ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের

সৌদি ও জর্ডানে অবৈধ নারী শ্রমিকদের বৈধতার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: আসিফ নজরুল।

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 405

ছবি সংগৃহীত

 

সৌদি আরব ও জর্ডানে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের বৈধতার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশই। এরইমধ্যে সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

মঙ্গলবার (৬ মে) সৌদি সফর শেষে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  অন্তর্বর্তী সরকারে এসে অবরুদ্ধ বোধ করছি: ড. আসিফ নজরুল

তিনি বলেন, “গত সফরের সময় আমি সৌদি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে অবৈধ বাংলাদেশি শ্রমিকদের বৈধতার বিষয়ে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। এবার সফরে গিয়ে জেনেছি, তারা ইতোমধ্যে নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে বৈধতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।”

সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড অকুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি কনফারেন্স-এ অংশ নিতে গিয়ে সৌদি মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী (শ্রম) ড. আবদুল্লাহ এন আবুথনাইনের সঙ্গে বৈঠক করেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৈঠকে সৌদি শ্রম বাজারে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অংশগ্রহণ, শ্রমিক কল্যাণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়।

সফরের সময় তিনি জর্ডানের এক মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেন। বৈঠকে জর্ডানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইচ্ছা প্রকাশ করলে দেশটিতে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি শ্রমিকদেরও বৈধতার আওতায় আনা যেতে পারে। এ নিয়ে পরবর্তীতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সৌদি আরবে প্রায় ৬ লাখ বাংলাদেশি নারী শ্রমিক নিয়োগ পেয়েছেন। একই সময়ে জর্ডানে গেছেন ২ লাখ ১১ হাজার নারী শ্রমিক। এই দুটি দেশেই বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের চাহিদা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

বাংলাদেশ সরকার জর্ডানে শুধু নারী নয়, পুরুষ শ্রমিক নিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও অনুরোধ জানিয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, “জর্ডানে বাংলাদেশি শ্রমিকদের দক্ষতা ও কর্মদক্ষতা ভালোভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আমরা চাই, সেখানে আরও বেশি সংখ্যক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হোক।”

সরকারের এমন উদ্যোগে উপকৃত হবেন বিদেশে কর্মরত হাজারো অবৈধ নারী শ্রমিক, যারা দীর্ঘদিন ধরে বৈধতা না পেয়ে নানা সমস্যায় ভুগছেন। এতে বৈধভাবে কাজের সুযোগ যেমন বাড়বে, তেমনি দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহও আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

সৌদি ও জর্ডানে অবৈধ নারী শ্রমিকদের বৈধতার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: আসিফ নজরুল।

আপডেট সময় ০৪:৫৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

সৌদি আরব ও জর্ডানে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের বৈধতার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশই। এরইমধ্যে সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

মঙ্গলবার (৬ মে) সৌদি সফর শেষে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  জর্ডানের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেল এরদোয়ান

তিনি বলেন, “গত সফরের সময় আমি সৌদি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে অবৈধ বাংলাদেশি শ্রমিকদের বৈধতার বিষয়ে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। এবার সফরে গিয়ে জেনেছি, তারা ইতোমধ্যে নারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে বৈধতা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।”

সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড অকুপেশনাল হেলথ অ্যান্ড সেফটি কনফারেন্স-এ অংশ নিতে গিয়ে সৌদি মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী (শ্রম) ড. আবদুল্লাহ এন আবুথনাইনের সঙ্গে বৈঠক করেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৈঠকে সৌদি শ্রম বাজারে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অংশগ্রহণ, শ্রমিক কল্যাণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়।

সফরের সময় তিনি জর্ডানের এক মন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেন। বৈঠকে জর্ডানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইচ্ছা প্রকাশ করলে দেশটিতে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি শ্রমিকদেরও বৈধতার আওতায় আনা যেতে পারে। এ নিয়ে পরবর্তীতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সৌদি আরবে প্রায় ৬ লাখ বাংলাদেশি নারী শ্রমিক নিয়োগ পেয়েছেন। একই সময়ে জর্ডানে গেছেন ২ লাখ ১১ হাজার নারী শ্রমিক। এই দুটি দেশেই বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের চাহিদা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

বাংলাদেশ সরকার জর্ডানে শুধু নারী নয়, পুরুষ শ্রমিক নিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও অনুরোধ জানিয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, “জর্ডানে বাংলাদেশি শ্রমিকদের দক্ষতা ও কর্মদক্ষতা ভালোভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আমরা চাই, সেখানে আরও বেশি সংখ্যক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হোক।”

সরকারের এমন উদ্যোগে উপকৃত হবেন বিদেশে কর্মরত হাজারো অবৈধ নারী শ্রমিক, যারা দীর্ঘদিন ধরে বৈধতা না পেয়ে নানা সমস্যায় ভুগছেন। এতে বৈধভাবে কাজের সুযোগ যেমন বাড়বে, তেমনি দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহও আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।