ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা

জলবায়ু সংকটে একসঙ্গে কাজের আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 445

ছবি সংগৃহীত

 

জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনুস। জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

সোমবার (২১ এপ্রিল) ব্যাংককে আয়োজিত এ সম্মেলনে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল সরাসরি অংশগ্রহণ করে। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দেশের বর্তমান অবস্থান তুলে ধরেন ড. ইউনুস।

আরও পড়ুন  রোববার ইতালি যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

তিনি বলেন, “একটি স্বৈরশাসনের অধীনে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারে অন্তর্বর্তী সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। আমরা একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় রয়েছি।”

প্রধান উপদেষ্টা জানান, দেশের সার্বিক সংস্কার কার্যক্রমের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জলবায়ু সহনশীল নগর উন্নয়ন। এই লক্ষ্যে সরকার পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে যা টেকসই উন্নয়নের পথকে মজবুত করবে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঘনঘন বন্যা, জলোচ্ছ্বাসসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় কেবল জাতীয় পর্যায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট নয় এখানে প্রয়োজন যৌথ আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা।

ড. ইউনুস বিশেষভাবে জোর দেন ‘সামাজিক ব্যবসা’ প্রসঙ্গে। তিনি বলেন, গ্রামীণ অঞ্চলে যেমন সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে দারিদ্র্য কমানো সম্ভব হয়েছে, তেমনি শহরেও এই মডেল কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব। দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি এটি জলবায়ু সংকট মোকাবিলার একটি টেকসই পথ হতে পারে বলেও মত দেন তিনি।

বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার বৈশ্বিক সংকটে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে, যেখানে মানবিক উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষা পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছে।”

ড. ইউনুসের এ বক্তব্য বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অঙ্গীকার এবং বাস্তব পদক্ষেপের প্রতিফলন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

জলবায়ু সংকটে একসঙ্গে কাজের আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০১:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

 

জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনুস। জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এই আহ্বান জানান।

সোমবার (২১ এপ্রিল) ব্যাংককে আয়োজিত এ সম্মেলনে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল সরাসরি অংশগ্রহণ করে। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দেশের বর্তমান অবস্থান তুলে ধরেন ড. ইউনুস।

আরও পড়ুন  আধুনিক কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের বিশেষ রোডম্যাপ

তিনি বলেন, “একটি স্বৈরশাসনের অধীনে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারে অন্তর্বর্তী সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। আমরা একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় রয়েছি।”

প্রধান উপদেষ্টা জানান, দেশের সার্বিক সংস্কার কার্যক্রমের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জলবায়ু সহনশীল নগর উন্নয়ন। এই লক্ষ্যে সরকার পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে যা টেকসই উন্নয়নের পথকে মজবুত করবে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঘনঘন বন্যা, জলোচ্ছ্বাসসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় কেবল জাতীয় পর্যায়ের উদ্যোগ যথেষ্ট নয় এখানে প্রয়োজন যৌথ আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা।

ড. ইউনুস বিশেষভাবে জোর দেন ‘সামাজিক ব্যবসা’ প্রসঙ্গে। তিনি বলেন, গ্রামীণ অঞ্চলে যেমন সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে দারিদ্র্য কমানো সম্ভব হয়েছে, তেমনি শহরেও এই মডেল কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব। দারিদ্র্য বিমোচনের পাশাপাশি এটি জলবায়ু সংকট মোকাবিলার একটি টেকসই পথ হতে পারে বলেও মত দেন তিনি।

বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার বৈশ্বিক সংকটে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে, যেখানে মানবিক উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষা পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছে।”

ড. ইউনুসের এ বক্তব্য বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অঙ্গীকার এবং বাস্তব পদক্ষেপের প্রতিফলন বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।