ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

গাজা সংকট: কায়রোতে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে সিসি ও ম্যাখোঁর যোগ দিচ্ছেন জর্দানের রাজা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 374

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকার উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য আজ কায়রোতে মুখোমুখি হচ্ছেন মিশর, ফ্রান্স ও জর্দানের শীর্ষ নেতারা। মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির আমন্ত্রণে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এবং জর্দানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ। জর্ডানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা পেত্রার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধ, মানবিক সংকট এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বৈঠকটি এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলের নতুন সামরিক পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন  মিশরে চীনের জে-৩৫ ফাইটার জেট উপস্থাপন: পশ্চিমা নির্ভরতা কাটিয়ে বিকল্প খুঁজছে কায়রো

সম্প্রতি ইসরায়েল ঘোষণা দিয়েছে, তারা গাজার দক্ষিণাঞ্চলে একটি নতুন ‘নিরাপত্তা করিডর’ তৈরি করেছে। ‘মোরাগ করিডর’ নামের এই করিডরটি পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিক পর্যন্ত বিস্তৃত, যার মাধ্যমে রাফাহ শহরকে পুরো গাজা থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজেই এই করিডরের ঘোষণা দেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই করিডর গাজার জনগণের চলাচল, মানবিক সহায়তা এবং জরুরি সেবা কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে রাফাহ সীমান্ত এলাকাটি ছিল একমাত্র পথ, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহায়তা গাজায় প্রবেশ করতো।

তবে কায়রোর বৈঠকে এই নতুন করিডর প্রসঙ্গে সরাসরি আলোচনা হবে কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। তবুও মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও গাজার নাগরিকদের মানবিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই ত্রিপক্ষীয় আলোচনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বৈঠকের ফলাফল এবং যৌথ বিবৃতি বিশ্ববাসীর নজরে থাকবে, কারণ এই আলোচনা হতে পারে গাজা সংকট নিরসনের সম্ভাব্য একটি নতুন কূটনৈতিক দ্বার।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজা সংকট: কায়রোতে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে সিসি ও ম্যাখোঁর যোগ দিচ্ছেন জর্দানের রাজা

আপডেট সময় ১০:৫৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজা উপত্যকার উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য আজ কায়রোতে মুখোমুখি হচ্ছেন মিশর, ফ্রান্স ও জর্দানের শীর্ষ নেতারা। মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির আমন্ত্রণে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ এবং জর্দানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ। জর্ডানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা পেত্রার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধ, মানবিক সংকট এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বৈঠকটি এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলের নতুন সামরিক পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন  মিশরে চীনের জে-৩৫ ফাইটার জেট উপস্থাপন: পশ্চিমা নির্ভরতা কাটিয়ে বিকল্প খুঁজছে কায়রো

সম্প্রতি ইসরায়েল ঘোষণা দিয়েছে, তারা গাজার দক্ষিণাঞ্চলে একটি নতুন ‘নিরাপত্তা করিডর’ তৈরি করেছে। ‘মোরাগ করিডর’ নামের এই করিডরটি পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিক পর্যন্ত বিস্তৃত, যার মাধ্যমে রাফাহ শহরকে পুরো গাজা থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজেই এই করিডরের ঘোষণা দেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই করিডর গাজার জনগণের চলাচল, মানবিক সহায়তা এবং জরুরি সেবা কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে রাফাহ সীমান্ত এলাকাটি ছিল একমাত্র পথ, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহায়তা গাজায় প্রবেশ করতো।

তবে কায়রোর বৈঠকে এই নতুন করিডর প্রসঙ্গে সরাসরি আলোচনা হবে কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। তবুও মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও গাজার নাগরিকদের মানবিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই ত্রিপক্ষীয় আলোচনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বৈঠকের ফলাফল এবং যৌথ বিবৃতি বিশ্ববাসীর নজরে থাকবে, কারণ এই আলোচনা হতে পারে গাজা সংকট নিরসনের সম্ভাব্য একটি নতুন কূটনৈতিক দ্বার।