০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি

শীর্ষে সৌদি আরব, দেশে এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৫ কোটি ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • / 175

ছবি সংগৃহীত

 

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৫ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে প্রাপ্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। এই তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ৭ মে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, এপ্রিল মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন সৌদি আরবে কর্মরতরা। দেশটি থেকে এসেছে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার ডলার। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যেখান থেকে এসেছে ৩৭ কোটি ২১ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

তালিকায় আরও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র (৩৩ কোটি ৭ লাখ ৪০ হাজার), যুক্তরাজ্য (২৯ কোটি ৪১ লাখ), মালয়েশিয়া (২১ কোটি ৯ লাখ), কুয়েত (১৬ কোটি ২৭ লাখ ৩০ হাজার), ইতালি (১৫ কোটি ৫ লাখ ৯০ হাজার), ওমান (১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৪০ হাজার), সিঙ্গাপুর (১১ কোটি ৮৫ লাখ ৮০ হাজার) ও কাতার (১০ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার ডলার)।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে বিভিন্ন ব্যাংক চ্যানেলের মাধ্যমে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৯৮ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৬১ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

প্রসঙ্গত, মার্চ মাসে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩২৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার। জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৮ কোটি ৫২ লাখ এবং ফেব্রুয়ারিতে প্রায় ২৫৩ কোটি ডলার।

২০২৪ সালে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার। বছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল তুলনামূলক স্থিতিশীল, তবে মার্চ, মে ও ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল তুলনামূলক বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, হুন্ডির পরিবর্তে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বাড়ায় এ প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং দেশের অর্থনীতিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শীর্ষে সৌদি আরব, দেশে এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৫ কোটি ডলার

আপডেট সময় ১১:৩৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

 

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৭৫ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে প্রাপ্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ। এই তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ৭ মে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, এপ্রিল মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন সৌদি আরবে কর্মরতরা। দেশটি থেকে এসেছে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার ডলার। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যেখান থেকে এসেছে ৩৭ কোটি ২১ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

তালিকায় আরও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র (৩৩ কোটি ৭ লাখ ৪০ হাজার), যুক্তরাজ্য (২৯ কোটি ৪১ লাখ), মালয়েশিয়া (২১ কোটি ৯ লাখ), কুয়েত (১৬ কোটি ২৭ লাখ ৩০ হাজার), ইতালি (১৫ কোটি ৫ লাখ ৯০ হাজার), ওমান (১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৪০ হাজার), সিঙ্গাপুর (১১ কোটি ৮৫ লাখ ৮০ হাজার) ও কাতার (১০ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার ডলার)।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছে বিভিন্ন ব্যাংক চ্যানেলের মাধ্যমে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৯৮ কোটি ৮৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৬১ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

প্রসঙ্গত, মার্চ মাসে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩২৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার। জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৮ কোটি ৫২ লাখ এবং ফেব্রুয়ারিতে প্রায় ২৫৩ কোটি ডলার।

২০২৪ সালে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার। বছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল তুলনামূলক স্থিতিশীল, তবে মার্চ, মে ও ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল তুলনামূলক বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, হুন্ডির পরিবর্তে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বাড়ায় এ প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং দেশের অর্থনীতিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।