ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

গা/জা/য় মানবিক সাহায্য বন্ধের ঘোষণা, ই*স*রা*য়েলি হামলায় নিহত আরও ১১

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 289

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় মানবিক সাহায্যের প্রবেশে কড়াকড়ি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, গাজায় কোনো সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না এবং এটি হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করার একটি কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এদিকে, গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে আরও অন্তত ১১ জন।

চিকিৎসা-সেবায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক একটি সংস্থা জানিয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন হামলায় গাজা এখন এক ‘বৃহৎ গণকবরে’ পরিণত হয়েছে। গত ১৮ মার্চ থেকে গাজা উপত্যকার ওপর আবারও বিমান ও স্থলপথে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

আরও পড়ুন  ইরানে বিজ্ঞানীদের উপর হামলা: ১২ দিনে ১৪ জন নিহত, দাবি ইসরায়েলের

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গালান্ত বলেন, “গাজায় কোনো মানবিক সহায়তা প্রবেশের জন্য আমরা প্রস্তুত নই। সেখানকার অধিবাসীদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে হামাস। তাই কোনোভাবেই এই সহায়তা পৌঁছানোর অনুমতি দেওয়া হবে না।”

গেল ২ মার্চ থেকে গাজার সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই উপত্যকায় খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় সব রসদের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মানবিক বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাসের হাতে আটক থাকা ৫৮ জন জিম্মির মুক্তির জন্য ‘সামরিক চাপই একমাত্র উপায়’। তিনি ঘোষণা দেন, “হামাসকে একের পর এক আঘাত করা হবে। আমাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতেই হবে।”

ইসরায়েল পুরো গাজার উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহের পথগুলো আটকে রেখেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলায় আরও এক হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ২৫ জনে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বারবার গাজায় সহায়তা পৌঁছানোর আহ্বান জানালেও ইসরায়েলের অবস্থান অনড়। গাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন, আর আন্তর্জাতিক মহল এই পরিস্থিতিকে ‘মানবিক বিপর্যয়’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

সূত্র: এএফপি

নিউজটি শেয়ার করুন

গা/জা/য় মানবিক সাহায্য বন্ধের ঘোষণা, ই*স*রা*য়েলি হামলায় নিহত আরও ১১

আপডেট সময় ০১:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজায় মানবিক সাহায্যের প্রবেশে কড়াকড়ি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, গাজায় কোনো সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না এবং এটি হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করার একটি কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এদিকে, গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে আরও অন্তত ১১ জন।

চিকিৎসা-সেবায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক একটি সংস্থা জানিয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন হামলায় গাজা এখন এক ‘বৃহৎ গণকবরে’ পরিণত হয়েছে। গত ১৮ মার্চ থেকে গাজা উপত্যকার ওপর আবারও বিমান ও স্থলপথে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

আরও পড়ুন  গাজার অবরোধ: ইসরায়েলি হামলায় ৬২ ফিলিস্তিনির প্রাণহানী

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গালান্ত বলেন, “গাজায় কোনো মানবিক সহায়তা প্রবেশের জন্য আমরা প্রস্তুত নই। সেখানকার অধিবাসীদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে হামাস। তাই কোনোভাবেই এই সহায়তা পৌঁছানোর অনুমতি দেওয়া হবে না।”

গেল ২ মার্চ থেকে গাজার সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই উপত্যকায় খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় সব রসদের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মানবিক বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাসের হাতে আটক থাকা ৫৮ জন জিম্মির মুক্তির জন্য ‘সামরিক চাপই একমাত্র উপায়’। তিনি ঘোষণা দেন, “হামাসকে একের পর এক আঘাত করা হবে। আমাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতেই হবে।”

ইসরায়েল পুরো গাজার উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহের পথগুলো আটকে রেখেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলায় আরও এক হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ২৫ জনে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বারবার গাজায় সহায়তা পৌঁছানোর আহ্বান জানালেও ইসরায়েলের অবস্থান অনড়। গাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন, আর আন্তর্জাতিক মহল এই পরিস্থিতিকে ‘মানবিক বিপর্যয়’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

সূত্র: এএফপি