ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

পর্তুগালে ১৮ হাজার অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 450

ছবি সংগৃহীত

 

পর্তুগালের অন্তর্বর্তী সরকার দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাসরত প্রায় ১৮ হাজার বিদেশিকে বিতাড়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্সির মন্ত্রী আন্তোনিও লেইতাঁও আমারো শনিবার (৩ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় ১৮,০০০ অবৈধ অভিবাসীকে লক্ষ্য করে নোটিশ জারি করা হবে, যাতে তাদের দেশত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া থাকবে। প্রথম ধাপে আগামী সপ্তাহ থেকে প্রায় ৪,৫০০ অভিবাসীকে স্বেচ্ছায় দেশত্যাগের জন্য ২০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হবে। এ উদ্দেশ্যে তাদের ‘স্বেচ্ছা প্রস্থান নোটিশ’ পাঠানো হবে, যা সরাসরি সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে যাবে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের নতুন পরিকল্পনা: অবৈধ অভিবাসীদের সামরিক ঘাঁটিতে আটকের উদ্যোগ

মন্ত্রী আরও জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অবৈধভাবে বসবাসরত অভিবাসীদের আইনি প্রক্রিয়ায় দেশের বাইরে পাঠানো হবে।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে নেওয়া হলো যখন ১৮ মে পর্তুগালে আগাম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চে পার্লামেন্টে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে সংখ্যালঘু সরকার পরাজিত হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনেগ্রো। তিনি বর্তমানে রক্ষণশীল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্বে দেশ পরিচালনা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপজুড়ে অভিবাসন ইস্যু এবং জাতীয়তাবাদী আবেগের উত্থান পর্তুগালের অভ্যন্তরীন রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। কট্টর ডানপন্থী দল ‘চেগা’ গত নির্বাচনে তৃতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়ে চমক সৃষ্টি করায় বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের এই ঘোষণা পরবর্তী ভোটে সরকারপন্থী জনসমর্থনে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই ধরনের পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করতে পারে বলেও অনেকে মনে করছেন। সরকারের এমন সিদ্ধান্ত পর্তুগালের সামাজিক ও মানবিক চিত্রে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পর্তুগালে ১৮ হাজার অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের ঘোষণা

আপডেট সময় ০৩:০৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

পর্তুগালের অন্তর্বর্তী সরকার দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাসরত প্রায় ১৮ হাজার বিদেশিকে বিতাড়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্সির মন্ত্রী আন্তোনিও লেইতাঁও আমারো শনিবার (৩ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় ১৮,০০০ অবৈধ অভিবাসীকে লক্ষ্য করে নোটিশ জারি করা হবে, যাতে তাদের দেশত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া থাকবে। প্রথম ধাপে আগামী সপ্তাহ থেকে প্রায় ৪,৫০০ অভিবাসীকে স্বেচ্ছায় দেশত্যাগের জন্য ২০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হবে। এ উদ্দেশ্যে তাদের ‘স্বেচ্ছা প্রস্থান নোটিশ’ পাঠানো হবে, যা সরাসরি সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে যাবে।

আরও পড়ুন  রোনালদোর রেকর্ড গড়ার ম্যাচে নাটকীয় জয় পর্তুগালের

মন্ত্রী আরও জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অবৈধভাবে বসবাসরত অভিবাসীদের আইনি প্রক্রিয়ায় দেশের বাইরে পাঠানো হবে।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে নেওয়া হলো যখন ১৮ মে পর্তুগালে আগাম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চে পার্লামেন্টে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে সংখ্যালঘু সরকার পরাজিত হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনেগ্রো। তিনি বর্তমানে রক্ষণশীল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্বে দেশ পরিচালনা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপজুড়ে অভিবাসন ইস্যু এবং জাতীয়তাবাদী আবেগের উত্থান পর্তুগালের অভ্যন্তরীন রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। কট্টর ডানপন্থী দল ‘চেগা’ গত নির্বাচনে তৃতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়ে চমক সৃষ্টি করায় বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের এই ঘোষণা পরবর্তী ভোটে সরকারপন্থী জনসমর্থনে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই ধরনের পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করতে পারে বলেও অনেকে মনে করছেন। সরকারের এমন সিদ্ধান্ত পর্তুগালের সামাজিক ও মানবিক চিত্রে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে।