ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

গাজায় যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাব: কাতার ও মিসরের উদ্যোগে আলোচনা তৎপরতা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 416

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজায় ইসরায়েল-হামাস সংঘাত নিরসনে কাতার ও মিসর নতুন এক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবে পাঁচ থেকে সাত বছর মেয়াদি শান্তিচুক্তির প্রস্তাব থাকলেও এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফিলিস্তিনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, প্রস্তাব অনুযায়ী, গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সেনা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করবে এবং হামাসও তাদের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি দেবে। বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি সব ফিলিস্তিনি মুক্তি পাবে।

এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে হামাসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কায়রো যাচ্ছেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকবেন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দারবিশ এবং প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়া। তবে এই প্রস্তাবের ব্যাপারে ইসরায়েল এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

আরও পড়ুন  গাজায় নিজেদের ছোড়া ভূল গুলিতে নিহত ৩১ ইসরাইলি সেনা

এর আগে জানুয়ারির ১৯ তারিখ গাজায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, যা মার্চের ১৮ তারিখ ভেঙে ইসরায়েল আবার হামলা শুরু করে। ইসরায়েল সম্প্রতি ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির শর্তে হামাসের নিরস্ত্রীকরণের প্রস্তাব দিয়েছিল, যা হামাস প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদিকে, গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে একটি চুক্তিতে সম্মত হতে হামাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, “গাজায় ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ এবং জিম্মিদের মুক্তির জন্য একটি চুক্তি জরুরি। ত্রাণ যেন হামাসের হাতে পড়ে সাধারণ মানুষের জন্য অপব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়েও নিশ্চয়তা প্রয়োজন।”

যুক্তরাষ্ট্রের মতে, জিম্মিদের মুক্তি এবং মানবিক সহায়তার প্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত একটি চুক্তিতে পৌঁছানো উচিত। তবে এই নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথে কতটা অগ্রগতি হবে, তা নির্ভর করছে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে আলোচনার ফলাফলের ওপর।

গাজায় চলমান এই সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক মহলের চাপ বাড়ছে। কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় যে নতুন প্রস্তাব এসেছে, তা যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাব: কাতার ও মিসরের উদ্যোগে আলোচনা তৎপরতা

আপডেট সময় ০৯:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজায় ইসরায়েল-হামাস সংঘাত নিরসনে কাতার ও মিসর নতুন এক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবে পাঁচ থেকে সাত বছর মেয়াদি শান্তিচুক্তির প্রস্তাব থাকলেও এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফিলিস্তিনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, প্রস্তাব অনুযায়ী, গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সেনা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করবে এবং হামাসও তাদের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তি দেবে। বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি সব ফিলিস্তিনি মুক্তি পাবে।

এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে হামাসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কায়রো যাচ্ছেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকবেন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দারবিশ এবং প্রধান আলোচক খলিল আল-হায়া। তবে এই প্রস্তাবের ব্যাপারে ইসরায়েল এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।

আরও পড়ুন  গাজায় ফের রক্তগঙ্গা, ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬৪ জন

এর আগে জানুয়ারির ১৯ তারিখ গাজায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, যা মার্চের ১৮ তারিখ ভেঙে ইসরায়েল আবার হামলা শুরু করে। ইসরায়েল সম্প্রতি ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির শর্তে হামাসের নিরস্ত্রীকরণের প্রস্তাব দিয়েছিল, যা হামাস প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদিকে, গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে একটি চুক্তিতে সম্মত হতে হামাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হুকাবি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, “গাজায় ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ এবং জিম্মিদের মুক্তির জন্য একটি চুক্তি জরুরি। ত্রাণ যেন হামাসের হাতে পড়ে সাধারণ মানুষের জন্য অপব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়েও নিশ্চয়তা প্রয়োজন।”

যুক্তরাষ্ট্রের মতে, জিম্মিদের মুক্তি এবং মানবিক সহায়তার প্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দ্রুত একটি চুক্তিতে পৌঁছানো উচিত। তবে এই নতুন প্রস্তাব বাস্তবায়নের পথে কতটা অগ্রগতি হবে, তা নির্ভর করছে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে আলোচনার ফলাফলের ওপর।

গাজায় চলমান এই সহিংসতা বন্ধে আন্তর্জাতিক মহলের চাপ বাড়ছে। কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় যে নতুন প্রস্তাব এসেছে, তা যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।