ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 684

ছবি: সংগৃহীত

 

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট টাইটান্স। ওপেনার জাকির হাসান ও তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম দ্রুত আউট হলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। সেই কঠিন সময়ে পারভেজ ইমন ও স্যাম বিলিংস প্রতিরোধ গড়ে সিলেটকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এই জুটির ভাঙনের পর আর কেউই ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১২ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৬৫ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ অবদান আসে কেন উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে, তিনি ৩৮ বলে অপরাজিত ৪৫ রান করেন। জবাবে সিলেট টাইটান্স ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের বেশি করতে পারেনি।

আরও পড়ুন  ক্রিস গেইলের বলে ভাগ বসালেন লিটন কুমার

রান তাড়ায় সিলেটের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। মাত্র ৭ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় তারা। এরপর ইমন ও বিলিংস কিছুটা আশা জাগান। ইমন করেন ৪৮ রান, আর বিলিংসের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। তবে এই দুজন আউট হওয়ার পর আবারও চাপে পড়ে যায় সিলেটের ইনিংস।

চাপের মুহূর্তে ব্যাট হাতে ভালো শুরু করেছিলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু ১২ বলে ২১ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। শেষদিকে মিরাজ ও ওকস লড়াই চালানোর চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান তোলা সম্ভব হয়নি।

এর আগে রাজশাহীর ইনিংসে আক্রমণাত্মক সূচনা করেন তামিম ইকবাল ও ফারহান। ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ফারহানের বিদায়ে, তিনি করেন ২৬ রান। অন্য ওপেনার তামিম খেলেন ১৫ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংস।

এরপর দ্রুতই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও এসএম মেহেরব। ৮০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়লেও কেন উইলিয়ামসন ও জেমস নিশাম পরিস্থিতি সামাল দেন। ষষ্ঠ উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে তারা দলকে লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেন। নিশাম ২৬ বলে ৪৪ রান করেন, আর উইলিয়ামসন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট

আপডেট সময় ১২:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

 

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট টাইটান্স। ওপেনার জাকির হাসান ও তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম দ্রুত আউট হলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। সেই কঠিন সময়ে পারভেজ ইমন ও স্যাম বিলিংস প্রতিরোধ গড়ে সিলেটকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এই জুটির ভাঙনের পর আর কেউই ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১২ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৬৫ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ অবদান আসে কেন উইলিয়ামসনের ব্যাট থেকে, তিনি ৩৮ বলে অপরাজিত ৪৫ রান করেন। জবাবে সিলেট টাইটান্স ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানের বেশি করতে পারেনি।

আরও পড়ুন  শুরু হচ্ছে বিপিএল মহা উৎসব

রান তাড়ায় সিলেটের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। মাত্র ৭ রানের মধ্যেই দুই উইকেট হারায় তারা। এরপর ইমন ও বিলিংস কিছুটা আশা জাগান। ইমন করেন ৪৮ রান, আর বিলিংসের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। তবে এই দুজন আউট হওয়ার পর আবারও চাপে পড়ে যায় সিলেটের ইনিংস।

চাপের মুহূর্তে ব্যাট হাতে ভালো শুরু করেছিলেন আফিফ হোসেন। কিন্তু ১২ বলে ২১ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। শেষদিকে মিরাজ ও ওকস লড়াই চালানোর চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান তোলা সম্ভব হয়নি।

এর আগে রাজশাহীর ইনিংসে আক্রমণাত্মক সূচনা করেন তামিম ইকবাল ও ফারহান। ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ফারহানের বিদায়ে, তিনি করেন ২৬ রান। অন্য ওপেনার তামিম খেলেন ১৫ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংস।

এরপর দ্রুতই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও এসএম মেহেরব। ৮০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়লেও কেন উইলিয়ামসন ও জেমস নিশাম পরিস্থিতি সামাল দেন। ষষ্ঠ উইকেটে ৭৭ রানের জুটি গড়ে তারা দলকে লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেন। নিশাম ২৬ বলে ৪৪ রান করেন, আর উইলিয়ামসন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে।