছ থেকে দুইটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক এবং ইলিয়াসের ব্যাগ থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা স্বীকার করেছেন, তারা এসব অস্ত্র পেকুয়া উপজেলা থেকে সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে চট্টগ্রামের মইজ্জ্যার টেক এলাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।

বাঁশখালী থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে আনার আবেদন জানানো হবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে।

পুলিশের এমন তৎপরতায় এলাকায় সন্ত্রাস ও অস্ত্র কারবার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান হলো বলে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাঁশখালীতে তল্লাশিতে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ২ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৭:৩৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

 

 

চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানার সামনে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (১১ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে বাঁশখালী থানা হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) সোহানুর রহমান সোহাগ।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার টইটং গ্রামের মো. সাখাওয়াত হোসেন (২৭) ও বাঁশখালী পৌরসভার মিয়ার বাজার এলাকার বাসিন্দা মো. ইলিয়াস (৪১)।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম ও ওসি (তদন্ত) সুধাংশু শেখর হালদার।

সহকারী পুলিশ সুপার সোহানুর রহমান সোহাগ জানান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামগামী যানবাহনের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে বাঁশখালী প্রধান সড়ক ব্যবহার হয়ে থাকে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার ভোর ৬টায় বাঁশখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জামাল হোসেন নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে থানার গেটের সামনে তল্লাশি অভিযান চালান।

তল্লাশির সময় রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এতে থাকা যাত্রীদের ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে সাখাওয়াত হোসেনের কাছ থেকে দুইটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক এবং ইলিয়াসের ব্যাগ থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা স্বীকার করেছেন, তারা এসব অস্ত্র পেকুয়া উপজেলা থেকে সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে চট্টগ্রামের মইজ্জ্যার টেক এলাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।

বাঁশখালী থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে আনার আবেদন জানানো হবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে।

পুলিশের এমন তৎপরতায় এলাকায় সন্ত্রাস ও অস্ত্র কারবার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান হলো বলে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।