ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালি ‘বন্ধ’, তেল পরিবহনে কঠোর বার্তা তেহরানের জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন: বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার পাচ্ছে জামায়াত ওমানের মধ্যস্থতার আলোচনার খবর ‘ভিত্তিহীন’: বলছে তেহরান ইরানে হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিনীতি পরিপন্থী: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রাজিল: দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ ও বৈচিত্র্যের শক্তি সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ না দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি ওজন কমানোর ‘গোপন অস্ত্র’ পর্যাপ্ত ঘুম? দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও ইন্টার মিয়ামির অতিমানবিক জয় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়া সংগঠনগুলোর উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ থেকে বিদায়: দায় নিজের কাঁধেই নিলেন শেই হোপ

বরিশাল নার্সিং কলেজে আন্দোলনে হামলা, আহত ৩ শিক্ষার্থী, উত্তপ্ত ক্যাম্পাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৯:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 228

ছবি সংগৃহীত

 

বরিশাল নার্সিং কলেজে চলমান ছয় দফা দাবির আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় কলেজ ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহতদের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন নার্সিং কলেজে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  রাকসু নির্বাচন: ২৫টি বাসে ৭ ধাপে ক্যাম্পাসে আসছেন শিক্ষার্থীরা

জানা গেছে, দেশের নার্সিং শিক্ষার্থীরা বর্তমানে ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে নার্সদের প্রথম শ্রেণির পদে নিয়োগ, ২০ হাজার টাকা ইন্টার্নশিপ ভাতা এবং মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ।

মঙ্গলবার কর্মসূচির অংশ হিসেবে বরিশাল নার্সিং কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা মূল ফটকে তালা লাগিয়ে শাটডাউন কার্যকর করেন। অভিযোগ উঠেছে, ওই সময় কলেজের ইন্সট্রাক্টর ফরিদা বেগমের নেতৃত্বে বোর্ড বেসিক শিক্ষার্থীরা তালা ভাঙার চেষ্টা করেন এবং প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান।

আহতদের একজন, শিক্ষার্থী আয়শা ইসলাম বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে তালা দিয়েছিলাম আন্দোলনের অংশ হিসেবে। কিন্তু ফরিদা ম্যাডাম এসে বাধা দেন এবং একপর্যায়ে তালা ভেঙে ফেলেন। তখন আমরা প্রতিবাদ করলে বোর্ড বেসিকের শিক্ষার্থীরা আমাদের মারধর করে।”

এ ঘটনায় কলেজের দুই ছাত্রীসহ মোট তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থী আহসান হাবিব সিফাত বলেন, “বরিশালে প্রথমবারের মতো নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর শিক্ষকরাই হামলা করেছেন। ফরিদা বেগম নিজেই নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং আন্দোলন থেকে না সরলে পরীক্ষায় ফেল করানোর হুমকি দিয়েছেন।”

এ বিষয়ে শিক্ষকরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। কলেজ প্রশাসনের নিরব ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন নার্সিং কলেজে একই দাবিতে আন্দোলন চলছে এবং বরিশালে এ ধরনের হামলার ঘটনা আন্দোলনকে আরও উসকে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বরিশাল নার্সিং কলেজে আন্দোলনে হামলা, আহত ৩ শিক্ষার্থী, উত্তপ্ত ক্যাম্পাস

আপডেট সময় ০৪:০৯:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

বরিশাল নার্সিং কলেজে চলমান ছয় দফা দাবির আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় কলেজ ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহতদের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন নার্সিং কলেজে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  নারী কমিশনের প্রতিবেদন বাতিলসহ ছয় দফা দাবিতে বরিশালে হেফাজতের বিক্ষোভ

জানা গেছে, দেশের নার্সিং শিক্ষার্থীরা বর্তমানে ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে নার্সদের প্রথম শ্রেণির পদে নিয়োগ, ২০ হাজার টাকা ইন্টার্নশিপ ভাতা এবং মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ।

মঙ্গলবার কর্মসূচির অংশ হিসেবে বরিশাল নার্সিং কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা মূল ফটকে তালা লাগিয়ে শাটডাউন কার্যকর করেন। অভিযোগ উঠেছে, ওই সময় কলেজের ইন্সট্রাক্টর ফরিদা বেগমের নেতৃত্বে বোর্ড বেসিক শিক্ষার্থীরা তালা ভাঙার চেষ্টা করেন এবং প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান।

আহতদের একজন, শিক্ষার্থী আয়শা ইসলাম বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে তালা দিয়েছিলাম আন্দোলনের অংশ হিসেবে। কিন্তু ফরিদা ম্যাডাম এসে বাধা দেন এবং একপর্যায়ে তালা ভেঙে ফেলেন। তখন আমরা প্রতিবাদ করলে বোর্ড বেসিকের শিক্ষার্থীরা আমাদের মারধর করে।”

এ ঘটনায় কলেজের দুই ছাত্রীসহ মোট তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থী আহসান হাবিব সিফাত বলেন, “বরিশালে প্রথমবারের মতো নার্সিং শিক্ষার্থীদের ওপর শিক্ষকরাই হামলা করেছেন। ফরিদা বেগম নিজেই নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং আন্দোলন থেকে না সরলে পরীক্ষায় ফেল করানোর হুমকি দিয়েছেন।”

এ বিষয়ে শিক্ষকরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। কলেজ প্রশাসনের নিরব ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন নার্সিং কলেজে একই দাবিতে আন্দোলন চলছে এবং বরিশালে এ ধরনের হামলার ঘটনা আন্দোলনকে আরও উসকে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।