ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

পাকিস্তানের জবাবি হামলায় ভারতের মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • / 399

ছবি সংগৃহীত

 

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা আবারও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ভারতের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী। তিনি জানান, এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪৬ জন পাকিস্তানি নাগরিক।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই হামলাকে “উস্কানিমূলক ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সতর্ক করে বলেছে, এই ঘটনার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  ভয়াবহ যুদ্ধের শঙ্কা, ইরানের পাল্টা হামলা শুরু

অন্যদিকে, ভারতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে শুরু করে পাকিস্তানের কামানের গোলাবর্ষণে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুঞ্চ ও তাংধর এলাকার বেসামরিক এলাকায় অন্তত ১৫ জন নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪৩ জন। ভারতের সেনাবাহিনীর বরাতে বুধবার বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের এই গোলাবর্ষণ ছিল পরিকল্পিত এবং নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো হয়। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে এই সামরিক উত্তেজনা একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে সীমান্তবর্তী জনগণের জীবন দুর্বিষহ করে তুলছে। কয়েক বছর পর এমন সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে মাঝেমধ্যেই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, তবে এবার ব্যাপক হতাহতের কারণে বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্ব পাচ্ছে। কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে এই সংঘর্ষ আরও বড় কোনো সংঘাতে গড়াতে পারে কি না, সে আশঙ্কায়।

এ ঘটনায় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানের জবাবি হামলায় ভারতের মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫

আপডেট সময় ০৬:৪৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

 

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা আবারও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ভারতের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী। তিনি জানান, এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪৬ জন পাকিস্তানি নাগরিক।

পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই হামলাকে “উস্কানিমূলক ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সতর্ক করে বলেছে, এই ঘটনার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলা

অন্যদিকে, ভারতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত থেকে শুরু করে পাকিস্তানের কামানের গোলাবর্ষণে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুঞ্চ ও তাংধর এলাকার বেসামরিক এলাকায় অন্তত ১৫ জন নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৪৩ জন। ভারতের সেনাবাহিনীর বরাতে বুধবার বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের এই গোলাবর্ষণ ছিল পরিকল্পিত এবং নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো হয়। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে এই সামরিক উত্তেজনা একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে সীমান্তবর্তী জনগণের জীবন দুর্বিষহ করে তুলছে। কয়েক বছর পর এমন সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে মাঝেমধ্যেই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, তবে এবার ব্যাপক হতাহতের কারণে বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্ব পাচ্ছে। কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে এই সংঘর্ষ আরও বড় কোনো সংঘাতে গড়াতে পারে কি না, সে আশঙ্কায়।

এ ঘটনায় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং বেসামরিক জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে।