ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

রায়পুরে স্বেচ্ছাসেবকদল কর্মী হত্যায় বিএনপি নেতাকর্মীসহ ১৪ জন গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০৯:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 308

ছবি: সংগৃহীত

 

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্বেচ্ছাসেবকদল কর্মী জসিম উদ্দিন বেপারী হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১৪ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর পল্টনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

রায়পুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জামিলুল হক জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  জরুরি চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক গেলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম হোসেন গাজী, উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য আবুল খায়ের গাজী, যুবদল নেতা সিদ্দিক আলী দেওয়ান, সাবেক যুবদল নেতা সোলায়মান দেওয়ান, বিএনপি নেতা হানিফ দেওয়ান, হারুন বকসি, ছাত্রদল নেতা শাহাদাত গাজী এবং আরও আটজন বিএনপিকর্মী।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৭ এপ্রিল বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন জসিম উদ্দিন বেপারী। কৃষকদল নেতা জিএম শামীম ও মোস্তফা গাজীর অনুসারীরা তাকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে জখম করে। পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ এপ্রিল তিনি মারা যান।

জসিমের বাবা ফজল করিম বেপারী ১৬ এপ্রিল রায়পুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৪৮ জনের নাম উল্লেখসহ মোট ১২৮ জনকে আসামি করা হয়। নিহত জসিম ছিলেন ঢালাই শ্রমিক এবং স্থানীয়ভাবে ফারুক কবিরাজের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

প্রসঙ্গত, ৭ এপ্রিল আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রায়পুরে দুই বিএনপি গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে স্পেন প্রবাসী সাইজ উদ্দিন দেওয়ান নিহত হন। ওই দিন সংঘর্ষে দুইজন প্রাণ হারান এবং অন্তত ৩০ জন আহত হন। এছাড়া ১৫টি ঘরবাড়ি, দোকানপাটে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের মতে, রায়পুরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যমান। সাম্প্রতিক এই সহিংসতায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রায়পুরে স্বেচ্ছাসেবকদল কর্মী হত্যায় বিএনপি নেতাকর্মীসহ ১৪ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০২:০৯:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

 

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্বেচ্ছাসেবকদল কর্মী জসিম উদ্দিন বেপারী হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১৪ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর পল্টনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

রায়পুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জামিলুল হক জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের বৈঠক

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম হোসেন গাজী, উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য আবুল খায়ের গাজী, যুবদল নেতা সিদ্দিক আলী দেওয়ান, সাবেক যুবদল নেতা সোলায়মান দেওয়ান, বিএনপি নেতা হানিফ দেওয়ান, হারুন বকসি, ছাত্রদল নেতা শাহাদাত গাজী এবং আরও আটজন বিএনপিকর্মী।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৭ এপ্রিল বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন জসিম উদ্দিন বেপারী। কৃষকদল নেতা জিএম শামীম ও মোস্তফা গাজীর অনুসারীরা তাকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে জখম করে। পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ এপ্রিল তিনি মারা যান।

জসিমের বাবা ফজল করিম বেপারী ১৬ এপ্রিল রায়পুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৪৮ জনের নাম উল্লেখসহ মোট ১২৮ জনকে আসামি করা হয়। নিহত জসিম ছিলেন ঢালাই শ্রমিক এবং স্থানীয়ভাবে ফারুক কবিরাজের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

প্রসঙ্গত, ৭ এপ্রিল আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রায়পুরে দুই বিএনপি গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে স্পেন প্রবাসী সাইজ উদ্দিন দেওয়ান নিহত হন। ওই দিন সংঘর্ষে দুইজন প্রাণ হারান এবং অন্তত ৩০ জন আহত হন। এছাড়া ১৫টি ঘরবাড়ি, দোকানপাটে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের মতে, রায়পুরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যমান। সাম্প্রতিক এই সহিংসতায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।