ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা, জানাল আবহাওয়া অফিস স্পেনের পথে ২৭ দিনের সমুদ্রযাত্রা, ৮৩ জনের প্রাণহানি স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বাতিল মালয়েশিয়ার ইরান যুদ্ধের শেষ জানেন না ভ্যান্স রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু

পর্তুগালে ১৮ হাজার অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 548

ছবি সংগৃহীত

 

পর্তুগালের অন্তর্বর্তী সরকার দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাসরত প্রায় ১৮ হাজার বিদেশিকে বিতাড়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্সির মন্ত্রী আন্তোনিও লেইতাঁও আমারো শনিবার (৩ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় ১৮,০০০ অবৈধ অভিবাসীকে লক্ষ্য করে নোটিশ জারি করা হবে, যাতে তাদের দেশত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া থাকবে। প্রথম ধাপে আগামী সপ্তাহ থেকে প্রায় ৪,৫০০ অভিবাসীকে স্বেচ্ছায় দেশত্যাগের জন্য ২০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হবে। এ উদ্দেশ্যে তাদের ‘স্বেচ্ছা প্রস্থান নোটিশ’ পাঠানো হবে, যা সরাসরি সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে যাবে।

আরও পড়ুন  পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেলেন আন্তোনিও জোসে সেগুরো

মন্ত্রী আরও জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অবৈধভাবে বসবাসরত অভিবাসীদের আইনি প্রক্রিয়ায় দেশের বাইরে পাঠানো হবে।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে নেওয়া হলো যখন ১৮ মে পর্তুগালে আগাম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চে পার্লামেন্টে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে সংখ্যালঘু সরকার পরাজিত হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনেগ্রো। তিনি বর্তমানে রক্ষণশীল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্বে দেশ পরিচালনা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপজুড়ে অভিবাসন ইস্যু এবং জাতীয়তাবাদী আবেগের উত্থান পর্তুগালের অভ্যন্তরীন রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। কট্টর ডানপন্থী দল ‘চেগা’ গত নির্বাচনে তৃতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়ে চমক সৃষ্টি করায় বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের এই ঘোষণা পরবর্তী ভোটে সরকারপন্থী জনসমর্থনে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই ধরনের পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করতে পারে বলেও অনেকে মনে করছেন। সরকারের এমন সিদ্ধান্ত পর্তুগালের সামাজিক ও মানবিক চিত্রে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পর্তুগালে ১৮ হাজার অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের ঘোষণা

আপডেট সময় ০৩:০৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

পর্তুগালের অন্তর্বর্তী সরকার দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাসরত প্রায় ১৮ হাজার বিদেশিকে বিতাড়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্সির মন্ত্রী আন্তোনিও লেইতাঁও আমারো শনিবার (৩ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় ১৮,০০০ অবৈধ অভিবাসীকে লক্ষ্য করে নোটিশ জারি করা হবে, যাতে তাদের দেশত্যাগের নির্দেশনা দেওয়া থাকবে। প্রথম ধাপে আগামী সপ্তাহ থেকে প্রায় ৪,৫০০ অভিবাসীকে স্বেচ্ছায় দেশত্যাগের জন্য ২০ দিনের সময়সীমা দেওয়া হবে। এ উদ্দেশ্যে তাদের ‘স্বেচ্ছা প্রস্থান নোটিশ’ পাঠানো হবে, যা সরাসরি সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে যাবে।

আরও পড়ুন  ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিলো পর্তুগাল

মন্ত্রী আরও জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অবৈধভাবে বসবাসরত অভিবাসীদের আইনি প্রক্রিয়ায় দেশের বাইরে পাঠানো হবে।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ এমন এক সময়ে নেওয়া হলো যখন ১৮ মে পর্তুগালে আগাম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। চলতি বছরের মার্চে পার্লামেন্টে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে সংখ্যালঘু সরকার পরাজিত হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টিনেগ্রো। তিনি বর্তমানে রক্ষণশীল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃত্বে দেশ পরিচালনা করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপজুড়ে অভিবাসন ইস্যু এবং জাতীয়তাবাদী আবেগের উত্থান পর্তুগালের অভ্যন্তরীন রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। কট্টর ডানপন্থী দল ‘চেগা’ গত নির্বাচনে তৃতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়ে চমক সৃষ্টি করায় বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের এই ঘোষণা পরবর্তী ভোটে সরকারপন্থী জনসমর্থনে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই ধরনের পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করতে পারে বলেও অনেকে মনে করছেন। সরকারের এমন সিদ্ধান্ত পর্তুগালের সামাজিক ও মানবিক চিত্রে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে দেবে।