ফ্রান্সের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ: ড. মঈন খান
- আপডেট সময় ০৭:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
- / 29
ফ্রান্সের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদার ও সম্প্রসারণের প্রত্যাশা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশে ফ্রান্সের বিনিয়োগ বৃদ্ধি, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা জোরদার, নতুন প্রকল্পে সহায়তা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়গুলো উঠে আসে। এ ছাড়া ফ্রান্সের এয়ারবাস থেকে বাংলাদেশ সরকারের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে মন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো, পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও নগর ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতে এ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব নতুন মাত্রা পেতে পারে।
বর্তমানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ফ্রান্সের উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা এজেন্স ফ্রঁসেজ দ্য ডেভেলপমঁ (এএফডি)-এর চারটি প্রকল্প চলমান রয়েছে।
প্রকল্পগুলো হলো—সায়েদাবাদ পানি পরিশোধন প্ল্যান্ট (তৃতীয় পর্যায়), ঢাকা এনভায়রনমেন্টালি সাস্টেইনেবল ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্প (তৃতীয় পর্যায়), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন স্যানিটেশন প্রকল্প ফর নর্থ কাট্টলী ক্যাচমেন্ট এবং ইমপ্রুভিং আরবান গভর্নেন্স অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রকল্প।
এসব প্রকল্পে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ফ্রান্স প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা অর্থায়ন করছে। পাশাপাশি ফ্রান্সের সহায়তায় বাংলাদেশে শহর ও পৌর এলাকায় পানি সরবরাহ, অন্তর্ভুক্তিমূলক স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির উন্নয়নে ‘ওয়াটার সাপ্লাই, ইনক্লুসিভ স্যানিটেশন অ্যান্ড হাইজিন প্রজেক্ট ইন সেভেন টাউনস অব বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।
এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।























