ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিএসইতে সূচক ও লেনদেনে চাঙ্গাভাব, আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • / 345

ছবি সংগৃহীত

 

 

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) বুধবার বড় ধরনের উল্লম্ফনের সাক্ষী হয়েছে। সূচক ও লেনদেন—দুই দিক থেকেই বাজারে ফিরে এসেছে ইতিবাচক গতি।

আরও পড়ুন  শেয়ারবাজারে ইতিবাচক ধারায় লেনদেন, সূচক বেড়েছে ডিএসই ও সিএসইতে

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স একদিনেই ৯৩ পয়েন্ট বেড়ে পৌঁছেছে ৫,৩৬৪ পয়েন্টে, যা গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে, ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর সূচক ছিল ৫,৩৬৫ পয়েন্ট, যা এই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল।

শুধু সূচকই নয়, লেনদেনেও দেখা গেছে উল্লম্ফন। বুধবার মোট লেনদেন হয়েছে ৯৮৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ২১১ কোটি টাকা বেশি। মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ৭৭৫ কোটি ৬০ লাখ টাকার। এই লেনদেনের পরিমাণ গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

বাজারে লেনদেন হওয়া মোট ৩৯৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২১৮টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১০২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৭৯টি শেয়ারের দাম।

বুধবারের সূচক বৃদ্ধিতে গ্রামীণফোন, বিএটি বাংলাদেশ, ব্র্যাক ব্যাংক, ইউনাইটেড পাওয়ার এবং রবি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

প্রধান সূচকের পাশাপাশি ডিএসই শরিয়াহ সূচক বেড়েছে ১৬.৮০ পয়েন্ট, অবস্থান করছে ১,১৭৮ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক বেড়েছে ৫৬.৩১ পয়েন্ট, যা বর্তমানে ২,০৮৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে।

বাজারের এই চাঙ্গাভাব বিনিয়োগকারীদের মাঝে নতুন আশাবাদ তৈরি করেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্থিতিশীল নীতিনির্ধারণী বার্তা ও কিছু মৌলভিত্তির কোম্পানির ইতিবাচক পারফরম্যান্স এর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ডিএসইতে সূচক ও লেনদেনে চাঙ্গাভাব, আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থান

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

 

 

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) বুধবার বড় ধরনের উল্লম্ফনের সাক্ষী হয়েছে। সূচক ও লেনদেন—দুই দিক থেকেই বাজারে ফিরে এসেছে ইতিবাচক গতি।

আরও পড়ুন  শেয়ারবাজারে সূচকের বড় উত্থান, লেনদেনে চাঙা ডিএসই ও সিএসই

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স একদিনেই ৯৩ পয়েন্ট বেড়ে পৌঁছেছে ৫,৩৬৪ পয়েন্টে, যা গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে, ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর সূচক ছিল ৫,৩৬৫ পয়েন্ট, যা এই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল।

শুধু সূচকই নয়, লেনদেনেও দেখা গেছে উল্লম্ফন। বুধবার মোট লেনদেন হয়েছে ৯৮৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ২১১ কোটি টাকা বেশি। মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ৭৭৫ কোটি ৬০ লাখ টাকার। এই লেনদেনের পরিমাণ গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

বাজারে লেনদেন হওয়া মোট ৩৯৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২১৮টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১০২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৭৯টি শেয়ারের দাম।

বুধবারের সূচক বৃদ্ধিতে গ্রামীণফোন, বিএটি বাংলাদেশ, ব্র্যাক ব্যাংক, ইউনাইটেড পাওয়ার এবং রবি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

প্রধান সূচকের পাশাপাশি ডিএসই শরিয়াহ সূচক বেড়েছে ১৬.৮০ পয়েন্ট, অবস্থান করছে ১,১৭৮ পয়েন্টে। আর ডিএস৩০ সূচক বেড়েছে ৫৬.৩১ পয়েন্ট, যা বর্তমানে ২,০৮৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে।

বাজারের এই চাঙ্গাভাব বিনিয়োগকারীদের মাঝে নতুন আশাবাদ তৈরি করেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্থিতিশীল নীতিনির্ধারণী বার্তা ও কিছু মৌলভিত্তির কোম্পানির ইতিবাচক পারফরম্যান্স এর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে।