ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী

উত্তপ্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: রেজিস্ট্রারের দপ্তরে তালা, ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে জিডি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 312

ছবি সংগৃহীত

 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রারের দপ্তরে তালা দেওয়াসহ অশ্লীল স্লোগান দিয়ে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সহকারী রেজিস্ট্রার কে এম সানোয়ার পারভেজ লিটন বন্দর থানায় এই জিডি করেন।

জানা গেছে, রেজিস্ট্রারের অপসারণসহ চার দাবিতে শিক্ষার্থীরা গত ২২ এপ্রিল থেকে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই দাবিতে রবিবার (২৭ এপ্রিল) রেজিস্ট্রারের কুশপুতুল দাহ করেন এবং তার দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন  ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকাডুবি: নিখোঁজ আরও দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

জিডিতে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন- ইংরেজি বিভাগের রাকিন, এনামুল হক, তরিকুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান, সাংবাদিকতা বিভাগের নাজমুল ঢালী, লোকপ্রশাসনের মোকাব্বেল শেখ, আইন বিভাগের তরিক হোসেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সিহাব, কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের স্বপ্নীল অপূর্ব রকি এবং রসায়ন বিভাগের রফিকুল ইসলাম। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন শিক্ষার্থীকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবাদস্বরূপ শিক্ষার্থীরা সোমবার রাতে চার দফা দাবিতে মশাল মিছিলের আয়োজন করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম ভোলার মনপুরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি এবং তিনি ২০১১ সালের জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতাকারীদের একজন। তার অপসারণসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলন চলছে। দাবিগুলো হলো- ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মুহসিন উদ্দিনের বিরুদ্ধে অপবাদ প্রত্যাহার ও পুনর্বহাল, রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামের অপসারণ, ফ্যাসিবাদী শিক্ষকদের লাভজনক কমিটি থেকে অপসারণ এবং এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের পুনর্বাসনের দায়ে উপাচার্যের প্রকাশ্য ক্ষমা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, উপাচার্য অধ্যাপক শুচিতা শরমিনকে দুই দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হলেও তিনি তা উপেক্ষা করেছেন। রেজিস্ট্রার অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তালা খোলা হবে না বলেও তারা জানান।

সাবেক ছাত্রদল নেতা মোশারফ হোসেন ও রাকিন খান বলেন, ‘প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবি মানছে না বলেই তালা দিতে বাধ্য হয়েছি। ১২ ঘণ্টার মধ্যে রেজিস্ট্রারকে অপসারণ করতে হবে, নইলে আন্দোলন চলবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মামুন অর রশিদ বলেন, ‘এই সমস্যার সমাধান উপাচার্যের হাতেই।’

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘উপাচার্য আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত বিষয়টির সমাধান করতে পারেন।’

এ বিষয়ে উপাচার্য শুচিতা শরমিন বলেন, ‘তালা দেওয়ার বিষয়টি জেনেছি। গুটি কয়েক শিক্ষার্থী এ কাজ করেছে, তাদের সবার পরিচয় জানা, ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

উত্তপ্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: রেজিস্ট্রারের দপ্তরে তালা, ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে জিডি

আপডেট সময় ০৪:২৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

 

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রারের দপ্তরে তালা দেওয়াসহ অশ্লীল স্লোগান দিয়ে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সোমবার (২৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সহকারী রেজিস্ট্রার কে এম সানোয়ার পারভেজ লিটন বন্দর থানায় এই জিডি করেন।

জানা গেছে, রেজিস্ট্রারের অপসারণসহ চার দাবিতে শিক্ষার্থীরা গত ২২ এপ্রিল থেকে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই দাবিতে রবিবার (২৭ এপ্রিল) রেজিস্ট্রারের কুশপুতুল দাহ করেন এবং তার দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন  শিক্ষার্থীদের পানির বোতল ছোঁড়া ঘটনায় হতাশা প্রকাশ উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের

জিডিতে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন- ইংরেজি বিভাগের রাকিন, এনামুল হক, তরিকুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান, সাংবাদিকতা বিভাগের নাজমুল ঢালী, লোকপ্রশাসনের মোকাব্বেল শেখ, আইন বিভাগের তরিক হোসেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সিহাব, কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের স্বপ্নীল অপূর্ব রকি এবং রসায়ন বিভাগের রফিকুল ইসলাম। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন শিক্ষার্থীকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবাদস্বরূপ শিক্ষার্থীরা সোমবার রাতে চার দফা দাবিতে মশাল মিছিলের আয়োজন করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম ভোলার মনপুরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি এবং তিনি ২০১১ সালের জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতাকারীদের একজন। তার অপসারণসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলন চলছে। দাবিগুলো হলো- ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মুহসিন উদ্দিনের বিরুদ্ধে অপবাদ প্রত্যাহার ও পুনর্বহাল, রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামের অপসারণ, ফ্যাসিবাদী শিক্ষকদের লাভজনক কমিটি থেকে অপসারণ এবং এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের পুনর্বাসনের দায়ে উপাচার্যের প্রকাশ্য ক্ষমা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, উপাচার্য অধ্যাপক শুচিতা শরমিনকে দুই দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হলেও তিনি তা উপেক্ষা করেছেন। রেজিস্ট্রার অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তালা খোলা হবে না বলেও তারা জানান।

সাবেক ছাত্রদল নেতা মোশারফ হোসেন ও রাকিন খান বলেন, ‘প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবি মানছে না বলেই তালা দিতে বাধ্য হয়েছি। ১২ ঘণ্টার মধ্যে রেজিস্ট্রারকে অপসারণ করতে হবে, নইলে আন্দোলন চলবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক মামুন অর রশিদ বলেন, ‘এই সমস্যার সমাধান উপাচার্যের হাতেই।’

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘উপাচার্য আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত বিষয়টির সমাধান করতে পারেন।’

এ বিষয়ে উপাচার্য শুচিতা শরমিন বলেন, ‘তালা দেওয়ার বিষয়টি জেনেছি। গুটি কয়েক শিক্ষার্থী এ কাজ করেছে, তাদের সবার পরিচয় জানা, ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’