ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামায়াতের নারী সংসদ সদস্য হচ্ছেন যারা টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ক্রিমিয়ায় রুশ নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 238

ছবি সংগৃহীত

 

 

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ থামাতে নতুন শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে ক্রিমিয়া উপদ্বীপে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ স্বীকৃতি দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। এ বিষয়ে অবগত একজন মার্কিন কর্মকর্তা সম্প্রতি সিএনএনকে জানান, ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রস্তাবনায় রাশিয়ার অবস্থানকে কিছুটা স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তপ্ত বৈঠকের পর সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের প্রস্তাব ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার প্যারিসে ইউরোপীয় এবং ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই প্রস্তাবের খসড়া তুলে ধরেছে ওয়াশিংটন। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যেসব এলাকা বর্তমানে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেগুলো ধরে নিয়েই যুদ্ধবিরতির একটি কাঠামো তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করে তা রাশিয়ার ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করে মস্কো। এরপর থেকেই অঞ্চলটি রুশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে পশ্চিমা বিশ্ব এবং ইউক্রেন এটি কখনোই বৈধভাবে মেনে নেয়নি।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসনের পর যুদ্ধ ভয়াবহ রূপ নেয়। একই সঙ্গে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খারসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলগুলোকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে মস্কো। আন্তর্জাতিকভাবে এসব সংযুক্তি এখনো স্বীকৃত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রস্তাবে ক্রিমিয়া নিয়ে নমনীয় অবস্থানের খবর প্রকাশের পর ইউক্রেন সরকার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সিএনএন সূত্র জানায়, এই প্রস্তাব নিয়ে এরই মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোঁজার এই উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়েই দেখা উচিত।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রস্তাব ইউক্রেনের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। কারণ, এটি রাশিয়ার দখলকৃত অঞ্চলকে পরোক্ষভাবে বৈধতা দেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। তবে দীর্ঘদিনের এই যুদ্ধের অবসানে যদি কোনো স্থায়ী সমাধানের পথ খোলা যায়, তবে তা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতির জন্য বড় একটি মোড় হয়ে উঠতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ক্রিমিয়ায় রুশ নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ০৯:৫৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

 

 

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ থামাতে নতুন শান্তি প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে ক্রিমিয়া উপদ্বীপে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ স্বীকৃতি দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে। এ বিষয়ে অবগত একজন মার্কিন কর্মকর্তা সম্প্রতি সিএনএনকে জানান, ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রস্তাবনায় রাশিয়ার অবস্থানকে কিছুটা স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনকে রক্ষা করতে যুক্তরাজ্যের ‘কোয়ালিশন অব উইলিং’ জোট গড়ার আহ্বান

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার প্যারিসে ইউরোপীয় এবং ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই প্রস্তাবের খসড়া তুলে ধরেছে ওয়াশিংটন। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যেসব এলাকা বর্তমানে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেগুলো ধরে নিয়েই যুদ্ধবিরতির একটি কাঠামো তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করে তা রাশিয়ার ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করে মস্কো। এরপর থেকেই অঞ্চলটি রুশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে পশ্চিমা বিশ্ব এবং ইউক্রেন এটি কখনোই বৈধভাবে মেনে নেয়নি।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসনের পর যুদ্ধ ভয়াবহ রূপ নেয়। একই সঙ্গে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খারসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলগুলোকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে মস্কো। আন্তর্জাতিকভাবে এসব সংযুক্তি এখনো স্বীকৃত নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রস্তাবে ক্রিমিয়া নিয়ে নমনীয় অবস্থানের খবর প্রকাশের পর ইউক্রেন সরকার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সিএনএন সূত্র জানায়, এই প্রস্তাব নিয়ে এরই মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোঁজার এই উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়েই দেখা উচিত।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের প্রস্তাব ইউক্রেনের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। কারণ, এটি রাশিয়ার দখলকৃত অঞ্চলকে পরোক্ষভাবে বৈধতা দেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। তবে দীর্ঘদিনের এই যুদ্ধের অবসানে যদি কোনো স্থায়ী সমাধানের পথ খোলা যায়, তবে তা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতির জন্য বড় একটি মোড় হয়ে উঠতে পারে।