ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

গা/জা/য় মানবিক সাহায্য বন্ধের ঘোষণা, ই*স*রা*য়েলি হামলায় নিহত আরও ১১

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 386

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় মানবিক সাহায্যের প্রবেশে কড়াকড়ি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, গাজায় কোনো সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না এবং এটি হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করার একটি কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এদিকে, গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে আরও অন্তত ১১ জন।

চিকিৎসা-সেবায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক একটি সংস্থা জানিয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন হামলায় গাজা এখন এক ‘বৃহৎ গণকবরে’ পরিণত হয়েছে। গত ১৮ মার্চ থেকে গাজা উপত্যকার ওপর আবারও বিমান ও স্থলপথে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

আরও পড়ুন  ইসরায়েল টিকটক নিষেধাজ্ঞা: মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাবের পেছনে দেশটির ভূমিকা

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গালান্ত বলেন, “গাজায় কোনো মানবিক সহায়তা প্রবেশের জন্য আমরা প্রস্তুত নই। সেখানকার অধিবাসীদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে হামাস। তাই কোনোভাবেই এই সহায়তা পৌঁছানোর অনুমতি দেওয়া হবে না।”

গেল ২ মার্চ থেকে গাজার সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই উপত্যকায় খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় সব রসদের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মানবিক বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাসের হাতে আটক থাকা ৫৮ জন জিম্মির মুক্তির জন্য ‘সামরিক চাপই একমাত্র উপায়’। তিনি ঘোষণা দেন, “হামাসকে একের পর এক আঘাত করা হবে। আমাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতেই হবে।”

ইসরায়েল পুরো গাজার উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহের পথগুলো আটকে রেখেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলায় আরও এক হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ২৫ জনে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বারবার গাজায় সহায়তা পৌঁছানোর আহ্বান জানালেও ইসরায়েলের অবস্থান অনড়। গাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন, আর আন্তর্জাতিক মহল এই পরিস্থিতিকে ‘মানবিক বিপর্যয়’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

সূত্র: এএফপি

নিউজটি শেয়ার করুন

গা/জা/য় মানবিক সাহায্য বন্ধের ঘোষণা, ই*স*রা*য়েলি হামলায় নিহত আরও ১১

আপডেট সময় ০১:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজায় মানবিক সাহায্যের প্রবেশে কড়াকড়ি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, গাজায় কোনো সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না এবং এটি হামাসের ওপর চাপ সৃষ্টি করার একটি কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এদিকে, গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে আরও অন্তত ১১ জন।

চিকিৎসা-সেবায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক একটি সংস্থা জানিয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন হামলায় গাজা এখন এক ‘বৃহৎ গণকবরে’ পরিণত হয়েছে। গত ১৮ মার্চ থেকে গাজা উপত্যকার ওপর আবারও বিমান ও স্থলপথে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

আরও পড়ুন  গাজায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রতি ইসরাইলের সম্মতি, কিন্তু ভবিষ্যত অনিশ্চিত

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গালান্ত বলেন, “গাজায় কোনো মানবিক সহায়তা প্রবেশের জন্য আমরা প্রস্তুত নই। সেখানকার অধিবাসীদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে হামাস। তাই কোনোভাবেই এই সহায়তা পৌঁছানোর অনুমতি দেওয়া হবে না।”

গেল ২ মার্চ থেকে গাজার সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই উপত্যকায় খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানিসহ প্রয়োজনীয় সব রসদের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মানবিক বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাসের হাতে আটক থাকা ৫৮ জন জিম্মির মুক্তির জন্য ‘সামরিক চাপই একমাত্র উপায়’। তিনি ঘোষণা দেন, “হামাসকে একের পর এক আঘাত করা হবে। আমাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতেই হবে।”

ইসরায়েল পুরো গাজার উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহের পথগুলো আটকে রেখেছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক হামলায় আরও এক হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ২৫ জনে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বারবার গাজায় সহায়তা পৌঁছানোর আহ্বান জানালেও ইসরায়েলের অবস্থান অনড়। গাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন, আর আন্তর্জাতিক মহল এই পরিস্থিতিকে ‘মানবিক বিপর্যয়’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

সূত্র: এএফপি