০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত যুব বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আফগানিস্তানের বিদায়, ফয়সালের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি কীর্তি
ইসলামের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত

মহানবী (সাঃ)-এর বিদায় হজ:

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 122

ছবি সংগৃহীত

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং স্মরণীয় ঘটনা হলো বিদায় হজ। এটি ইসলামের চূড়ান্ত পরিপূর্ণতার প্রতীক এবং মানবজাতির জন্য মহানবীর (সাঃ) অমর বার্তা। বিদায় হজ অনুষ্ঠিত হয় ১০ হিজরির জিলহজ মাসে, যখন মহানবী (সাঃ) তাঁর জীবনের শেষ হজ সম্পন্ন করেন। বিদায় হজের সময় প্রিয় নবী (সাঃ) ১ লাখ ২৪ হাজার সাহাবির সামনে একটি অসামান্য ভাষণ প্রদান করেন, যা ইসলামের সার্বজনীন নীতিমালার সারসংক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ভাষণটি আরাফাতের ময়দানে দেওয়া হয়েছিল এবং এটিই তাঁর জীবনের শেষ খুতবা। এ খুতবায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) মানবাধিকার, নারী অধিকার, অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার, এবং ইসলামের মূলনীতি নিয়ে কথা বলেন।

মহানবী (সাঃ) বলেন, “তোমাদের জীবনের, সম্পদের ও সম্মানের ওপর অন্য কারো অধিকার নেই, যেমন পবিত্র এই দিন, এই মাস এবং এই স্থানের মতো পবিত্র। নারী ও পুরুষ একে অপরের প্রতি দায়িত্বশীল এবং কেউ কারো প্রতি অন্যায় করবে না। আল্লাহর কাছে সমগ্র মানবজাতি এক এবং কারো বংশগৌরব অন্যের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রদানের মানদণ্ড নয়।”

বিদায় হজের সময় মহানবী (সাঃ) কুরআনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়াত নাজিল করেন: “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করেছি এবং তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ পূর্ণ করেছি।” (সুরা মায়িদা, ৫:৩)।

বিদায় হজের মাধ্যমে তিনি মানবজাতিকে এক নতুন দিশা দিয়েছেন এবং চিরতরে এ বার্তা দিয়ে গেছেন যে ইসলাম সাম্য, ন্যায়বিচার এবং কল্যাণের ধর্ম। এই স্মরণীয় ঘটনা প্রতিটি মুসলমানের জীবনে শিক্ষা এবং অনুপ্রেরণার উৎস।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসলামের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত

মহানবী (সাঃ)-এর বিদায় হজ:

আপডেট সময় ০১:২৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং স্মরণীয় ঘটনা হলো বিদায় হজ। এটি ইসলামের চূড়ান্ত পরিপূর্ণতার প্রতীক এবং মানবজাতির জন্য মহানবীর (সাঃ) অমর বার্তা। বিদায় হজ অনুষ্ঠিত হয় ১০ হিজরির জিলহজ মাসে, যখন মহানবী (সাঃ) তাঁর জীবনের শেষ হজ সম্পন্ন করেন। বিদায় হজের সময় প্রিয় নবী (সাঃ) ১ লাখ ২৪ হাজার সাহাবির সামনে একটি অসামান্য ভাষণ প্রদান করেন, যা ইসলামের সার্বজনীন নীতিমালার সারসংক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ ভাষণটি আরাফাতের ময়দানে দেওয়া হয়েছিল এবং এটিই তাঁর জীবনের শেষ খুতবা। এ খুতবায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) মানবাধিকার, নারী অধিকার, অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার, এবং ইসলামের মূলনীতি নিয়ে কথা বলেন।

মহানবী (সাঃ) বলেন, “তোমাদের জীবনের, সম্পদের ও সম্মানের ওপর অন্য কারো অধিকার নেই, যেমন পবিত্র এই দিন, এই মাস এবং এই স্থানের মতো পবিত্র। নারী ও পুরুষ একে অপরের প্রতি দায়িত্বশীল এবং কেউ কারো প্রতি অন্যায় করবে না। আল্লাহর কাছে সমগ্র মানবজাতি এক এবং কারো বংশগৌরব অন্যের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রদানের মানদণ্ড নয়।”

বিদায় হজের সময় মহানবী (সাঃ) কুরআনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়াত নাজিল করেন: “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করেছি এবং তোমাদের প্রতি আমার অনুগ্রহ পূর্ণ করেছি।” (সুরা মায়িদা, ৫:৩)।

বিদায় হজের মাধ্যমে তিনি মানবজাতিকে এক নতুন দিশা দিয়েছেন এবং চিরতরে এ বার্তা দিয়ে গেছেন যে ইসলাম সাম্য, ন্যায়বিচার এবং কল্যাণের ধর্ম। এই স্মরণীয় ঘটনা প্রতিটি মুসলমানের জীবনে শিক্ষা এবং অনুপ্রেরণার উৎস।